• Category Archives: দূরপরবাস

    ফরমায়েশি  রায়ের বিরুদ্ধে সৌদিঅারব পূর্বাঞ্চল বিএনপি’র প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত।

    FB IMG 1539250649827 - ফরমায়েশি  রায়ের বিরুদ্ধে সৌদিঅারব পূর্বাঞ্চল বিএনপি’র প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত।

    রিয়াদ থেকে……

    গতকাল ১০ই অক্টোবর বুধবার রাতে রিয়াদের হারাস্থ মমতাজ হোটেলে ২১ গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সহ নেতাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার রায় প্রত্যাহার ও নিন্দা জানিয়ে সৌদি অারব পূর্বাঞ্চল


    ইঞ্জিনিয়ার শ্যামলের মুক্তির দাবীতে প্রবাসী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি সৌদিআরব (রিয়াদ শাখার) প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত।ভিডিও সহ…..

    received 259794328009405 - ইঞ্জিনিয়ার শ্যামলের মুক্তির দাবীতে প্রবাসী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি সৌদিআরব (রিয়াদ শাখার) প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত।ভিডিও সহ.....

    রিয়াদ প্রতিনিধিঃ 

    গতকাল রিয়াদস্থ মমতাজ হোটেলে বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক,জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর ৩ আসনের প্রিয় অভিবাবক জনাব ইঞ্জিনিয়ার খালেদ


    অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনে মুজিবনগর দিবস উদযাপন

    pic of canada 1 - অটোয়ায় বাংলাদেশ হাই কমিশনে মুজিবনগর দিবস উদযাপন

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে মুজিবনগর দিবস উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার মিজানুর রহমান।

    অটোয়ায় বসবাসরত মুক্তিযোদ্ধাসহ প্রবাসী বাংলাদেশি এবং হাই কমিশনের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীবৃন্দ এ সভায় উপস্থিত ছিলেন। এসময় ঢাকা থেকে প্রেরিত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় কমিটির সভাপতির বাণী পাঠ করে শোনান যথাক্রমে বাংলাদেশ হাইকমিশনের মিনিস্টার নাইম উদ্দিন আহমেদ, কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন, কাউন্সিলর ফারহানা আহমেদ চৌধুরী এবং প্রথম সচিব মো. শাকিল মাহমুদ।

    অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সংক্রান্ত একটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়। এরপর মুজিবনগর দিবসের উপর একটি মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    আলোচনায় আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দের মধ্য থেকে অংশ নেন মুক্তিযোদ্ধা নুরল হক, কবির চৌধুরী, মমতা দত্ত এবং হাই কমিশনের কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন।

    বক্তারা মুজিবনগর দিবসের তাৎপর্য এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে এর অবদানের কথা তুলে ধরেন। তারা সকলকে দেশপ্রেম এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়ার মাধ্যমে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব অপর্ণা পাল।


    খালেদা জিয়াই মাদার অব ডেমোক্রেসির বাস্তব উদাহরণ – রাকেশ রহমান (লেখক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এনডিপি ২০ দলীয় জোট)

    received 880557705439520 - খালেদা জিয়াই মাদার অব ডেমোক্রেসির বাস্তব উদাহরণ - রাকেশ রহমান (লেখক ও প্রেসিডিয়াম সদস্য এনডিপি ২০ দলীয় জোট)

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    ইতালি প্রতিনিধিঃ

    ইটালী বিএনপি রবিবার ২২শে অক্টোবর ইটালীর রোম শহরের প্রান কেন্দ্র পিয়াচ্ছা ভিত্তোরীও,ফ্লাইভার্স অফ ইন্ডিয়া রেস্টুরেন্টে মত বিনিময় সভার অনুষ্ঠান করেন।
    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ইটালী


    ইতালীতে খালেদা জিয়ার ১০ কারামুক্তি দিবসে অালোচনা।

    received 1453233548088842 - ইতালীতে খালেদা জিয়ার ১০ কারামুক্তি দিবসে অালোচনা।

    ইসমাইল হোসেন স্বপন. ইতালি থেকে:

    বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপার্সন বেগম খা‌লেদা জিয়ার ১০ কারামু‌ক্তি দিবস উপল‌ক্ষ্যে বাংলা‌দেশ জাতীয়তাবাদী সেচ্চা‌সেবক দল, ইতালী অা‌লোচনা সভার অা‌য়োজন ক‌রে।

    সংগঠ‌নের সভাপ‌তি


    দুদকের হটলাইন বাস্তবায়নে সরকারি দলই বিরোধী পক্ষ – রাকেশ রহমান।

    received 1139490959519061 - দুদকের হটলাইন বাস্তবায়নে সরকারি দলই বিরোধী পক্ষ  - রাকেশ রহমান।

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    ঢাকার প্রিন্ট ও অনলাইন মিডিয়ার সা¤প্রতিক খবর, ‘হটলাইনে কড়া নেড়েছে লাখের বেশি অভিযোগ’। দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য জানাতে গত ২৭ জুলাই এ হটলাইন চালু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মাত্র ১০ কর্মদিবসে ১০৬ হটলাইনে


    কে সরে দাড়াবেন? হাসিনা না-কি সিনহা ? এম মাহাবুবুর রহমান

    received 1137958569672300 - কে সরে দাড়াবেন? হাসিনা না-কি সিনহা ? এম মাহাবুবুর রহমান

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    তিনটি বর্ণের দু‘জন মানুষের ক্ষমতার মধ্যে আটকে গেছে বাংলাদেশ। ‘হ’, ‘স’ আর ‘ন’। এদের একজন হা-সি-না, প্রধানমন্ত্রীর (অবৈধ) দায়িত্বে। আরেকজন সি-ন-হা, প্রধান বিচারপতির দায়িত্বে (অবৈধ সরকারের রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত)।


    বাংলাদেশে নিম গাছ,আর সৌদিআরবে জিয়া গাছ নামে পরিচিত।

    neem tre saudi bdnews24uk - বাংলাদেশে নিম গাছ,আর সৌদিআরবে জিয়া গাছ নামে পরিচিত।

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অনন্য কীর্তি 

    ১৯৭৭ সালে বাদশাহ ফাহাদের আমন্ত্রণে সৌদি আরব যান জিয়াউর রহমান এবং উপহার হিসেবে সাথে নিয়ে যান বেশ কিছু নিম গাছের চারা। বাদশাহকে উপহার দেয়ার সময় বলেন- “গরিব মানুষের পক্ষ থেকে আপনার জন্য এই সামান্য উপহার।” বাদশাহ ফাহাদ বহু দেশ থেকে বহু মূল্যবান উপহার তৎকালীন সময় থেকে এখন পর্যন্ত পেয়ে আসছেন, কিন্তু এমন মূল্যবান উপহার তিনি আগে পাননি। আবেগে আপ্লুত বাদশাহ জড়িয়ে ধরেন রাষ্ট্রপতি জিয়াকে। তিনি বলেন, আজ থেকে সৌদি আরব ও বাংলাদেশ পরস্পর অকৃতিম বন্ধু। তিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য অর্থ সাহায্য দিতে চান। কিন্তু এসময় জিয়াউর রহমান বলেন, আমাদের দেশের মানুষ গরিব, কিন্তু তারা পরিশ্রম করতে জানে। আপনার দেশের উন্নয়ন কাজের জন্য হাজার হাজার শ্রমিক দরকার। একটি নব্য স্বাধীন মুসলিম দেশের জন্য যদি আন্তরিকভাবে সাহায্য করতে চান, তবে আমার দেশের বেকার মানুষদের কাজ দিন। বাদশাহ ফাহাদ রাজি হলেন। উন্মোচিত হলো এক নতুন দিগন্ত। তখন থেকে বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ মানুষ সৌদি আরব গিয়ে নিজেদের ভাগ্য বদল সহ স্বাবলম্বী হয়ে ফিরেছেন বাংলাদেশে।

    রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দেয়া সেই নিমের চারা গুলো আজ মহীরূহ ছড়িয়ে পড়েছে সাড়া সৌদি জুড়ে! মরুভূমিতে যেন টিকে গেছে বাংলাদেশের স্মৃতি উঁচু করে। আরাফাতের ময়দানে সবুজ শীতল ছায়া দিয়ে চলেছে অসংখ্য নিম গাছ। সৌদি আরবে ১৯৭৭ সাল থেকে নামকরণ করা হয় ‘জিয়া ট্রি’ বাংলায় বলা হয় ‘জিয়া গাছ’ নামে। আরবিতে কেউ কেউ বলেন- ‘জিয়া সাজারাহ’।

    সৌদি সরকার দেখল খেজুরগাছ নয়, নিম গাছেই মরুভূমিতে শীতল ছায়া ছড়ানোর উপযোগী। এ গাছ কম পানিতে দীর্ঘ দিন টিকে থাকতে পারে, গাছের পাতায় প্রচুর পানি ধরে রাখে। বৃষ্টির জন্যও নিম গাছ যথেষ্ট সহায়ক। দেখা গেছে, যে এলাকায় নিম গাছ আছে সেখানে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হচ্ছে এবং মানুষের অসুখ-বিসুখও কম হচ্ছে। তখন থেকে তাঁরা ব্যাপকভাবে নিমের চারা রোপণের কাজে হাত দেন।

    ১৯৮৩-৮৪ সালে সৌদি সরকার সর্বপ্রথম আরাফাত ময়দানে ব্যাপকভাবে নিমের চারা রোপণ করে। আরাফাত ময়দানে আজ তাই রয়েছে হাজার হাজার নিম গাছ। হাজীরা এই নিম গাছের শীতল ছায়ায় হজ পালন করেন। প্রচণ্ড গরমে নিম গাছের বাতাস তাদের প্রাণ জুড়িয়ে দেয়। আরাফাতের ময়দানের জাবালে রহমতে (রহমতের পাহাড়) উঠে চার দিকে তাকালে দেখা যায়, পাহাড় ঘেরা বিশাল এলাকাজুড়ে শুধু নিম গাছ আর নিম গাছ। এই পাহাড়ের ওপরে ছোট্ট উন্মুক্ত দোকান দিয়ে বসেছেন কুমিল্লার সোবহান। নিম গাছের কথা তুলতেই তিনি বলেন, ‘এগুলো বাংলাদেশের গাছ, জানেন!? আমাদের জিয়াউর রহমান এই গাছ সৌদি সরকারকে উপহার দিয়েছিলেন।’ গর্বে এ সময় সোবহানের চোখ যেন ছলছল যেমন করছিল ঠিক তেমনি ভাবে গর্বে সিনা টানটান হয়ে যাচ্ছিলো তাঁর।

     


    ২৩ লাখ ভারতীয় বাংলাদেশে কাজ করছে আর বাংলাদেশিরা কাজের খোজে অথৈ জলে ভাসছে।

    received 10211234847201857 - ২৩ লাখ ভারতীয় বাংলাদেশে কাজ করছে আর বাংলাদেশিরা কাজের খোজে অথৈ জলে ভাসছে।

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    প্রিভিলেজ কিড এর টাইম লাইন থেকে সংগৃহীত…. হায়রে বাংলাদেশ !!

    বাংলাদেশের মানুষ সাগরে ভাসছে, আর আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় বলছে, “এইটা দেখা তাদের মন্ত্রণালয়ের কাজ নয়। আমি হতভম্ব । এই মানবিক বিপর্যয় নিয়ে সারা বিশ্বে তোলপাড় চলছে। অথচ তার নাগরিকদের নিয়ে বিস্ময়কর রকমের নির্বিকার বাংলাদেশ সরকার। এটা অচিন্তনীয় ও অমানবিক। আমরা মানুষ নই,ঊনমানব । মানুষ হলে আমরা এত নির্বিকার থাকতে পারতাম না।

    অনেকদিন ধরেই টেকনাফ থেকে সমুদ্রপথে ছোট-ছোট নৌকায় গাদাগাদি করে মানুষ বোঝাই করে পশুর মতো মালয়েশিয়া যাওয়ার খবর পাচ্ছিলাম আমরা। পাসপোর্ট নাই, ভিসা নাই, অল্প খরচে যাওয়া যায় বলে দরিদ্র এই মানুষগুলোর অনেকেই লোভে পড়ে ঝূকিপূর্ণ এই পথে বিদেশে যাচ্ছিলেন। এই অনিশ্চিত যাত্রায় কেউ-কেউ হয়তো পৌঁছেও যান স্বপ্নের বন্দরে। কিন্তু বেশিরভাগেরই ঠাঁই হয় বন্দীশিবিরে। অনেকের ঠাঁই হয় হাঙ্গরের পেটে। অবস্থা বেগতিক দেখলে দালালচক্র, নৌকার চালকরা যাত্রীদের ফেলে পালিয়ে যায়। তাদের না থাকে জ্বালানি, না থাকে পানি, না থাকে খাবার। কিছুদিন আগে থাইল্যান্ডের গহীন জঙ্গলে এক গণকবর আবিষ্কৃত হয়। এই গণকবর খুঁড়তে খুঁড়তে বেরিয়ে আসে একবিংশ শতাব্দীর ভয়াবহ এক মানবিক বিপর্যয়ের খবর। গণকবরে যাদের হাড়গোড় পাওয়া গেছে তাদের বেশিরভাগই বাংলাদেশী।

    দেশের মাথাপিছু আয় নাকি বেড়ে এখন ১৩১৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে ! মাথাপিছু আয় যদি বেড়েই থাকে,তবে মানুষ কেন কাজের খোজে অবৈধ পথে বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে ? অনেক তো উন্নয়নের কথা বলা হচেছ,এত উন্নয়নের পরও বাংলাদেশের মানুষ কেন জীবনের মায়া তুচ্ছ করে এত ঝূঁকি নিয়ে, শিশু কোলে নিয়ে নৌকায় উঠে যাচেছ। বিষয়টি কী এটাই প্রমাণ করে না যে ,দেশে উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটেছে বলে যে কথাগুলো সরকার বলছে তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই !!

    আজ বিবিসি, সিএনএন সহ প্রায় সব বিশ্ব মিডিয়ার খবর হচ্ছে হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি আন্দামান সাগরে ভাসছে! প্রতিটা খবর পড়ি বা দেখি আর মানুষ হিসেবে আরও খাটো হয়ে যাই; লজ্জায়-ঘৃণায় আমার মাথা হেঁট হয়ে আসে। দুয়েকটা খবর দেখে আমার চোখ ফেটে কান্না আসছিল। গোটা বিশ্বের তথাকথিত সব সভ্য মানুষের চোখের সামনে ৮ হাজার নারী-পুরুষ-শিশু সাগরে ভাসছে, নিশ্চিত মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছে, এটা আসলে ভাবা যায় না, মানা যায় না। গত কয়েকদিন ধরে থাইল্যান্ড ,ইন্দোনেশিয়াও মালয়েশিয়ার কূলে ভিড়তে না পারা যেসব হতভাগ্য মানুষের ছবি দেখছি, সেগুলির সাথে ১৮৫০ দশকের আফ্রিকা এবং আমেরিকার দাসদের করুণ অবস্থারই শুধু তুলনা মেলে! হাজার হাজার নারী-পুরুষ-শিশু দিনের পর দিন, এমনকি মাসের পর মাস খেয়ে না খেয়ে সাগরে সাগরে ভাসছে। তৃষ্ণা মেটাতে এরা নিজেদের প্রস্রাবও পান করছে। ঢাকায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বা গণভবনের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে বা বাসায় বসে সেই মানুষগুলোর অবস্থা কল্পনা করাও সম্ভব নয়।

    ২৩ লাখ অবৈধ ভারতীয় বাংলাদেশ থেকে রোজগার করে ভারতে টাকা পাঠাচেছ আর লাখ লাখ বাংলাদেশী কিনা কাজ না পেয়ে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে দেশ ছেড়ে পালাচ্ছে। হায়রে বাংলাদেশ !!

    আসুন,আমরা মধ্যম আয়ের দেশ। আমরা বিনা শুল্ক ট্রানজিট দিই।আমরা মেয়র উৎসব করি। আমরা সীমান্ত জয়ের উৎসব করি। আমরা ব্যাংক ব্যালান্স চেক করি। আমরা অবৈধ ভারতীয়দের কাজ দিই। আর অবৈধ বাংলাদেশীরা সমুদ্রে ভাসুক,থাইল্যান্ড কিংবা মালয়েশিয়ার গভীর জঙ্গলে মারা যাক। জয় বাংলা!


    বুদ্ধিজীবিদের গুম খুনের সাথে সাথে দেশে বুদ্ধিশূন্য ধ্বংসের ভর্বিষত খুঁটি গাড়লো।  -রাকেশ রহমান। 

    received 1102575206543970 - বুদ্ধিজীবিদের গুম খুনের সাথে সাথে দেশে বুদ্ধিশূন্য ধ্বংসের ভর্বিষত খুঁটি গাড়লো।  -রাকেশ রহমান। 

    ইটালি থেকে…………

    বুদ্ধিজীবিদের গুম খুনের সাথে সাথেদেশে বুদ্ধিশূন্য ধ্বংসের ভর্বিষত খুঁটি গাড়লো। 
    -রাকেশ রহমান। 

    একটা জাতি তখনই ধ্বংসের দিকে ধাবিত হয় যখন ঐ জাতির জন্য কথা বলার বা কলম ধরার জন্য কেউ থাকে না। আমাদের অনেক ভালোবাসার একটি দেশ বাংলাদেশ আজ বাক স্বাধীনতা হারিয়ে কলম যোদ্ধা বুদ্ধিজীবিদের হয়রানি ও গুম খুনের মাধ্যমে মেধা শূন্য দেশে পরিনত হতে যাচ্ছি।

    ঠিক ১৯৭১ এর মতন করে থমথমা আতংকে আজ আমরা জীবন অতিবাহিত করছি।
    আমাদের বলার বা করার আজ কিছুই বোধহয় নেই ধীরেধীরে আমরা নির্বোধ হয়ে যাচ্ছি। পাকিস্তানিরা ঠিক যেভাবে বুদ্ধিজীবি নিধরণ করেছিলে সেই ভাবেই পাকিস্তানিদের সহযোগী ক্ষমতার লোভে একই ভাবে বুদ্ধি শূন্য মিশনে নেমেছে।

    গত দুদিন আগে সড়ক দুর্ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হাবিবুর রহমান হাবিবকে মারাত্মক আহত করা হয়েছে। আহত না হত্যার চেষ্টাই মূলত করা হয়েছিলো।

    ঈদ শেষে ঈশ্বরদী থেকে ঢাকা যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জ কাচিকাটা টোল প্লাজা অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক ও হাবিবুর রহমান হাবিবকে বহনকারী প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন মারাত্মক আহত হয়েছে। সংঘর্ষে প্রাইভেট কারটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করান। দুর্ঘটনায় হাবিবুর রহমান হাবিবের হাত ও পা ভেঙ্গে যায়। তার স্ত্রী, মেয়ে ও ড্রাইভার নিশান মারাত্মক আহত হয়েছে। আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করেছে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার।
    উপর আল্লাহ অশেষ রহমতে জীবনে বেঁচে গিয়েছেন হাবিব সাহেব।
    কিন্তু দুদিন না যেতে আরেক ঘটনা
    লেখক দার্শনিক ফরহাদ মজহারকে আজ সকাল ৫টার দিকে তার বাসা থেকে অপহরণ করা হয়েছে। প্রথমে উনার পরিচিত কোন ব্যক্তিকে দিয়ে ফোন করিয়ে উনার এপার্টমেন্ট থেকে নীচে নামানো হয় এবং তারপর উনাকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর তাকে দিয়ে তার স্ত্রীর কাছে ফোন করিয়ে ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপন দাবী করা হয়েছে।

    বিষয়টি তার স্ত্রী আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানালে ঐ মোবাইল ট্র্যাক করে সেটির অবস্থান প্রথমে মানিকগঞ্জ এবং পরে মাগুরায় পাওয়া গেছে। এর থেকে আশংকা করা হচ্ছে- তাকে সীমান্তের দিকে নেয়া হচ্ছে এবং হয়তো সীমান্ত পারি দিয়ে ভারতে নিয়ে যাওয়া হবে।

    আমাদের জানা মতে বাংলাদেশের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে যেসব প্রযুক্তি আছে, তা দিয়ে যে কোন মোবাইল ফোনকে তার সঠিক অবস্থানসহ সনাক্ত করা যায়।

    অবিলম্বে সেইসব প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফরহাদ মজহারকে অপহরণকারীদের নিকট থেকে উদ্ধার করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট অনুরোধ করছি।
    অবশেষে, দীর্ঘ নাটক শেষে হুমকি ধামকি দিয়ে তাকে ফিরিয়ে দিলো।

    একটা দল একটা দলের প্রধান কতখানি নির্লজ্জ না হলে একের পর এক ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে।
    ইতিহাস বলতে কিছু আছে সেই ইতিহাসে একটি দেশের কালো অধ্যায়ের সূচনাকারী ঘৃনীত চরিত্র হিসেবে আজীবন তাদের অর্থ্যাৎ বর্তমান শোষকদের নাম খোদাই হয়ে চলেছে ।
    আমরা বাংলাদেশিরা ভীতু কোন জাতি নই,আমরা বাংলাদেশিরা মৌলবাদী নই, আমরা একে অপরের সাথে আন্তরিকতার সাথে বসবাস করি। আমরা মুসলমান ও হিন্দুরা পাশাপাশি ঘরে থাকতে পারি কিন্তু কোন রকম ঝগড়া বিবাধ ছাড়াই। আমাদের দেশের খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে একে অপরের প্রতি কোন বিবেধ নেই।
    শুধু মাত্র গুটি কয়েক বামপন্থী লোকেরা দেশটা লুটে পুটে খাচ্ছে।
    গুটি কয়েক লোক যেকোন মূল্যে ক্ষমতায় থাকার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশকে দিয়ে দেশটা চালাচ্ছে। এই গুটি কয়েক লোকের আমাদের দেশের প্রতি কোন টান, ভালোবাসা নেই।
    প্রতিটি দেশে যার যার দেশের ভালোমন্দ চিন্তা করার জন্য অবশ্যই কিছু বুদ্ধিজীবি থাকবে বা থাকা অত্যাবশ্যক। সেই বুদ্ধিজীবিরা দেশ নিয়ে সরকারকে সাবধান করবে এবং পরামর্শ দিবে সেটাই স্বাভাবিক।
    আর এই সরকার মানুষের সমর্থন ছাড়া নিজেদের পায়ের নিচের মাটি শক্ত করতে সকল বুদ্ধিজীবিকে হয় গুম না খুন অথবা মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে আটক না হয় জোড়পূর্বক দেশ থেকে বিদেশে পাঠানো।
    সুপরিচিত কলম যোদ্ধা ডাঃতুহিন মালেক কে প্রবাসে যেতে বাধ্য করা ।আলোচিত সৎ আমারদেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে জেলে আটকে রাখা ।জনাব শফিক রেহমানকে আটকে রাখতেও বিচলিত হয়নী।
    এভাবে আমাদের দেশের সম্মানিত বুদ্ধিজীবিদের একের পর এক হয়রানী করে দেশ বুদ্ধিশূন্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছে ।
    দেশ আজ অর্থ শূন্য মেধা শূন্য বুদ্ধি শূন্য হয়ে ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।


    একজন প্রথম শ্রেনীর কবি ও বুদ্ধিজীবী সরকারকে বিপদে ফেলতে ছিঁচকে চোরের মত পালিয়ে যাচিছলেন,এ কেমন কথা?

    forhad 1 - একজন প্রথম শ্রেনীর কবি ও বুদ্ধিজীবী সরকারকে বিপদে ফেলতে ছিঁচকে চোরের মত পালিয়ে যাচিছলেন,এ কেমন কথা?

    প্রিভিলেজ কিড এর টাইমলাইন থেকে………

    ফরহাদ মজহার এখনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর হেফাজতে আছেন। আমরা তার কোন বক্তব্য ও শুনতে পাইনি। অথচ আমরা যে যার চাহিদামত খবর পরিবেশন করে যাচ্ছি ! মিডিয়ার লোকজনও সবাই আমাদের মতই । সত্য কেউ জানাবে না,বলবে ও না। যা বলবে,যা জানাবে,তা নিজের মত করে,নিজের চাহিদামত বলবে-জানাবে। প্রয়োজনে তাতে মেশানো হবে রঙ-রূপ-মাধুরী,নয়তো বিষ। দেশের একজন প্রথম শ্রেনীর কবি ও বুদ্ধিজীবী”, সরকারকে বিপদে ফেলতে ছিঁচকে চোরের মত পালিয়ে যাচিছলেন নামতে নামতে আমরা কোথায় নেমেছি ?! বন্দুকযুদ্ধ, ক্রসফায়ারের গল্পকারদের গুরু মানুষের মাংসখেকো এই জম্বীরা কেউ কেউ নাকি আবার বুদ্বিজীবি, সাহিত্যিক ! গত কয়েক দশক যাদের দিনরাত কেটেছে ফরহাদ মজহারকে নিয়ে আলোচনা করে, খিস্তিখেউড় করে। বছরের পর বছর ধরে যাদের দিনরাতের রাজনীতি বিষয়ক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিলেন এবং আছেন ফরহাদ মজহার, তারাই কিনা বলছেন মজহারের নতুন করে আলোচনায় আসার শখ হইছে !! আসলে যত চেষ্টাই করিনা কেন,শেষপর্যন্ত আমরা আমাদের লুকাতে পারিনা। নিজেদের আসল মাপটা নিজেদের অজান্তেই অন্যদের বুঝিয়ে দেই। একটা বড় ইস্যু সামনে আসলেই আমাদের রুচি,বোধ,প্রজ্ঞা, দূরদর্শীতার পারদটা কার কোন মাত্রার সেটা বোঝা যায়। আমাদের ভেতরকার বন্য,কদাকার রূপ ঝিলিক দিয়ে উঠে। ঠোঁটের ফাঁক গলে দেখা দেয় হিংস্র, ধারালো দাঁতের ঝিলিক।FB IMG 1499159310116 300x168 - একজন প্রথম শ্রেনীর কবি ও বুদ্ধিজীবী সরকারকে বিপদে ফেলতে ছিঁচকে চোরের মত পালিয়ে যাচিছলেন,এ কেমন কথা?

    কারো বিপদের কথা জেনে আপনি যদি তার লুঙ্গি নিয়ে টানাটানি করেন, হৃদয় হতে উৎসারিত পুলক ঠেকাতে না পারেন তাহলে নিশ্চিত জানবেন, সম্পূর্ণ মানুষ হতে এখনো আপনার অনেক বাকি। ফরহাদ মজহার নামের মানুষটির খোঁজ না পাওয়া পর্যন্ত সারাদিন তিনি বিপদে ছিলেন এটা ধরে নেওয়াটাই ছিল একজন মানবিক মানুষের লক্ষণ। এই বিশ শতকে ভিন্নমতের মানুষকে তুলে নিয়ে যান যারা; এবং এই খবরে পুলকিত হন যারা; তাদের অপরাধটা উনিশ শতকের মানে ১৯৭১ সালের মানবতাবিরোধী অপরাধের চাইতে কোন অংশেই কম নয়। একটা সমাজকে সভ্য হতে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হয়। কিন্তু অসভ্য হবার জন্য খুব বেশি সময় লাগে না। অসভ্য সমাজে বাস করার অসুবিধা কি জানেন? আপনার বিরুদ্ধ মতের ফরহাদ মজহার যেভাবে হারিয়ে গিয়েছিলেন , ওই একই পথে মুনীর চেীধরীর মত একদিন আপনিও চিরতরে হারিয়ে যেতে পারেন। অন্ধকার যেমন ফরহাদ মজহার ,মুনীর চৌধুরীকে চেনে না, আপনাকেও চেনে না।177683 1 picsay 1 300x223 - একজন প্রথম শ্রেনীর কবি ও বুদ্ধিজীবী সরকারকে বিপদে ফেলতে ছিঁচকে চোরের মত পালিয়ে যাচিছলেন,এ কেমন কথা?

    নিউইয়র্ক থেকে ফিরে আসার পর থেকে গত সাড়ে চার দশক ধরে যে লোকটা সুন্দর একটা দেশের জন্য ক্রমাগত প্যাঁচাল পারছে, কলাম লিখছে, আহমেদ ছফার সাথে মিলে লেখক সমাবেশ করেছে । নয়া কৃষি নামের আন্দোলন করছে। লালন নিয়া গবেষণা করছে। রিং রোডের বাসায় প্রতি সপ্তাহে বারে হেগেল নামের জার্মান দার্শনিক নিয়া বয়ান করছে। উন্নয়নের সরকারের বিরুদ্ধচারন করেছে সেই লোকটা হঠাত গুম হয়ে গেলে সমালোচনা তো আমরা সরকারেরই করবো ,তাই না? দেশের একজন বিশিষ্ট নাগরিকের অপহরণের কথা শুনে সরকারের প্রতি অঙ্গুলি নির্দেশ করবো না? এ যাবত বাংলাদেশের সকল গুম,খুন ও অপহরণ তো সরকারি তরফেই হয়েছে। শাদা পোশাকের পুলিশ, রাজনৈতিক এজেন্ট, আর রাজনৈতিক সন্ত্রাসীদের হাতে। এই ধ্রুব সত্য সবাই বিশ্বাস করে, যারা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করে না। ফরহাদ মজহার আপনার বিরুদ্ধ মতবাদের বলে আজ আপনি তার এই পরিস্থিতিকে সমর্থন করছেন, কিংবা ছলে, বলে, কলে, কৌশলে নানানভাবে লেজিটিমাইট করার চেষ্টা করছেন। স্রেফ বিরুদ্ধ মতবাদের জন্য। মনে রাখবেন, এই অনুশীলন, ভাবনার এই স্ট্রিম একদিন আপনাকেও স্রেফ আপনার মতবাদের জন্য যে কোন ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়াটাকেও লেজিটিমাইট করছে। আজ আপনি যে কারণে উচ্ছ্বসিত হচ্ছেন, ভবিষ্যতে হয়তো আপনার বিরুদ্ধ মতবাদের কেউ ঠিক এই একই কারণে উচ্ছ্বসিত হবেন। শুধুমাত্র বিরুদ্ধ মতবাদের জন্য আপনি একজনের এমন পরিস্থিতিকে সমর্থন করতে পারেন না। বুদ্ধিবৃত্তিক জগতের জন্য নিঃসন্দেহে এটি একটি অশনী সঙ্কেত! খুলনা রেন্জের ডিআইজি দিদার আহমেদ বলছেন, ফরহাদ মজহারের সাথে একটা ব্যাগ পাওয়া গেছে, যেটাতে ফোনের চার্জার আর কিছু কাপড়চোপড় পাওয়া গেছে যা দেখে বুঝা যাচ্ছে তিনি নিজ ইচ্ছায় বাসা থেকে বের হয়েছিলেন। অন্যদিকে ফরহাদ মজহারের নিজ বাসার সিসি ক্যামেরা ফুটেজে দেখা গেছে ফরহাদ মাজহার যখন ভোরে বাসা থেকে বের হচ্ছেন তখন তার হাতে কিছুই ছিলনা! সিসিটিভিতে দেখা গেলো ভোরে তিনি খালি হাতে বাইরে গেলেন অথচ ধরা পড়লেন হাতে চার্জার ওয়ালা ব্যাগ নিয়ে। মাইক্রোবাসে করে চলে গেলেন অথচ হানিফ বাসে ফিরলেন। ফরহাদ মজহার কেন যশোহর গেলেন? পিছনের সিটে তারে পাওয়া যাওয়ার আগে কেন রাস্তায় কোথাও দেখা গেলনা,পাবলিক দেখতে পেলনা ? তিনি মাইক্রোবাসে করে গিয়ে বাসে কেন ফিরলেন ? সেই মাইক্রোবাসটি কার? কে চালিয়েছিল? কোথায় তা এখন? এতো শহর থাকতে কেন খুলনা গেলেন ? খুলনার নিউ মার্কেট এরিয়াতে তাঁর কি কাজ ছিল? খুলনা থেকে হানিফ পরিবহনে চড়ে বসলেন, নেক্সট তিনি কোথায় যাচ্ছিলেন, না কি ঢাকা ফিরছিলেন? সন্ধ্যা পর্যন্ত তার চোখ বাঁধা ছিল কেন? গ্রিল হাউসে কি ভাত-ডাল-সব্জি বিক্রি হয়? সিসিটিভি ফুটেজে একবস্ত্রে বের হওয়া ব্যক্তি কীভাবে ব্যাগসহ ‘উদ্ধার’ হন? ৩৫ লাখ টাকার মুক্তিপণের ফোন কেন করানো হয়েছিল? কার ফোন পেয়ে তিনি বের হন? তাঁকে অসুস্থ, বিভ্রান্ত ও নির্বাক দেখাচ্ছিল কেন? ভারতে মুসলিম নিধন নিয়ে প্রতিবাদের পরপরই কেন এটা ঘটলো? প্রশ্নগুলো কিন্তু কেউ করছেন না ! বায়োস্কোপ দেখতে হয় বাস্তবতা থেকে মুখ ফিরিয়ে, বাক্সের ফোকরে মুখ লাগিয়ে। চারপাশের আলো দৃশ্য বাদে কেবল বায়োস্কোপওয়ালার ইচ্ছামতো দেখানো ছবি দেখতে হয়, শুনতে হয় তারই ধারাভাষ্য। নাবালকেরা দেখে আমোদ পায়।

    তিনি ভোরবেলা বের হলেন। পরিবার বলছে আটটা-ন’টার আগে বাসা থেকে বের হন না। অত:পর তিনি স্ত্রীকে জানালেন অপহরণের কথা, ৩৫ লাখ টাকা মুক্তিপণের কথা, তাকে মেরে ফেলা হতে পারে এমন আশঙ্কার কথাও ফোনে জানালেন। পুলিশ বলছে এরকম কোনো কল তাঁরা রিসিভ করেনি। তাহলে ব্যাপারটা কি দাঁড়ালো, সাংবাদিকদের দেওয়া তথ্য ভুল না কি মজহার পত্নী মিথ্যে বলেছেন? ওদিকে সারাক্ষণ তাঁর মোবাইল অন থাকলো। চার্জও থাকলো। সেই অন করে রাখা মোবাইল ট্র্যাক করে গোয়েন্দারা তার গতিবিধি মনিটরিং করতে পারলো। কি দারুণ গল্প, না! এভাবে অপহরণের নাটক সাজিয়েছিলো সালাহ উদ্দিন, বাসের টিকেট কেটে সোজা ইন্ডিয়া গেল। ফিরতি টিকেট কাটার আগেই ধরা পরে গেলো । ইলিয়াস আলি সেই যে খালেদা জিয়ার কার্যালয়ে লুকালো আর বেরই হলোনা !!

    FB IMG 1499160505085 300x159 - একজন প্রথম শ্রেনীর কবি ও বুদ্ধিজীবী সরকারকে বিপদে ফেলতে ছিঁচকে চোরের মত পালিয়ে যাচিছলেন,এ কেমন কথা?ফরহাদ মজহারকে উদ্ধার করা হয়েছে, এ খুবই আনন্দের খবর । সরকারের সদিচ্ছা থাকলে সব সম্ভব।এবার এ পর্যন্ত যারা অপহরণ, গুমের শিকার হয়েছেন, তাঁদের সঠিক ‘খবরটি’ সরকার জানাক। সরকারকে বিপাকে ফেলার জন্য ফরহাদ মজহারের মত লোক স্বেচ্ছায় আত্মগোপন করেছিলেন সরকারী তরফে এই গল্প আমরা বিশ্বাস করিনা। আপনাদের যাদের বিশ্বাস করার তারা করেন। অমানুষগুলোকে আমাদের অনেক আগেই চেনা হয়ে গেছে। তাই যারা ফরহাদ মজহারের অপহরণ নিয়ে নানা গল্প ফাঁদার চেষ্টা করছেন তাদের সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট করার চাইতে আসেন বৃহত্তর লড়াইয়ের প্রস্তুতি নেই । বিভ্রান্ত না হয়ে অহেতুক বাকোয়াজি না করে ফরহাজ মজহারের মুখে আসল ঘটনাটি জানার অপেক্ষায় থাকি । এমন জটিল পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল মানুষের মত দায়িত্বশীল আচরন করি ।

    বি:দ্র: যারা নিজেরা লুঙ্গি পরেন না, যাদের বাবারা লুঙ্গি পরেন না , যাদের ভাইয়েরা লুঙ্গি পরেন না ,যারা সুইসব্যাংকের ভল্টে টাকা জমানো সাহেব ফ্রেন্ড লিস্ট থেকে বাদ দেওয়ার আগেই তারা দয়া করে আনফ্রেন্ড হয়ে যান। অনেক লুঙ্গি পরা মানুষ অপেক্ষমান আছেন। বন্ধু হিসাবে আমার দরকার লুঙ্গি পরা কিছু মানুষ। ধন্যবাদ।