• বুদ্ধিজীবিদের গুম খুনের সাথে সাথে দেশে বুদ্ধিশূন্য ধ্বংসের ভর্বিষত খুঁটি গাড়লো।  -রাকেশ রহমান। 

    received 1102575206543970 - বুদ্ধিজীবিদের গুম খুনের সাথে সাথে দেশে বুদ্ধিশূন্য ধ্বংসের ভর্বিষত খুঁটি গাড়লো।  -রাকেশ রহমান। 

    ইটালি থেকে…………

    বুদ্ধিজীবিদের গুম খুনের সাথে সাথেদেশে বুদ্ধিশূন্য ধ্বংসের ভর্বিষত খুঁটি গাড়লো। 
    -রাকেশ রহমান। 

    একটা জাতি তখনই ধ্বংসের দিকে ধাবিত হয় যখন ঐ জাতির জন্য কথা বলার বা কলম ধরার জন্য কেউ থাকে না। আমাদের অনেক ভালোবাসার একটি দেশ বাংলাদেশ আজ বাক স্বাধীনতা হারিয়ে কলম যোদ্ধা বুদ্ধিজীবিদের হয়রানি ও গুম খুনের মাধ্যমে মেধা শূন্য দেশে পরিনত হতে যাচ্ছি।

    ঠিক ১৯৭১ এর মতন করে থমথমা আতংকে আজ আমরা জীবন অতিবাহিত করছি।
    আমাদের বলার বা করার আজ কিছুই বোধহয় নেই ধীরেধীরে আমরা নির্বোধ হয়ে যাচ্ছি। পাকিস্তানিরা ঠিক যেভাবে বুদ্ধিজীবি নিধরণ করেছিলে সেই ভাবেই পাকিস্তানিদের সহযোগী ক্ষমতার লোভে একই ভাবে বুদ্ধি শূন্য মিশনে নেমেছে।

    গত দুদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবকে মারাত্মক আহত করা হয়েছে। আহত না হত্যার চেষ্টাই মূলত করা হয়েছিলো।

    ঈদ শেষে ঈশ্বরদী থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জ কাচিকাটা টোল প্লাজা অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক ও হাবিবুর রহমান হাবিবকে বহনকারী প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন মারাত্মক আহত হয়েছে। সংঘর্ষে প্রাইভেট কারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করান। দুর্ঘটনায় হাবিবুর রহমান হাবিবের হাত ও পা ভেঙ্গে যায়। তার স্ত্রী, মেয়ে ও ড্রাইভার নিশান মারাত্মক আহত হয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার।
    উপর আল্লাহ অশেষ রহমতে জীবনে বেঁচে গিয়েছেন হাবিব সাহেব।
    কিন্তু দুদিন না যেতে আরেক ঘটনা
    লেখক দার্শনিক ফরহাদ মজহারকে আজ সকাল ৫টার দিকে তার বাসা থেকে অপহরণ করা হয়েছে। প্রথমে উনার পরিচিত কোন ব্যক্তিকে দিয়ে ফোন করিয়ে উনার এপার্টমেন্ট থেকে নীচে নামানো হয় এবং তারপর উনাকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর তাকে দিয়ে তার স্ত্রীর কাছে ফোন করিয়ে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করা হয়েছে।

    বিষয়টি তার স্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানালে ঐ মোবাইল ট্র্যাক করে সেটির অবস্থান প্রথমে মানিকগঞ্জ এবং পরে মাগুরায় পাওয়া গেছে। এর থেকে আশংকা করা হচ্ছে- তাকে সীমান্তের দিকে নেয়া হচ্ছে এবং হয়তো সীমান্ত পারি দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হবে।

    আমাদের জানা মতে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে যেসব প্রযুক্তি আছে, তা দিয়ে যে কোন মোবাইল ফোনকে তার সঠিক অবস্থানসহ সনাক্ত করা যায়।

    অবিলম্বে সেইসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফরহাদ মজহারকে অপহরণকারীদের নিকট থেকে উদ্ধার করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট অনুরোধ করছি।
    অবশেষে, দীর্ঘ নাটক শেষে হুমকি ধামকি দিয়ে তাকে ফিরিয়ে দিলো।

    একটা দল একটা দলের প্রধান কতখানি নির্লজ্জ না হলে একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে।
    ইতিহাস বলতে কিছু আছে সেই ইতিহাসে একটি দেশের কালো অধ্যায়ের সূচনাকারী ঘৃনীত চরিত্র হিসেবে আজীবন তাদের অর্থ্যাৎ বর্তমান শোষকদের নাম খোদাই হয়ে চলেছে ।
    আমরা বাংলাদেশিরা ভীতু কোন জাতি নই,আমরা বাংলাদেশিরা মৌলবাদী নই, আমরা একে অপরের সাথে আন্তরিকতার সাথে বসবাস করি। আমরা মুসলমান ও হিন্দুরা পাশাপাশি ঘরে থাকতে পারি কিন্তু কোন রকম ঝগড়া বিবাধ ছাড়াই। আমাদের দেশের খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে একে অপরের প্রতি কোন বিবেধ নেই।
    শুধু মাত্র গুটি কয়েক বামপন্থী লোকেরা দেশটা লুটে পুটে খাচ্ছে।
    গুটি কয়েক লোক যেকোন মূল্যে ক্ষমতায় থাকার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশকে দিয়ে দেশটা চালাচ্ছে। এই গুটি কয়েক লোকের আমাদের দেশের প্রতি কোন টান, ভালোবাসা নেই।
    প্রতিটি দেশে যার যার দেশের ভালোমন্দ চিন্তা করার জন্য অবশ্যই কিছু বুদ্ধিজীবি থাকবে বা থাকা অত্যাবশ্যক। সেই বুদ্ধিজীবিরা দেশ নিয়ে সরকারকে সাবধান করবে এবং পরামর্শ দিবে সেটাই স্বাভাবিক।
    আর এই সরকার মানুষের সমর্থন ছাড়া নিজেদের পায়ের নিচের মাটি শক্ত করতে সকল বুদ্ধিজীবিকে হয় গুম না খুন অথবা মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে আটক না হয় জোড়পূর্বক দেশ থেকে বিদেশে পাঠানো।
    সুপরিচিত কলম যোদ্ধা ডাঃতুহিন মালেক কে প্রবাসে যেতে বাধ্য করা ।আলোচিত সৎ আমারদেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে জেলে আটকে রাখা ।জনাব শফিক রেহমানকে আটকে রাখতেও বিচলিত হয়নী।
    এভাবে আমাদের দেশের সম্মানিত বুদ্ধিজীবিদের একের পর এক হয়রানী করে দেশ বুদ্ধিশূন্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ।
    দেশ আজ অর্থ শূন্য মেধা শূন্য বুদ্ধি শূন্য হয়ে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।