• Category Archives: জাতীয়

    বিএনপির মেয়রের উন্নয়ন, কৃতিত্ব আওয়ামী লীগের

    a24e7dbcee217d79952d94d36cbeef65 5b2ccdc86de87 - বিএনপির মেয়রের উন্নয়ন, কৃতিত্ব আওয়ামী লীগের

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    • সিলেট সিটি নির্বাচন
    • বিএনপির শঙ্কা দুটো-খুলনার মতো ‘নিয়ন্ত্রিত’ নির্বাচন আর জামায়াতের ভূমিকা

    দায়িত্বে বিএনপিদলীয় মেয়র। তাঁর আমলে সিলেট নগরে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। কিন্তু এর কৃতিত্ব দাবি করছে আওয়ামী

    সুমন জাহিদ আত্মহত্যা করতে পারে না

    7e378e20e6a27ece24b9d9e88ae15f99 5b224d127a6e3 - সুমন জাহিদ আত্মহত্যা করতে পারে না

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    সুমন জাহিদের মৃত্যুর খবর পেলাম মেসেঞ্জারে। এরপর নানাভাবে আরও অনেক তথ্য হাতে এল নানাভাবে। ঢাকার বাইরে আছি বলে ওর কাছে যেতে পারিনি, তবে প্রজন্ম ’৭১-এর সদস্যরা দুঃসংবাদ পাওয়ার পরপরই চলে গেছে পুলিশ ফাঁড়িতে, তারপর হাসপাতালে।

    বেসরকারি স্কুল–কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর

    454c4fe2ddb8ff9018c98968fdbe593c 5b22842d787b1 - বেসরকারি স্কুল–কলেজে চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩৫ বছর

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীদের চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স হবে ৩৫ বছর। এই বিধান রেখে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা ২০১৮ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ

    ১০০ আসন চায় শরিকেরা

    9cf9260f21608c31bf12e14cfae92b19 5b1e133eb62e1 - ১০০ আসন চায় শরিকেরা

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    • একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে।
    •  ২০-দলীয় জোটে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনা।
    • এখনই সমঝোতায় পৌঁছাতে চায় জোটের শরিকেরা।
    • ৫০-৬০টি আসনে বিএনপি ও জোটের নেতারা মুখোমুখি
    • এখনই আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত করছে না বিএনপি

    ২০-দলীয় জোটের শরিক দলগুলো প্রায় ১০০ আসন দাবি করবে বিএনপির কাছে। এরই মধ্যে ৫০ থেকে ৬০টি আসনে বিএনপি ও জোটের নেতারা মুখোমুখি হয়ে আছেন। অনেক জায়গায় মনোমালিন্য, কোথাও কোথাও সংঘর্ষের মতো ঘটনাও ঘটেছে। তবে

    মানবাধিকার কমিশন পুলিশ-র‍্যাবের জন্য নির্দেশিকা বানাতে ব্যস্ত

    7cd7c1eb4d51f506591598d8b09bf743 5b18ab506f1c4 - মানবাধিকার কমিশন পুলিশ-র‍্যাবের জন্য নির্দেশিকা বানাতে ব্যস্ত

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর করণীয় নিয়ে ‘নির্দেশিকা’ বানাচ্ছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। কমিশন বলছে, অভিযানের সময় বিচারবহির্ভূত এসব হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন। এসব ‘অনাকাঙ্ক্ষিত

    ই-কমার্সসহ ভার্চুয়াল ব্যবসায় কর বসবে

    a5c979a437f88a0a5df6d8101f441547 5b18e8834198d - ই-কমার্সসহ ভার্চুয়াল ব্যবসায় কর বসবে

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    দ্রুত বাড়ছে ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা। সরকার এ ধরনের ব্যবসায় কর বসাতে চাইছে। চলতি বছরের বাজেট অধিবেশনে ভার্চুয়াল ব্যবসায় কর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

    অর্থমন্ত্রী বলেছেন,

    অনলাইনে মিলছে না ট্রেনের টিকিট!

    2ca414a348d1e46fd38e10d5a4dd06a7 58de95bc47e35 - অনলাইনে মিলছে না ট্রেনের টিকিট!

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন। ১ জুন থেকে ঈদের অগ্রিম টিকিট অনলাইনে কাটতে গিয়ে কাটতে পারেননি। পরের দিন একইভাবে চেষ্টা করেন তিনি। সেদিনও কাটতে পারেননি। কয়েক দিন ধরে তিনি চেষ্টা চালিয়েই যাচ্ছেন।

    প্রাণ কেড়ে নেয় ইয়াবা, ঝুঁকিতে ৭৭ লাখ মানুষ

    1528054313 - প্রাণ কেড়ে নেয় ইয়াবা, ঝুঁকিতে ৭৭ লাখ মানুষ
    ৭১ ডেস্কঃ ইয়াবা খেলে জীবন শেষ। প্রথমে সাময়িক শারীরিক ও মানসিকভাবে চাঙ্গাভাব সৃষ্টি হলেও শরীরে ক্ষতি শুরু হতেই থাকে। খাওয়া মাত্রই শরীরের স্নায়ুতন্ত্রে গিয়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তিন মাস পরই দৃশ্যমান অসুস্থতা ধরা পড়ে। মহিলারা মাথায় উকুন হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে পড়ে। সন্তান ধারণ ক্ষমতা ও যৌন সম্পর্ক স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়। ব্রেনের ভেতরে ডোপামিন নিঃসরণ ঘটে। ফুসফুসে পানি জমে যায়, পরবর্তীতে ক্যান্সার হয়। হৃদযন্ত্র, লিভার, কিডনি থেকে শুরু করে শরীরে যেসব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে সেগুলোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুধু তাই নয়, ইয়াবার আগ্রাসীতে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। নিষ্ঠুর নির্মম হয়ে যায়। ইয়াবা আসক্তরা এমন পাষণ্ড হয়ে যায় যে, পিতা-মাতা সন্তানদেরও হত্যা করতে তাদের অনুশোচনা হয় না। গতকালই রাজধানীর দক্ষিণখানে ইয়াবা আসক্ত ছেলের হাতে মা খুন হয়েছে এবং চাঁদপুরে ছেলের হাতে বাবা খুন হয়েছেন। আমাদের ব্রেনের ফ্রন্টাল একটি লোপে যেখানে বিচার বিবেচনার বোধ তৈরি হয়, যেখানে আমরা সিদ্ধান্ত নেই, পরিকল্পনা করি সে জায়গাটা কাজ করতে পারে না। ফলে মানুষ পাষণ্ড হয়ে যায়, হিংস  হয়ে যায়। মায়ের গলায় ছুরি ধরে টাকার জন্য, মা বাবার বুকে বসে ছুরি চালাতে ইয়াবা আসক্তদের বুকও কাঁপে না। আশেপাশের আত্মীয় স্বজন বন্ধুবান্ধবদের সাথেও সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যেতে শুরু করে। মাংসপেশি শুকিয়ে গেলে একটু শুকনা মনে হয়, গাল ভেঙে যায়। ইয়াবায় শারীরিক, সামাজিক ও মানসিকসহ সবক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর ক্ষতি থাকলেও বাংলাদেশে এখনো ৭৭ লাখ মানুষ এই ক্রেজি ট্রাগে আসক্ত। তারা এখন মৃত্যুর ঝুঁকিতে। ইয়াবা আসক্তদের মধ্যে ৬০ ভাগ তরুণ। শিগগিরই ইয়াবা সেবন থেকে বিরত না থালে তাদের মৃত্যু অবশ্যম্ভাবী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইয়াবা হচ্ছে এটম বোমার চেয়ে ক্ষতিকর। এটা মানুষের শরীরকে একেবারে শেষ করে দেয়। তবে ইয়াবা খেলে কিছু সুবিধা মনে হতে পারে। যেমন  সাময়িকভাবে শারীরিক ও মানসিকভাবে চাঙ্গাভাব সৃষ্টি হয়। শরীরে উত্তেজনা আসে, ফলে ঠিকমতো ঘুম হয় না, এক নাগাড়ে দুই তিনদিনও না ঘুমিয়ে জেগে থাকা যায়। মনে করে ভীষণ কাজ কর্ম করা যাবে, কিন্তু আসলে কোন কাজই হয় না। প্রাথমিকভাবে যৌন উদ্দীপনা হিসেবে কাজ করে। আসক্ত শিক্ষার্থীরা সারা রাত ধরে একটা পাতাও উল্টাতে পারে না, এক পাতাতেই বসে থাকে। প্রচলিত ভুল তথ্য আছে যে, ইয়াবা খেয়ে শিক্ষার্থীরা রাতে বেশিক্ষণ জেগে থেকে পড়তে পারে। কিন্তু প্রকৃত তথ্য হলো, জেগে থাকলেও কোন লাভ হয় না। কারণ পড়ালেখায় আসক্ত শিক্ষার্থীর মনোযোগ থাকে না। মোটা মানুষকে ইয়াবা চিকনও করে না। এটা খেলে তার খিদে কমে যায়। তখন সে কম খায়। তার পেশীকে ক্ষয় করে ফেলে। মাংসপেশি শুকিয়ে গেলে একটু শুকনা মনে হয়, গাল ভেঙে যায়। কিন্তু চিকন হওয়ার তথ্য পুরোপুরি ভুল বলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ইয়াবা আসক্ত নারীদের মুরগির মাংস দেখলে মনে হয় তার ভেতরে অনেক কেঁচো। মাথার চামড়াকে মনে হবে লাল রক্ত। হেরোইনের মতো করেই খেতে হয় ইয়াবা। এলোমুনিয়ামের ফয়েলের উপর ইয়াবা ট্যাবলেট রেখে নিচ থেকে তাপ দিয়ে ওটাকে গলাতে হয়। তখন সেখান থেকে যে ধোঁয়া বের হয় সেটা একটা নলের মাধ্যমে মুখ দিয়ে গ্রহণ করা হয়। তখন সেটা মুহূর্তের মধ্যেই সরাসরি স্নায়ুতন্ত্রে গিয়ে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে শুরু করে। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ মেনটাল হেলথের সাইকোথেরাপির অধ্যাপক বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানী ডা. মোহিত কামাল ইত্তেফাককে জানান, এখন সব পেশার মানুষ ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকে আসক্ত। ইয়াবাসহ মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার মতো নির্মূল অভিযান চলছে। যদি এই মাদক যুদ্ধে পরাজিত হই, তাহলে ইয়াবার কাছে পরাজিত হবো। ইয়াবায় দেশ ভেসে যাবে। মাদক ব্যবসায়ীরা উত্সাহিত হবে। তাই পিছু হটা যাবে না। পিছু হটলে পুরো জাতি ধ্বংস হয়ে যাব। তাই পিছু হটার কোন সুযোগ নেই। তিনি বলেন, ইয়াবায় আসক্তদের নিষ্ঠুর করে তোলে। তখন সে খুন করতে পিছপা হয় না। এটা এটম বোমার চেয়ে ক্ষতিকর। মাদকের বিরুদ্ধে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষকে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। মোহিত কামাল বলেন, ইয়াবা খেলে মস্তিষ্কের সরু রক্তনালী ছিঁড়ে যেতে পারে। মস্তিষ্কে রক্তপাতও হওয়ার ঘটনাও আমরা পেয়েছি। ব্রেইন ম্যাটার সঙ্কুচিত হয়ে যায়। সেটা যদি ১৫০০ গ্রাম থাকে সেটা শুকিয়ে এক হাজার গ্রামের নিচে নেমে যেতে পারে। জেনেটিক মলিকিউলকেও নষ্ট করে দিতে পারে। ফলে পরবর্তী প্রজন্মও স্বাস্থ্য-ঝুঁকিতে থাকে। প্রখ্যাত মেডিসিন বিশেষজ্ঞ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ জানান, ইয়াবা এমন ক্ষতিকর মাদক যে, আসক্তদের হৃদযন্ত্র, লিভার, কিডনি থেকে শুরু করে শরীরে যেসব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ রয়েছে সেগুলোই ক্ষতিগ্রস্ত করে। গিরায় গিরায় ব্যথা হয়। আস্তে আস্তে শরীর শেষ করে দেয়। চিকিৎসা দিয়েও শেষ পর্যন্ত কাজ হয় না। সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এন হুদা জানান, ইয়াবায় আসক্তদের যৌন সম্পর্ক স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়। এই ইয়াবার কারণে অনেক স্ত্রী স্বামীর ঘর করতে পারছে না। তিনি বলেন, অনেকে ইয়াবা গ্রহণ করে যৌন উদ্দীপক হিসেবে। প্রথম দিকে সেটা কাজ করে যেহেতু এটা খেলে শারীরিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। কিন্তু ধীরে ধীরে তার যৌন ক্ষমতা একেবারেই ধ্বংস হয়ে যায়। শুক্রাণু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সন্তান উৎপাদন ক্ষমতাও কমে যায়। মেয়েদের মাসিকেও সমস্যা হয়। এম এন হুদা বলেন, মরণনেশা ইয়াবার হাত থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে হবে। এ ব্যাপারে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, যত ধরনের মাদক আছে তার সবগুলোর সংমিশ্রণ হলো ইয়াবা। এটা একটা পরিবারকে ধ্বংস করে দেয়। সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, অল্পবয়সী ছেলেমেয়েদের কাছে ইয়াবা জনপ্রিয় হতে শুরু করে ২০০০ সালের পর থেকে যখন। টেকনাফ বর্ডার দিয়ে মিয়ানমার থেকে এই ট্যাবলেট আসতে শুরু করে। তারপর এটি খুব দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে। শুধু তাই নয়, যেখানে যাকে যেভাবে মোটিভেশন করা দরকার তার কাছে সেভাবেই ইয়াবা তুলে দেওয়া হচ্ছে। যেমন শিক্ষার্থীদেরকে বলছে যে, এটা খেলে তুমি রাত জেগে পড়তে পারবে। কেউ মোটা হলে তাকে বলা হচ্ছে শরীর শুকিয়ে যাবে। গানের শিল্পীকে বলছে, ইয়াবা খেলে গলার কাজ ভালো হবে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ইয়াবার কোন উপকারই নেই। ইয়াবা আসক্ত একজন সচিবের মেয়ে সম্প্রতি সুস্থ হওয়ার পথে। রাজধানীর একটি মাদকাসক্ত নিয়ময় কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিত্সা নিচ্ছেন তিনি। আসক্ত সচিব কন্যা জানান, আমার স্বামীর মাধ্যমে ইয়াবার সাথে আমার পরিচয় হয়। তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা। সে আমাকে অনেক ভালোবাসতো। একদিন সে অনেকগুলো ইয়াবা নিয়ে আসে। সে বলে, এটা খুব ভালো জিনিস। এখন এটা সবাই খায়, মেয়েরাও খায়। আর তুমি তো আমার স্ত্রী। সুতরাং তুমিও আমার সাথে খাবে ও মেলামেশা করবে। আমি মনে করলাম, যদি তার সাথে বসে না খাই তাহলে হয়তো সে বাইরের মেয়েদের সাথে গিয়ে খাবে। কয়েক মাস ধরে খেলাম। তিন মাস পর আমি খুব অসুস্থ হয়ে পড়ি। এতো শুকিয়ে যাই আমাকে ৭০ বছরের বৃদ্ধ মহিলার মতো দেখাতো। শরীর পুরোটা কালো হয়ে গিয়েছিল। আমার শরীরে অর্ধেক কাপড় থাকতো, অর্ধেক থাকতো না। আমি সারাক্ষণ মাথা আঁচড়াতাম। মনে হতো মাথায় শুধু উকুন। যে-ই দেখবে সে-ই আমাকে পাগল মনে করতো। আমার দাম্পত্য জীবনের অবসান ঘটে। হয়েছে বিচ্ছেদ। ইয়াবায় আসক্ত পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পুত্র সম্প্রতি রাজধানীর এক মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিত্সা নিয়ে অনেকটা সুস্থ হওয়ার পথে। ইত্তেফাকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, আমি এতোই আসক্ত হয়ে গিয়ে গিয়েছিলাম যে, মা যখন আসতো তখন আমি তার সাথে খুব খারাপ আচরণ করতাম। আমি চোখে অনেক কিছু দেখতে থাকি। মুরগির মাংস দেখলে মনে হতো তার ভেতরে অনেক কেঁচো। মাথার চামড়াকে মনে হতো লাল রক্ত। খেতে পারতাম না। আমার মা একদিন ভাত মেখে খাওয়াতে যাবে তখন আমার মনে হলো আমাকে তিনি কেঁচো খাওয়াচ্ছেন। কিছুক্ষণ পর আমি বমি করতে শুরু করি। তখন তারা আমাকে একটি মাদক নিরাময় কেন্দ্রে নিয়ে আসে। সেখানে আমাকে চিকিত্সা দেওয়া হয়। এখন আমি অনেকটা সুস্থ হয়। এখন অনেক লজ্জা লাগে। কারণ মায়ের সাথে অনেক খারাপ আচরণ করেছি। চিকিৎসকরা বলছেন, ইয়াবার কারণে পুরোপুরি বদলে যায় মানুষের জীবন ধারা। এই পরিবর্তনটা হয় খুব দ্রুত গতিতে। দিনে সে ঘুমাচ্ছে, রাতে জেগে থাকছে। পরপর কয়েকদিন সে ঘুমাচ্ছে না, কিন্তু আবার একটানা ঘুমাচ্ছে। ফলে মেজাজ অত্যন্ত চরমে উঠে যায়। কয়েকদিন পর দেখা যায় পরিবারের সবার সাথে তার ঝগড়াবিবাদ গণ্ডগোল লেগে যায়। তার মনে হয় সবাই খারাপ। তিনি একাই শুধু ভালো। কিছুদিন পর দেখা যায় যে প্যারানয়েড হয়ে গেছে। সে ভাবতে থাকে যে সবাই তার শত্রু বা সবাই তার পেছনে লেগেছে। সে সন্দেহ করতে শুরু করে যে তাকে কেউ মেরে ফেলবে, বিষ খাওয়াবে। তারপর ধীরে ধীরে সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। চিকিৎসকরা আরো বলেন, ইয়াবা খেলে শরীরে একটা তাপ তৈরি হয়- যা কিডনিরও ক্ষতি করতে পারে। যেহেতু এটিকে ধোঁয়া হিসেবে নেওয়া হচ্ছে তাই ফুসফুসে পানিও জমে যেতে পারে।

    রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লোকসানের শীর্ষে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড

    1528059876 - রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে লোকসানের শীর্ষে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড
    ৭১ ডেস্কঃ চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত হিসাবে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ লোকসানে রয়েছে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। প্রতিষ্ঠানটির ২০১৭-১৮ অর্থবছরে নীট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। অবশ্য আগের অর্থবছরের চেয়ে লোকসানের পরিমাণ ব্যাপক হারে কমেছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নীট লোকসানের পরিমাণ ছিলো ৪ হাজার ৪৩৪ কোটি টাকা। অর্থাৎ লোকসান কমেছে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি। অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, ২০১২-১৩ অর্থবছরে সার্বিকভাবে রাষ্ট্রীয়মালিকানাধীন সংস্থাগুলোর নীট লোকসান ছিল ২ হাজার ৬০৪ কোটি টাকা। পরবর্তী চার বছরে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা মুনাফা অর্জন করে। চলতি অর্থবছর এপ্রিল পর্যন্ত নীট মুনাফা হয়েছে ৯ হাজার ২৯৫ কোটি ৬২ লাখ টাকা। অবশ্য এর মধ্যে টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশনের মুনাফা বেশি ভূমিকা পালন করেছে। হিসাব মতে চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন সর্বোচ্চ নীট মুনাফা অর্জন করে। নীট মুনাফার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬ হাজার ১৮১ কোটি টাকা। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে প্রতিষ্ঠানটির নীট মুনাফার পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৯৮৭ কোটি ৯২ লাখ টাকা। অন্যদিকে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩ হাজার ৯৯৫ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ব্যাপক হারে কমে যাওয়ায় বিগত কয়েক বছর ধরে মোটামুটি বড় অঙ্কের মুনাফা করছে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক সংস্থা বিপিসি। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় এক্ষেত্রে চাপ পড়বে। অন্যান্য সংস্থার মধ্যে বাংলাদেশ তৈল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের পূর্ববর্তী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে নীট মুনাফা ছিল ৯২০ টাকা। চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এ প্রতিষ্ঠানের নীট মুনাফা বৃদ্ধি পেয়ে ৯৬৮ কোটি টাকা হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের ২০১৬-১৭ অর্থবছরের নীট মুনাফা ৫০৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা হতে চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত ৫৭৩ কোটি ৬৮ লাখ টাকায় উন্নীত হয়েছে। এছাড়াও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এর নীট লোকসান পূর্ববর্তী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ৫৬৯ কোটি ৪৬ কোটি টাকা হতে বৃদ্ধি পেয়ে ৬৪৪ কোটি ৪১ লাখ টাকা হয়েছে। বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের নীট লোকসান পূর্ববর্তী ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ৪৮০ কোটি ৯৪ লাখ টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪৮৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা হয়েছে। লভ্যাংশ প্রদান: অর্থমন্ত্রণালয়েল সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরের এপ্রিল পর্যন্ত এই দশ মাসে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাসমূহ সরকারি কোষাগারে ২ হাজার কোটি টাকা জমা দিয়েছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে লভ্যাংশ হিসাবে দেওয়া হয়েছিল মোট ১ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা।এবং ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা। সূত্র জানায়, চলতি ২০১৭-১৮ অর্থবছরে যে সকল সংস্থা উল্লেখযোগ্য হারে লভ্যাংশ প্রদান করবে বলে আশা করা যায় সেগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (৭৫০ কোটি টাকা), তৈল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশন (৯০০ কোটি টাকা), চট্টগ্রামবন্দর কর্তৃপক্ষ (১১০ কোটি টাকা), বেসামরিক বিমান পরিবহন কর্তৃপক্ষ (১২০ কোটি টাকা), বাংলাদেশ ইস্পাত প্রকৌশল কর্পোরেশন (১০ কোটি টাকা)। অনুদান ও ভর্তুকি: সরকার ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১১টি রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে অনুদান ও ভর্তুকি হিসেবে ১ হাজার ৭০৬ কোটি ৫৯ লাখ টাকা দিয়েছিল। যা ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ১৮৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। অর্থমন্ত্রণালয়ের হিসাব মতে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ১ হাজার ৮৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা ভর্তুকি প্রদান করা হয়, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরে ছিল ৮৯১ কোটি ৫৫ কোটি টাকা। এছাড়া, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষকে ৪১১ কোটি ৬৫ লাখ টাকা টাকা, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনকে ৩৭৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা এবং বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশনকে ১৬৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে।

    জীবনের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যায় না

    17e11f967c1f9918f220aed94329142f 5aeaab0f0f63a - জীবনের অধিকার এভাবে কেড়ে নেওয়া যায় না

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন দেশের ১০ বিশিষ্ট নাগরিক। তাঁরা বলেন, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থায় এমন মৃত্যু কখনোই গ্রহণযোগ্য নয়। আজ শনিবার সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ

    আসছে বিশাল নির্বাচনী বাজেট

    cf15487a6b67f6151b7ed96c9353c318 5b13773fabc26 - আসছে বিশাল নির্বাচনী বাজেট

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    • ৭ জুন বাজেট দেবেন অর্থমন্ত্রী
    • বাজেটের ছয় মাস পর জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা
    • অর্থমন্ত্রীর নজরে থাকবে প্রথম ছয় মাস
    • করের চাপ দিয়ে ভোটার রুষ্ট করতে চান না অর্থমন্ত্রী

    আগামী অর্থবছরে করদাতাদের ওপর চাপাচাপি করা হবে না। বসানো হবে না নতুন করও। বরং ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হতে পারে। আবার ব্যবসায়ীদের খুশি করতে কমানো হতে পারে করপোরেট করের হার।

    নির্বাচনের