• আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক জনাব নায়েব আলী স্যার ভীষন অসুস্থ। দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা।

    FB IMG 1505890479816 - আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক জনাব নায়েব আলী স্যার ভীষন অসুস্থ। দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা।

    বাসুদেব থেকে –
    মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন।

    স্যার ভীষন অসুস্থ। দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা আখাউড়া ০৪ আসনের জাতীয়তাবাদী ব্যাক্তিত্ব জনাব নায়েব আলী ভূইয়া যিনি বিএনপি পরিবারের নিকট নায়েব আলী স্যার নামে অধিক পরিচিত। তিনি ছিলেন বাসুদেব হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক,তিনি স্কুলে ইংরেজি বিষয় পড়াতেন। এলাকার জিয়ার সৈণিকেরা দেখেছে বিএনপির যখন কোন হরতাল,বিক্ষোভ কর্মসূচি থাকতো সেটা তিনি রাজপথে পালন করে স্কুলে আসতেন একটু দেরী করে এবং ক্লাসে এসে অবলীলায় বলতেন আজ মিছিল ছিল যার দরুন একটু দেরী হয়েছে,অনেক সময় তিনি লোকাল ট্রেনে আখাউড়া থেকে ভাতশালা তারপর হেটে বাসুদেব স্কুলে আসতেন তবে উনার চাকুরী জীবনের বেশীরভাগ সময় তিনি হেটেই আখাউড়া থেকে বাসুদেব স্কুলে আসা-যাওয়া করেছেন যেহেতো তখনকার সময়ে সুলতানপুর-আখাউড়া সড়কটি ছিল না।FB IMG 1505890471267 300x180 - আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক জনাব নায়েব আলী স্যার ভীষন অসুস্থ। দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা।

    শহীদ জিয়ার ভক্ত বিএনপি প্রেমী এই মানুষটি বিএনপির রাজনীতিতে এতটাই সরব ছিলেন অধিক রাত পর্যন্ত তখনকার সময়ে উনার নিজের পকেটের টাকায় চালানো আখাউড়া উপজেলা বিএনপির অফিসে অধিকরাত পর্যন্ত অবস্থান করতেন এবং নেতাকর্মীদের সাক্ষাত করে দিক নির্দেশনা দিতেন। ২০০০ সালের পরপর বিএনপির রাজনীতিতে যখন স্বজনপ্রীতি ও সিণ্ডিকেট রাজনীতি প্রথা ব্যাপকভাবে চালু হয় এবং আখাউড়াতে আমলা মুশফিকুর রহমানের আবির্ভাব হয় তখন কলমের এক খোচায় উনাকে বাদ দিয়ে দেয়া হয়।তারপর থেকে উনি আর সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেননি কিন্তূ যোগাযোগ ছিল বিএনপির সুর্য সৈণিক সকলের সাথে। উনার এই ছবিটি ২০১১ সালের ২৭শে জানুয়ারি ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাটি ও মানুষের নেতা শ্যামল ভাই এর উপনির্বাচনের সময় বাসুদেব কেন্দ্র থেকে তোলা। রাজনীতিতে উনি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন,তা সাধারণ জনগণ দেখেছিল ২০১৩ সালে তিতাসে বাধ নির্মানের প্রতিবাদে মাহমুদুর রহমানের নেতৃত্বে যখন ঢাকা থেকে আখাউড়া লংমার্চ এর শেষ জনসভাটি হয়েছিল উনার বাড়ির সামনে হিরাপুর গ্রামে,তখন কেন্দ্রীয় নেতা অনেকেই উনাকে দেখে অনেক সম্মান করেছিলেন। পেশাগত জীবনের কিছুসময় উনি ঢাকায় সাংবাদিকতা ও করেছিলেন যার দরুন সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিক অংগনের অনেকের সাথে উনার ছিল সুসম্পর্ক। সাংসারিক জীবনেও উনি সফল একজন ব্যাক্তি উনার দুই ছেলেই বিসিএস ক্যাডারে ডাক্তার হয়েছেন। জীবনের পড়ন্ত বেলায় উনি আজ অনেক অসুস্থ,তাই তার পরিবারের সদস্যরা এই মহান জিয়া প্রেমীর জন্য সকলের নিকট দোয়া কামনা করেন।

    আল্লাহ্‌তায়ালা তাকে নেক হায়াত দান করুন। আমীন!