• Category Archives: দূরপরবাস

    কোন শোক নয় ভ্রমন এবং খেলা দেখার উম্মাদনায় বাংলাদেশ। প্রিভিলেজ কিডের টাইমলাইন থেকে।

    FB IMG 1497499967563 - কোন শোক নয় ভ্রমন এবং খেলা দেখার উম্মাদনায় বাংলাদেশ। প্রিভিলেজ কিডের টাইমলাইন থেকে।

    কোন শোক নয় ভ্রমন এবং খেলা দেখার উম্মাদনায় বাংলাদেশ। প্রিভিলেজ কিডের টাইমলাইন থেকে।

    বাংলাদেশে দলের সর্বশেষ খবর জানতে আপনারা যারা মেসেজ দিয়েছেন, তাদেরকে হতাশ করার জন্য দু:খিত। না বন্ধুরা আজকে কোন ক্রিকেট নয় ,ক্রিকেটাররাও আজকে ক্রিকেট নিয়ে খুব একটা ভাবছেন না। আজ পাহাড়ি ধসে বাংলাদেশে প্রায় ১৪৫ জন মানুষ মারা গেছেন। রাষ্ট্রীয় কোন শোক বার্তা নেই, প্রধানমন্ত্রীর কোন শোক বার্তা নেই।

    মসজিদে মৃতদের ব্যাপারে বিশেষ কোন দোয়া খায়েরের ব্যবস্থা নেই। বরং মানুষ মেতে আছে ক্রিকেট নিয়ে। ক্রিকেটের চাইতে জীবন অনেক বড়। আমাদের ক্রিকেটাররা তাদের ফেইসবুক পোস্টে সে কথা জানিয়েছেন , শোক প্রকাশ করেছেন। কালকে তারা কালো ব্যাজ পড়ে মাঠে নামার কথা বলেছেন।

    কোন এক আদিবাসী বলেছিলেন, “পৃথিবীর শেষ গাছটি যখন কাটা হবে, পৃথিবীর শেষ নদীর জল যখন বিষাক্ত হবে, পৃথিবীর শেষ মাছটি যখন ধরা হবে, তখন আমরা বুঝতে পারবো টাকা খেয়ে বাঁচা যায় না।” দেশে খাল বিল নদী নালা পাহাড় পর্বত রাস্তা ঘাট বন বাদাড় দখল ও ধ্বংসের মহোৎসব চলছে। প্রকৃতির উপর জোর জবরদস্তি করলে এই পরিণতি আমাদের সবাইকেই বরণ করে নিতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষ প্রাণ-প্রকৃতি ও পরিবেশের সাথে বন্ধুর মতো আচরণ করে। নিজের জীবনের চাইতেও তাদের কাছে একটি গাছের মূল্য, বনের গুরুত্ব বেশি থাকে। আর আমরা পাহাড় কেটে বাংলো বানাই, নদী-নালা ভরাট করে দালান বানাই, গাছ কেটে রাস্তা বানাই, বন ধ্বংস করে বিদ্যুত কেন্দ্র বানাই। হায়রে আত্নঘাতী জাতি !!

    যাহোক, উন্নত বিশ্বের অন্য কোন দেশে পাহাড় ধ্বসে ১৪৫ মানুষ মারা গেলে হয়তো জাতীয় শোক দিবস পালন করা হতো। সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী রাস্ট্রীয় সফরে থাকলে সেই সফর সংক্ষিপ্ত করা হতো। কিন্তু এটা যেহেতেু বাংলাদেশ , এখানে যেহেতু ক্ষমতায় থাকার জন্য মানুষের ভোট লাগেনা, টাকা পাচার আর লুটপাটের জন্য শাসনের বৈধতা লাগে না বরং ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে, শোষন-নির্যাতন চালাতে এবং জনগণকে দমনে রাখতে বড় প্রশাসনের বেতন ভাতা/ ব্যয় বাড়ালেই হয় সেহেতু এখানে নিম্নচাপে সাগরে ৮০ জন জেলে নিখোঁজ হলে , রানা প্লাজা ধ্বসে ১২০০ মানুষ মারা গেলে, লঞ্চ ডুবে ৪০০ মানুষ মারা গেলে কিংবা পাহাড় ধ্বসে এমন ১৪৫ মানুষ মারা গেলে কার কিইবা আসে যায়! ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে তারা আর কয়জন! তাই এই দেশের প্রধানমন্ত্রী পাহাড় ধ্বসে ১৪৫ মানুষের মৃত্যু সংবাদ শোনার পরেও তার সুইডেন সফর শেষে আজ যুক্তরাজ্যে এসেছেন । দলীয় হোমরা-চোমরাদের ইফতার পার্টিতে নিমন্ত্রন করেছেন। কালকে মাঠে বসে খেলা দেখার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেছেন। আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে !FB IMG 1497499575905 169x300 - কোন শোক নয় ভ্রমন এবং খেলা দেখার উম্মাদনায় বাংলাদেশ। প্রিভিলেজ কিডের টাইমলাইন থেকে।

    চেতনার তাপ্পিধারী ,পীরে বোগদাদী অবৈধ প্রধানমন্ত্রী এবং যারা খেলা নিয়ে বেশি মাতামাতি করছেন তাদেরকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজার কথাগুলোই আবার মনে করিয়ে দিই । মাশরাফি বলেছেন —“ কিছু হলেই আমরা বলি, এই ১১ জন ১৬ কোটি মানুষের প্রতিনিধি। আন্দাজে ! তিন কোটি লোকও হয়তো খেলা দেখেন না। দেখলেও তাঁদের জীবন-মরণ খেলায় না। মানুষের প্রতিনিধিত্ব করেন রাজনীতিবিদেরা, তাঁদের স্বপ্ন ভবিষ্যৎ অন্য জায়গায়। এই ১১ জন মানুষের ওপর দেশের মানুষের ক্ষুধা, বেঁচে থাকা নির্ভর করে না। ক্রিকেটারদের দিকে নয়, দেশের মানুষকে তাকিয়ে থাকতে হবে একজন বিজ্ঞানী, একজন শিক্ষাবিদের দিকে। ক্রিকেটাররা নন, মুক্তিযোদ্ধারাই হচ্ছেন এ দেশের প্রকৃত বীর। চিকিৎসক, শ্রমিক, কৃষকেরা হচ্ছেন প্রকৃত তারকা। দেশের তুলনায় ক্রিকেট অতি ক্ষুদ্র একটা ব্যাপার। খেলা কখনো একটা দেশের প্রধান আলোচনায় পরিণত হতে পারে না। দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার আছে যার সমাধান বাকি। সেখানে ক্রিকেট নিয়ে পুরো জাতি, রাষ্ট্র এভাবে এনগেজ হতে পারে না। এই যারা ক্রিকেটে দেশপ্রেম দেশপ্রেম বলে চিৎকার করে, এরা সবাই যদি একদিন রাস্তায় কলার খোসা ফেলা বন্ধ করত, একটা দিন রাস্তায় থুতু না ফেলত বা একটা দিন ট্রাফিক আইন মানত, দেশ বদলে যেত। এই প্রবল এনার্জি ক্রিকেটের পেছনে ব্যয় না করে নিজের কাজটা যদি সততার সঙ্গে একটা দিনও সবাই মানে, সেটাই হয় দেশপ্রেম দেখানো। আমি তো এই মানুষদের দেশপ্রেমের সংজ্ঞাটাই বুঝি না! আজকে আমাদের সবচেয়ে বড় তারকা বানানো হচ্ছে, বীর বলা হচ্ছে, মিথ তৈরি হচ্ছে। এগুলো হলো বাস্তবতা থেকে পালানোর ব্যাপার। “aW1hZ2UtMzg3MDMuanBn 1 300x225 300x225 - কোন শোক নয় ভ্রমন এবং খেলা দেখার উম্মাদনায় বাংলাদেশ। প্রিভিলেজ কিডের টাইমলাইন থেকে।

    মাশরাফি ঠিকই বলেছেন- হ্যাঁ, আমাদের পালানোর জায়গা দরকার হয়। কারণ, আমাদের বাস্তবতাটা সুখকর নয়। এই যে চালের দাম আরো বাড়ছে, অভাবী লোকের না খাওয়ার দিন আবার শুরু হচ্ছে, পাহাড়ধসে ১৪৫ জনেরও বেশি মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে । আমাদের সকল আশা মৃত প্রায়। তবে এই হতাশাগ্রস্ত জাতিকে সুখী করার দায়িত্ব শুধু ক্রিকেটারদের একার নয়। এ দায়িত্ব প্রধানত যাঁরা সংসদে বসে সিদ্ধান্ত নেন, দেশ চালান, তাঁদের। খেলার জয় আমাদের একদিনের সুখ দেয়, কিন্তু সারা বছরের বাঁচা-মরা তো তাঁদের ওপরই নির্ভরশীল। দেশপ্রেমের প্রমাণ শুধু খেলোয়াড়েরাই রাখবেন, আর সবাই নিজেরা কিছু করবেন না, এমনটা অন্তত আমাদের ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন মাশরাফি মনে করেন না।

    পাহাড় ধসে শতাধিক মৃতদের স্মরণে জাতীয় শোক ঘোষণা করা হোক। পাহাড়ের পরিবেশ ও বৈচিত্র্য ধংস করে, নির্বিচারে পাহাড় কেটে, পাহাড়ের বৃক্ষরাজি নষ্ট করে পাহাড় গুলোকে যারা মৃত্যু ফাদ বানিয়েছে সেই দুর্বৃত্তদের বিচার হোক। ক্রিকেট বাস্তবতা ভোলানোর আফিম না হয়ে, দেশপ্রেমের টনিক হোক। পাহাড় ধ্বসে নিহতদের সকলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।


    ………. এবং মওদুদ আহমেদ। প্রিভিলেজ কিড

    1497236548 picsay - .......... এবং মওদুদ আহমেদ। প্রিভিলেজ কিড

    ………. এবং মওদুদ আহমেদ
    বার বার দল বদল করার কারণে আপনি অবশ্যই মওদুদ আহমেদের সমালোচনা করতে পারেন , আইনমন্ত্রী থাকাকালে উনার কিছু সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতে পারেন, একজন আইনজীবি হিসাবে তিনি কতটা ভালো –মন্দ বা প্রফেশনাল সেটার সমালোচনা করতে পারেন, এরশাদের মন্ত্রী এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট থাকার কারণেও উনার সমালোচনা করতে পারেন। কিন্তু বাড়ি ছাড়া হওয়ার পর খালেদ মোশারফ আর আলতাফ মাহমুদের মেয়েদ্বয় নৌকায় বসে তার বিরোদ্বে যে ভাষায় কথা বলছেন , প্রোপাগান্ডা করছেন , সেটাকে কিছুতেই আপনি সমর্থন করতে পারেন না।
    আদালতের (ভীষণ স্বাধীন!) রায় নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। বাংলাদেশের আইন আদালত কারা কিভাবে নিয়ন্ত্রন করছে এটা যেমন সবাই জানেন ; তেমনি মওদুদ আহমেদকে কেনো বাড়ি ছাড়তে হয়েছে এটাও সবাই জানেন । দল ভাঙ্গার ব্যাপারে চাপ ছিল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের উপর। কিন্তু তিনি সেই চাপের কাছে হার মানেননি ,নতি স্বীকার করেননি। তাই তাকে বাড়ি ছাড়তে হয়েছে। দল ভাঙ্গলে বা আওয়ামীলীগে থাকলে তাকে বাড়ি ছাড়তে হতোনা।
    আমি এখানে মওদুদ আহমেদকে ডিফেন্ড করছিনা। দখল আর উচ্ছেদের কাহিনী পড়লেই আপনাদের কাছে তা পরিষ্কার হবে। পূর্ব-পাকিস্তান ইসলামী ছাত্রশক্তির নেতা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নেতা মওদুদ আহমদ ১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী প্যানেলের সদস্য ছিলেন । শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে উকালতি করার কারনে ১৯৭২ সালে আওয়ামী সরকারের পোষ্টমাষ্টার জেনারেল পদ লাভ করেন। সরকারের খাস লোক বিধায় ১৯৭২ সালের তৎকালীন সরকারের আমলে গুলশানের বাড়ীটি অন্য অনেকের মত মুফতে বরাতে জোটে উনার। যে বাড়িটি থেকে তিনি সম্প্রতি উৎখাত হয়েছেন। বেচারা মওদুদ নৌকা থেকে নেমে না গেলে এ বয়সে বাড়ী থেকে তাকে উৎখাত হতে হতো না।১৯৭৭ সালে আওয়ামীলীগ থেকে প্রথমে বিএনপি, ১৯৮৫ সালে জাতীয় পার্টি হয়ে শেষে ১৯৯৬ সালে আবারো বিএনপিতে ফিরেছেন। এটাই তার জন্য কাল হয়েছে। কারন আওয়ামী এস্টাব্লিশ্ম্যান্টের ঈমানী বিশ্বাস যে, একমাত্র আওয়ামী লীগই অর্পিত-সম্পত্তি দখলের হক রাখে কারন, বাংলাদেশের হিন্দু-বিহারী-পাহাড়ী একমাত্র আওয়ামী লীগের গণিমতে মাল। এদের সম্পত্তি দখল করার হক অন্য কারো নেই। নৌকায় ভরসা থাকলে অর্পিত-সম্পত্তি দখল করলেও আদালতে মামলা হবে না। তবে ভরসা হারালে আদালতের রায়ে বাড়ী হারাবেন।
    ঘটনাচক্রে মনে পড়ে গেলো রমনা সিগারেটের মালিক হাজী বশির ও আলফা ইনস্যুরেন্সের মালিক ইউসুফ হারুনের কথা। ১৯৭১ সালে, যুদ্ধে ভারত-বাংলাদেশের পক্ষে সক্রিয় থাকলেও ভাসানী ন্যাপ সহ আজীবন বামপন্থীদের আর্থিক সাহায্য দেবার পাপে ১৯৭২ সালে হাজী বশিরের প্রেস ও স্থাবর সম্পত্তির ওপর আওয়ামী সরকারের নেক নজর পড়ে। বশিরের বেহাত সম্পত্তিতে গড়ে ওঠে “বাংলার বানী” পত্রিকা। পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা জাতির ভাগ্নে শেখ ফজলুল হক মণি চেতনাবলে “বিহারী” বশিরের সম্পত্তির ওয়ারিশ বনে যান। এদিকে ধানমন্ডীর ২৭ নম্বরের বাড়ী যায় আবুল খায়ের লিটুর হাতে, আর আলফা ইনস্যুরেন্সের মালিক হারুনের কর্মচারী শেখ মুজিবের দখলে যায় ধানমন্ডীর ৩২ নম্বরের বাড়ী ! অবশ্য জাতি ভাল করেই জানে যে, ভালবেসে এই বাড়ীগুলো আসলে উপহার দেয়া হয়েছে। দখলের কথাগুলো বাংলাদেশে ঘাপটি মেরে পরে থাকা স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী অপশক্তির প্রোপ্যাগান্ডা !!
    যাহোক, খালেদ মোশারফ আর আলতাফ মাহমুদের মেয়েদ্বয়ের বক্তব্য খন্ডন করে মওদুদ আহমেদ নিজেই বিবৃতি দিয়েছেন। এখন দেখা যাক তাদের বোধোদয় হয় কিনা। আমার কাছে তাদের বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে খালেদ মোশারফ আর আলতাফ মাহমুদের উত্তাধিকার না থাকলেই বোধহয় বেশি ভালো হত। জয় বাংলা !!


    বি,এন,পি নেতা আহমদ আলী মুকিব সাংগঠনিক সফরে কুয়েতে আছেন।

    timthumb 1 1 - বি,এন,পি নেতা আহমদ আলী মুকিব সাংগঠনিক সফরে কুয়েতে আছেন।

    পজিটিভ কুয়েত প্রতিনিধিঃ

    বি,এন,পি নেতা আহমদ আলী মুকিব সাংগঠনিক সফরে কুয়েতে আছেন।

    গতকাল বিকেলে সাংগঠনিক সফরে কুয়েত পৌছেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সৌদি আরব বিএনপির সভাপতি আহমদ আলী মুকিব।

    বিমান বন্দরে আহমদ আলী মুকিবকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কুয়েত বিএনপি ও অংগ সংগঠন সমুহের নেতৃবৃন্দ।

    অন্যদিকে হোটেলে পৌছলে কুয়েত বি,এন,পির সকল নেতৃবৃন্দ তাকে অভিনন্দন জানাতে হোটেলে ভীড় জমান।
    কুয়েত বিএনপি সূত্র জানা যায়, আহমদ আলী মুকিবকে কুয়েত বিএনপির পক্ষ থেকে গনস্বংবর্ধনা দেয়ার আয়োজন করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই প্রথম বারের মত আহমেদ আলী মুকিব কুয়েত বি,এন,পির খবরা-খবর নিতে এলেন। এতে কুয়েত বিএনপি নেতৃবৃন্দের মাঝে উচ্ছাস দেখা যাচ্ছে।


    বাহরাইনে কেন্দ্রীয় বি,এন,পি কর্তৃক আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত।

    received 1902131580063649 - বাহরাইনে কেন্দ্রীয় বি,এন,পি কর্তৃক আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত।

    পজিটিভ নিউজ বাহরাইনঃ

    মহান মে দিবস ও আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বাহরাইনে।
    বাহরাইন কেন্দ্রীয় বি এন পি’র তত্বাবধানে ও সকল অঙ্গ সহযোগি সংগঠন এবং সকল শাখা কমিটি’র সার্বিক সহযোগিতায় বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল কর্তৃক
    গত ( ৪ঠা মে) বৃহস্পতিবার, রাত ০৮ ঘটিকায় মানামা স্থানীয় ওরিয়েন্টাল প্যালেস হোটেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

    বাহরাইন কেন্দ্রীয় বি এন পি’র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন সোকার্নো ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ আহম্মেদের যৌথ সঞ্চালনায় –
    উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় শ্রমিক দলের সভাপতি ও নবিনগর উপজেলা প্রবাসী ফোরাম অনলাইন যুবদলের সভাপতি হাজী সামসুজ্জামান রাজু,

    উক্ত আলোচনা সভায় প্রধান ছিলেন বাহরাইন কেন্দ্রীয় বি এন পি’র প্রধান উপদেষ্ঠা,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম।

    গেষ্ট অব অনার হিসাবে উপস্থিত ছিলেনঃ বাহরাইন কেন্দ্রীয় বি এন পি’র সংগ্রামি সভাপতি ও বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ স্কুল ম্যানেজিং কমিটি’র সদস্য জনাব হামেদ কাজী হাসান,

    সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেনঃ
    বাহরাইন কেন্দ্রীয় বি এন পি’র উপদেষ্ঠা,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ স্কুল ম্যানেজিং কমিটি’র সদস্য মোঃ আইনুল হক, মোঃ নাছির উদ্দিন, মোঃ বাবুল কামাল, মোঃ শাহজাহান মিয়া,সিঃসহ সভাপতি খোরশেদ আলম মজুমদার, সহ সভাপতি মহি উদ্দিন আহম্মেদ,মোঃ আনোয়ার ফারুক,মোঃ নবি মিয়া,মোঃ ফায়সাল আহম্মেদ, মোঃ রফিকুল ইসলাম স্বপন এবং সাধারণ সম্পাদক সোহেল সিরাজী বাপ্পি,

    যুগ্ন সম্পাদক শেখ আব্দুর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোকবুল হোসেন মুকুল, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী মেম্বার, অর্থ সম্পাদক আব্দুল মালেক চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মীর দেলেয়ার হোসেন মাষ্টার, যুব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ কামাল উদ্দিন ।

    এছাড়া ও উক্ত অনুষ্ঠানে অঙ্গ সহযোগি সংগঠন ও আঞ্চলিক শাখা কমিটি’র নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনঃ জাতীয়তাবাদী যুবদলের সিঃ সহ সভাপতি আলা উদ্দিন আলো,সহ সভাপতি মনির হোসেন রাজু, রুবেল মজুমদার,সুজন মিয়াজী,মাহবুবুর রহমান সোহাগ, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ সফি উদ্দিন,যুগ্ন সম্পাদক সেলিম রেজা,

    জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সিঃ সহ সভাপতি মোঃ আল আমিন খাঁন,সাংগঠনিক সম্পাদক আমির খন্দকার,মোঃ মোশারফ হোসেন,

    জাতীয়তাবাদী সাইবার দল সভাপতি মোঃ আরিফ রানা, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম দল সভাপতি শেখ আমজাদ হোসেন বাচ্চু, সিঃ সহ সভাপতি মোঃ সুজন মোল্লা,

    বাহরাইনস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বি এন পি’র সভাপতি আইটি তাজুল ইসলাম,বাহরাইনস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদল সভাপতি আলা উদ্দিন আহম্মেদ,সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাচ্চু,সহ সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহম্মেদ নিলয়,মোঃ আতাউর রহমান,

    মানামা মহানগর বি এন পি’র সভাপতি মোঃ নূরুল হক,সিঃ সহ সভাপতি রফিকুল ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলি মোঃ বেলাল হোসেন,যুগ্ন সম্পাদক মোঃ মোয়াজ্জম,সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত খাঁন,অর্থ সম্পাদক রুহুল মোল্লা, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল কবির এবং ওয়াসিম খাঁন, দপ্তর সম্পাদক মোঃ আব্দুল হাই,
    উপস্থিত ছিলেন বাহরাইনস্থ নব গঠিত ড.খন্দকার মোশারফ হোসেন ফাউন্ডেশন এর সভাপতি আব্দুস ছাত্তার খোকন এবং বাহরাইনস্থ নবগঠিত জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মোঃ আল আমিন খোকা,মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।received 1902131570063650 300x169 - বাহরাইনে কেন্দ্রীয় বি,এন,পি কর্তৃক আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত।

    এছাড়া ও উক্ত আলোচনা সভায় বাহরাইন কেন্দ্রীয় বি এন পি এবং সকল অঙ্গ সহযোগি সংগঠন ও সকল আঞ্চলিক শাখা কমিটি’র বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

    বক্তাগন মহান মে দিবস উপলক্ষে বিশ্বের সকল শ্রমজীবি মেহনতি জনতার ন্যায্য অধিকার আদায়ে সকল কে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান এবং বিশ্বের শ্রমজীবি মেহনতি মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের লক্ষে ১৮৮৬ সালে আমেরিকার শিকাগো সিটিতে শ্রমিক জনতার সমাবেশে পুলিশের গুলিতে নিহত সকল শ্রমিকদের আত্মদান গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।received 1902131576730316 300x169 - বাহরাইনে কেন্দ্রীয় বি,এন,পি কর্তৃক আন্তর্জাতিক মে দিবস পালিত।
    উক্ত আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও পরিশেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন রিফা শাখা বি এন পি’র ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিনহাজ আহম্মেদ।

    —- প্রেস বিজ্ঞপ্তি।


    বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতঃ ঐক্যবব্ধ হওয়ার আহ্বান।

    IMG 20170428 155048 picsay - বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতঃ ঐক্যবব্ধ হওয়ার আহ্বান।

    পজিটিভ বাহরাইন প্রতিনিধিঃ

    বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতঃঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান। 

    গত ২৭-০৪-১৭ইং বৃহস্পতিবার রাত ৮ ঘটিকার সমর মানামা চাঁদপুর রেষ্টুরেন্টে বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলা যুবদলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময় সভাটি সংগঠনের সুযোগ্য সভাপতি জনাব আলাউদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের বিপ্লবী সাধারন সম্পাদক জনাব মাসুদ আহমেদ এর সঞ্চালনায় সভা শুরু হয়।

    IMG 20170428 155059 picsay 300x225 - বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতঃ ঐক্যবব্ধ হওয়ার আহ্বান।সভার শুরুতেই টেলি কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন জেলা যুবদলের কান্ডারী এবং আহ্বায়ক কারা নির্যাতিত নেতা জনাব হাজী মনির হোসেন। তিনি বলেন দলের এই ক্রান্তিলগ্নে প্রবাসের যুবনেতারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে মতবিনিময় সভা করায় আমি জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি। জনাব মনির আরো বলেন দেশ আজ সংকটময় অবস্থায় আছেন,তাই তিনি অনতিবিলম্বে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি জোর দাবী জানান। টেলি কনফারেন্সে আরো বক্তব্য রাখেন নবীনগর এর কৃতি সন্তান সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্র ও স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জনাব সায়েদুল হক সাঈদ।
    অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি হিসেবে জনাব হাজী সামসুজ্জামান রাজু। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জনাব এস এ সাচ্চু ভুইয়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোঃ রেজা-ই- রাব্বি। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাচ্চু আহমেদ। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন সহ – সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ আমির খন্দকার,মোঃ আতাউর রহমান, মোঃ আনোয়ার মোল্লা, কাজী সালাউদ্দিন, মোঃ আব্দুল হাই,মোঃ হান্নান মিয়া,মোঃ জালাল, রফিকুল ইসলাম মিয়া,মোঃ ওয়াদুদ, যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সজল, এম আল আমিন খোকা,মোঃ ফয়সাল আহমেদ,মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন,মোঃ জাহাঙ্গীর, মোঃ আমজাদ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সেলিম রেজা, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ মনির হোসেন,ছাইফুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মোঃ মরিফুল ইসলাম নাঈম প্রমুখ।

    আলোচনা সভায় সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড নিয়ে এবং দল কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়ে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন সকল নেতৃবৃন্দ।IMG 20170428 155141 picsay 1 300x225 - বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতঃ ঐক্যবব্ধ হওয়ার আহ্বান।
    সভা শেষে সভাপতি জনাব আলাউদ্দিন বলেন দেশের ক্রান্তিলগ্নে একমাত্র যুবকরাই পারে দেশকে শত্রুর হাত থেকে বাঁচাতে। তাই দেশ এবং প্রবাসের যুব নেতাদের প্রতি অনুরোধ আসুন আমরা ঐক্য গড়ে তুলে বর্তমান অবৈধ সরকারকে রাজপথের আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের পতন তরান্বিত করি।
    সব শেষে দেশ ও দেশের মানুষের মঙ্গল কামনায় দোয়া করা হয়।।


    আহম্মেদ আলী মুকিবের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সোকার্নো এবং মূকুল।

    PhotoGrid 1493297094021 picsay - আহম্মেদ আলী মুকিবের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন সোকার্নো এবং মূকুল।

    পজিটিভ বাহরাইন প্রতিনিধিঃ

    বাহরাইন বি এন পি’তে সৌদি প্রবাসী নেতা আহম্মেদ আলী মুকিবের অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন বাহরাইন কেন্দ্রীয় বি এন পি’র যুগ্ন সম্পাদক শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন সোকার্নো


    আজ বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা। সকল নেতৃবৃন্দককে উপস্থিত থাকার আহ্বান।

    IMG 20170427 030304 picsay - আজ বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা। সকল নেতৃবৃন্দককে উপস্থিত থাকার আহ্বান।

    জিটিভ অনলাইন বাহরাইন প্রতিনিধি…

    আজ বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলা যুবদলের মতবিনিময় সভা। সকল নেতৃবৃন্দককে উপস্থিত থাকার আহ্বান।

    আজ রাত ৮ ঘটিকার সমর মানামা চাঁদপুর রেষ্টুরেন্টে বাহরাইনস্থ্য ব্রাহ্মনবাড়ীয়া জেলা যুবদলের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত মতবিনিময় সভায় জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ এবং ০৯ থানার সকল সংগ্রামী নেতৃবৃন্দ কে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের সুযোগ্য বিপ্লবী সভাপতি জনাব আলাউদ্দিন আহমেদ এবং সাধারন সম্পাদক জনাব মাসুদ আহমেদ।
    মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে তাই আপনার উপস্থিতি একান্ত জরুরী। আশা করি আপনারা উপস্থিত থেকে মতবিনিময় সভাকে সফল করতে সচেষ্ট হবেন।


    লেবানন প্রবাসী “খোকনের আর্তনাদ যে আমাকে দেশে পৌছে দেবে আল্লাহ্ তার অনেক মংগল করবেন।

    received 1501487659901345 - লেবানন প্রবাসী "খোকনের আর্তনাদ যে আমাকে দেশে পৌছে দেবে আল্লাহ্ তার অনেক মংগল করবেন।

    পজিটিভ প্রতিনিধি ওয়াসীম আকরাম,লেবানন থেকেঃ

    লেবানন প্রবাসী খোকনের আর্তনাদ ” যে আমাকে দেশে যাওয়ার সুযোগ করে দিবে আল্লাহ একাল ও পরকাল ভাল করবে।

    প্রবাসীরা পরিবার -পরিজন, আত্মীয় -স্বজন, মা- বাবা,ভাই-বোন,ছেলে-মেয়ে, কারো স্ত্রী বা কেহ নিজেদের স্বামী রেখে পরিবারের সুখ এবং দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি আশায় আসে প্রবাসে।প্রবাস কারো জীবনে আসে সুফল আর কারো হয় সর্বনাশ।প্রবাসে আসার পর অনেক বাংলাদেশী হচ্ছে প্রতারিত।

    ভূমধ্যসাগর তীর দেশ লেবানন। এ দেশের প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য্য ও ভাল পরিবেশ একটি দেশ।এদেশের জনগণ ৩টি ভাষায় কথা বলে।আরবি, ইংরেজি ও ফ্রান্স। ব্যবহার খুব মিষ্টিমধুর। কিন্ত কর্মের বেলায় দশ বছর ভাল কাজ করে যদি কোন প্রকার একটা ভুলত্রুটি হয়ে থাকে তাহলে গুড়ো বালি। তারা অতীতকে স্মরণ রাখেনা?received 1501480469902064 240x300 - লেবানন প্রবাসী "খোকনের আর্তনাদ যে আমাকে দেশে পৌছে দেবে আল্লাহ্ তার অনেক মংগল করবেন।

    মুকবুল আহমেদ খোকন ২০১৩ সালে মনে বড় আশা নিয়ে আসা লেবানন।কোন একবন্ধুর সহযোগিতায় USM একটা কোম্পানির নামে কন্ট্রাক ভিসায় আসা হয় লেবানন। তার সাথে যেমনটা কথাছিল কাজেকর্মে, বেতনসহ যাবতীয় কিন্ত কোনটার সাথে মিলছিলনা তাই কোম্পানির কাজ ছেড়ে বাহিরে চলে যায়।বাহিরে আসা মানেই অবৈধ হয়ে পড়া। সে সময় থেকে খোকন কাগজপত্রহীন খেয়ে না খেয়ে দীর্ঘদিন যাবত লেবানন।সে অবৈধ থেকে বৈধ হওয়ার জন্য অনেকবার যোগাযোগ করে বাংলাদেশ দূতাবাস। দূতাবাস কর্তৃপক্ষ তাকে বলে পাসপোর্ট, মালিকের নাম-ঠিকানা কোন কাগজপত্র নিজ হাতে না থাকার কারণ দূতাবাস করণীয় কিছু নাই।যদি মালিকের টেলিফোন নাম্বারটাও যদি থাকতো তাহলে আলাপ-আলোচনা করে একটা কিছু করা যেত।খোকনের নিকট পাসপোর্ট ফটোকপি ছাড়া ছিলনা কিছুই।এতে দেশে ফেরত যাওয়া ছাড়া অন্যকোন বিকল্প রাস্তা নাই।
    আর দেশে ফেরত যেতে হলে সাধারণ ক্ষমায় অপেক্ষা করতে হবে।নাহয় আসা থেকে যত বছর জরিমানা দিয়ে যেতে হবে। খোকন অপেক্ষার পালা কখন যে দূতাবাস এমন সুযোগটা ঘোষণা করবে। দীর্ঘ ৯/১০ মাস আগে দূতাবাস দেশে ফেরত যারা যাওয়ার আগ্রহী তাদের আবেদন কর্মসূচী ঘোষণা করে।সময়টা কাজে লাগিয়ে খোকনও আবেদন পত্র জমা করে।তার আবেদন নাম্বার (২১৮৩) তারিখ ছিল ১৩ জুন ২০১৬।

    খোকনের দেশের বাড়ী ঢাকা, মীরপুর।
    তার কথায় সে একজন প্রাক্টিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার।
    দেশে উপার্জন করা টাকায় আমি আমার wife পপির মুখে হাঁসি ফোটাতে পারিনি।
    আমি ভালবেসে বিয়ে করেছি, আমার ৭ বছরের একটি ফুঁটফুটে ময়না পাখি তার নাম মাবিয়া আহম্মদ।
    তার জন্মের পর আমিই তাকে কোলে পিঠে বড় করি।
    আমি ও আমার মেয়ে মাবিয়া একে অপরের নয়ন মনি।
    আজ আমার সেই নয়ন মনি ছাড়া বেঁচে থাকা বৃথা।
    মাবিয়ার মা অনেক শিক্ষিত। আমি তার যোগ্য নই,সে বারবার এমনই বলে। আমি আমার জীবনে সব সুখ, আনন্দ বিলীন করে তাকে বি, সি, এস,পর্যন্ত পড়ালাম বিনিময় এখন সে আমাকে বলে মূর্খ।তাতেও আমার কোন দুঃখ বা কষ্ট নেই। আমার কষ্ট শুধু সে আমাকে না ভালবাসুক আমার মাবিয়াকে দেখাশুনা ও ভালবাসুক কিন্ত আমার মেয়েও অবহেলায় আছে।ঠিকমত সময় দেয়না। এ অবস্তায় আমি বিদেশ থেকে কি করবো?অথচ মাবিয়াকে দিয়ে আমাকে ব্লাকমেইল করে আমার সমস্ত বেতনের টাকা প্রতিমাসে হাতিয়ে নিতেছে।তবুও তাকে কিছু বলা হয়না কারন আজও আমি তাকে নিরবে ভালবেসে যাচ্ছি। সে আমাকে ভালবাসুক বা ঘৃণা করুক তাকে আমি অভিশাপ দেবনা।কারন আমার মেয়েও তার মাকে অনেক ভালবাসে। আমি মেয়ের কারনে সবকিছু ধর্য্য ধরে আছি।
    খোকন একজন বাংলাদেশী। সে লেবানন প্রবাসী, দূতাবাস, বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আর্কষনের জন্য সবিনয় অনুরোধ জানান।জীবিত না মৃত্য? কোনটা করলে দেশে যাওয়া যাবে।
    তার একটাই কাকুতি ছেলে- মেয়ের স্বচক্ষে দেখার আগ্রহ। এমতাবস্থায় কোন দয়াময় ব্যক্তি তার দেশে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করবেন যেন একাল ও পরকাল আল্লাহ উনার মঙ্গল করেন।


    কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মুকিবের স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে বাহরাইন বি,এন,পির প্রতিবাদ সভাঃ

    received 1322992031115338 1 - কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মুকিবের স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে বাহরাইন বি,এন,পির প্রতিবাদ সভাঃ

    বাহরাইন পজিটিভ প্রতিনিধি ঃ

    বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বি এন পি)’র সংখ্যাগরিষ্ট, সৎ ও নিষ্ঠাবান এবং শহীদ জিয়া’র প্রকৃতআদর্শে অনুপ্রাণিত নেতাকর্মীদের মতামত উপেক্ষা করে সৌদি আরব পশ্চিম আঞ্চলীয় বি এন পি’র সভাপতি –

    আহম্মেদ আলী মুকিব কর্তৃক বি, এন, পি’র সংগ্রামি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, জননেতা জনাব তারেক রহমান সাহেব কে বাহরাইন বি এন পি’র দলীয় হালচাল প্রসঙ্গে সঠিক তথ্য না জানিয়ে এবং বাহরাইনে বিরাজমান দলীয় কোন্দল নিরসন কিংবা কারো সাথে কোন আলাপ আলোচনা না করেই আহম্মেদ আলী মুকিব তাহার মর্জি মাফিক বাহরাইনে বি এন পি’র দলীয় ইমেজ বিনষ্টকারী, লম্পট চরিত্রের অধিকারী জনবিছিন্ন কতিপয় ব্যক্তিবর্গের নামে বাহরাইন বি এন পি’র কমিটি কেন্দ্রীয়ভাবে অনুমোদিত হয়েছে বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
    এবং এরই ধারাবাহিকতায় আসন্ন ২৭ শে এপ্রিল উক্ত বানোয়াট কমিটি’র অভিষেক অনুষ্ঠান করার জন্য মুকিব সাহেব প্রধান অতিথি আসবেন বলে আমরা জানতে পারলাম।

    এখানে উল্লেখ্য যে গত বছরের শেষদিকে জনাব আহম্মেদ আলী মুকিব ব্যবসায়ীক সফরের নামে বাহরাইন এসে এখানে বি এন পি’র প্রতিটি গ্রুপের
    সাথে আলাদা আলাদাভাবে মত বিনিময় করে বলে ছিলেন যে, জননেতা জনাব তারেক রহমানের সাথে আলাপ আলোচনা করে তিনি আবার ও বাহরাইন আসবেন এবং দলীয় সকল প্রকার কোন্দল নিরসন করে সকলের মতামতের ভিত্তিতে সর্বমহলে গ্রহনযোগ্য একটি কর্মীবান্ধন কমিটি গঠন করার পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।
    কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় পরবর্তীতে আমরা লক্ষ করলাম জনাব মুকিব বাহরাইনে আসা তো দুরের কথা কারো সাথে কোন প্রকার আলাপ আলোচনা না করেই তিনি সৌদি আরব বসে নাম সর্বস্ব দু’একটি পত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাহরাইন বি এন পি’র কমিটি ঘোষনা হয়েছে মর্মে খবর ছড়িয়ে দেন।
    এবং তৎখনাত ঐ কমিটি ঘোষনার বিরুদ্ধে বাহরাইনে প্রতিবাদের ঝড় উঠে।
    এবং সম্প্রতি সময়ে আমরা জানতে পারলাম জনাব মুকিব কর্তৃক ঘোষিত ঐ পকেট কমিটি’র অভিষেক নাকি আসন্ন।

    জনাব মুকিবের ঐ হটকারী পকেট কমিটি ঘোষনা ও আসন্ন অভিষেক অনুষ্ঠান কে কেন্দ্রকরে বাহরাইনস্থ সংখ্যাগরিষ্ট জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী সকল জিয়া’র সৈনিকদের মাঝে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
    হয়তো যে কোন মুহুর্তে বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীদের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটে যেতে পারে বলে অনেক ধারনা করছেন।

    এমতাবস্থায় গত ২৪ শে এপ্রিল সোমবার,রাত ০৮.ঘটিকার সময় মানামা নিমরা রেষ্টুরেন্টে
    বাহরাইন বি এন পি’র দু’ধারার নেতৃবৃন্দ (হামেদ কাজী হাসান ও প্রকৌশলি জাহাঙ্গীর তরফদার) এর নেতৃত্বাধীন জাতীয়তাবাদী পরিবার যৌথভাবে এক জরুরী সাংবাদিক সম্মেলন এর আয়োজন করেন।

    বাহরাইন বি এন পি’র সিনিয়র নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে উক্ত সাংবাদিক সম্মলনে সভাপতিত্ব করেন এবং উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেনঃ
    বাহরাইন বি এন পি’র অন্যতম শীর্ষ নেতা,বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জনাব মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম।

    মোঃ সেলিম হোসেন এর সঞ্চালনায় এবং জনাব মোখলেছুর রহমানের কোরআন তেলাওয়াত এর মধ্যদিয়ে শুরু হওয়া উক্ত সাংবাদিক সম্মলেন –
    সূচনা বক্তব্য রাখেনঃ জনাব সোহেল সিরাজী বাপ্পি।

    বর্তমানে বাহরানে জাতীয়তাবাদী দলের ভাবমুর্তি রক্ষা ও সমুন্নত রাখার অঙ্গিকার ব্যক্তকরে বক্তব্য রাখেনঃ
    জনাব হামেদ কাজী হাসান,প্রকৌশলি জনাব জাহাঙ্গীর তরফদার,জনাব খোরশেদ আলম মজুমদার,প্রকৌশলি জনাব জিল্লুর রহমান,জনাব আনোয়ার ফারুক,জনাব আব্দুল গণি মজুমদার,জনাব শাহ্ মোয়াজ্জেম হোসেন সোকার্নো,জনাব আরাফাত সানি,জনাব মহসিন চৌধুরী রিপন, জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন, জনাব হারুনূর রশিদ, জনাব শেখ আব্দুর রশিদ,জনাব আলা উদ্দিন আহম্মেদ, জনাব মোঃ মাসুদ ও জনাব এস এ সাচ্চু ভূঁইয়া প্রমুখ।

    বক্তাগন তাদের বক্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিক বৃন্দ ও সোস্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে বি এন পি’র কেন্দ্রীয় সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান, মহাসচিব সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক মন্ডলী ও দলীয় হাই কমান্ড এর দৃষ্টি কামনা করে বলেন যে,বাহরাইনে বি এন পি’র দলীয় ইমেজ ও কর্মকান্ড সুসংগঠিত করতে এই মুহুর্তে আপনাদের হস্তক্ষেপ একান্তই জরুরি।

    এবং দলের দায়িত্ব প্রাপ্ত আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক যিনারা আছেন তাদের মাধ্যমে নিরপেক্ষ ভাবে যাচাই বাচাই করে কোন ব্যক্তি বিশেষ কে প্রাধান্য না দিয়ে সর্বমহলে গ্রহনযোগ্য একটি কমিটি গঠনের আহ্বান জানান এবং তারই পাশাপাশি সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চল বি এন পি’র সভাপতি জনাব আহম্মেদ আলী মুকিব কর্তৃক বাহরাইন বি এন পি তে অযাচিত হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানানে হয়।

    উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে বাহরাইন বি এন পি’র নেতৃবৃন্দেরর মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেনঃ জনাব শাহজাহান মিয়া,জনাব ফয়সাল আহম্মেদ,জনাব ইব্রাহিম মিয়া,জনাব মোকবুল হোসেন মুকুল, নূরে আলম সিদ্দিকী মেম্বার, জনাব আবুল কাসেম,জনাব খালেক শেখ,সোহেল আহম্মেদ,জনাব কামাল উদ্দিন,জনাব বশির আহম্মেদ,মোঃ আরিফ রানা,সুজন মোল্লা, মোঃ নূরুল হক, প্রকৌশলি বেলাল হোসেন,মোঃ রজব মাহমুদ,মোঃ মানিক,আব্দুস ছাত্তার খোকন,মোঃ রেজা ই রাব্বী,মোঃ সজল ও মোঃ আব্দুল সহ বাহরাইন বি এন পি’র বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।


    নব বর্ষের উৎসবে মন ছুটে চলে দেশে। রাকেশ রহমান।

    14607555374 - নব বর্ষের উৎসবে মন ছুটে চলে দেশে। রাকেশ রহমান।

    নব বর্ষের উৎসবে মন ছুটে চলে দেশে।রাকেশ রহমান, পারমা, ইটালি।

    প্রবাসে বাংলা নববর্ষের স্বাদটা পাইনা একেবারেই। শনিবার বা রবিবার হলে একটু আমেজ আসে কিন্তু অন্যকার্য দিবস হলে তো কথাই নেই। আমার সুদীর্ঘ ১২ বছরের প্রবাস জীবনে এখন পর্যন্ত বাংলা নববর্ষের স্বাদ পাইনি কখনও। ইচ্ছে ছিলো অনেক কিন্তু পারিনি করতে পান্তা ইলিশ অথবা অন্যান্য কিছু উৎসব। হয়তো বাংলাদেশে থাকতে উৎসবটা বেশি করে ফেলেছি তাই এখন আর কপালে হচ্ছে না।
    রমনা বটমূলে পান্তা ইলিশ খাওয়ার প্রচলন বলতে গেলে আমাদের বাড়ি থেকেই চালু হয়েছিলো। মনে পড়ে সেই ১৯৯০ সালের পর থেকে আমাদের পুরানো ঢাকার বাড়ি থেকে ভ্যান ভড়ে আমার চাচা তার বিবাহবার্ষিকী উপলক্ষে রমনা বটমূলের পাশে প্রায় ২০০ লোকের পান্তা ইলিশ নিয়ে উৎসবের আয়োজন করতেন। উৎসব বেশ ভালোই জমতো বটমূলের গান চলতো পাশাপাশি আমাদের আত্মীয় স্বজনরা ও চাচার বন্ধুরা দলে এসে সবাই মিলে পান্তা উৎসব করতো। আমরা যথারীতি পান্তার উৎসব শেষ করে পুরো রমনা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে বাড়ি ফিরতাম। তারপর বাড়িতে রাতেও থাকতো আত্মীয় স্বজনদের নিয়ে অনুষ্ঠান।
    সবথেকে বেশি মজা হত আগের দিন সারারাত ধরে চলতো পান্তা ও ইলিশের আয়োজন। প্রবাসে আসলে সেই মজার কোন মজাই নেই। এবছরও প্রতি বছরের মতো যথারীতি ঘুম থেকে উঠে নাস্তা করা, একটু দেশে কথা বলা তারপর অফিসে যাওয়া এবং রাতে বাড়ি ফেরা, তারপর মন চাইলে একটু গান শোনা এইতো।
    বাংলা নববর্ষ নিয়ে আসল ইতিহাস আসলে আমরা অনেকেই জানিনা।
    হিন্দু সৌর পঞ্জিকা অনুসারে বাংলা বারটি মাস অনেক আগে থেকেই পালিত হত। এই সৌর পঞ্জিকার শুরু হত গ্রেগরীয় পঞ্জিকায় এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময় হতে। হিন্দু সৌর বছরের প্রথম দিন আসাম, বঙ্গ, কারালা, মনিপুর, নেপাল, উড়িষ্যা, পাঞ্জাব, তামিলনাড়– এবং ত্রিপুরার সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে অনেক আগে থেকেই পালিত হত। এখন যেমন নববর্ষ নতুন বছরের সূচনার নিমিত্তে পালিত একটি সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে, এক সময় এমনটি ছিল না। তখন বাংলা শুভ নববর্ষ বা পহেলা বৈশাখ আর্তব উৎসব তথা ঋতুধর্মী উৎসব হিসেবে পালিত হত। তখন এর মূল তাৎপর্য ছিল কৃষিকাজ। প্রাযুক্তিক প্রয়োগের যুগ শুরু না হওয়ায় কৃষকদের ঋতুর উপরই নির্ভর করতে হত।
    ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রারাজ্য প্রতিষ্ঠার পর সম্রারাটরা হিজরী পঞ্জিকা অনুসারে কৃষি পণ্যের খাজনা আদায় করত। কিন্তু হিজরি সন চাঁদের উপর নির্ভরশীল হওয়ায় তা কৃষি ফলনের সাথে মিলত না। এতে অসময়ে কৃষকদেরকে খাজনা পরিশোধ করতে বাধ্য করতে হত। খাজনা আদায়ে সুষ্ঠুতা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুঘল সম্রারাট আকবর বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। তিনি মূলত প্রাচীন বর্ষপঞ্জীতে সংস্কার আনার আদেশ দেন। সম্রারাটের আদেশ মতে তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ ফতেহউল্লাহ সিরাজী সৌর সন এবং আরবী হিজরী সনের উপর ভিত্তি করে নতুন বাংলা সনের নিয়ম বিনির্মাণ করেন। ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ মার্চ বা ১১ মার্চ থেকে বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের সময় (৫ নভেম্বর, ১৫৫৬) থেকে। প্রথমে এই সনের নাম ছিল ফসলি সন, পরে বঙ্গাব্দ বা বাংলা বর্ষ নামে পরিচিত হয়।
    আকবরের সময়কাল থেকেই পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হয়। তখন প্রত্যেককে চৈত্র মাসের শেষ দিনের মধ্যে সকল খাজনা, মাশুল ও শুল্ক পরিশোধ করতে হত। এর পর দিন অর্থাৎ পহেলা বৈশাখে ভূমির মালিকরা নিজ নিজ অঞ্চলের অধিবাসীদেরকে মিষ্টান্ন দ্বারা আপ্যায়ন করতেন। এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন উৎসবের আয়োজন করা হত। এই উৎসবটি একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিণত হয় যার রূপ পরিবর্তন হয়ে বর্তমানে এই পর্যায়ে এসেছে। তখনকার সময় এই দিনের প্রধান ঘটনা ছিল একটি হালখাতা তৈরি করা। হালখাতা বলতে একটি নতুন হিসাব বই বোঝানো হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে হালখাতা হল বাংলা সনের প্রথম দিনে দোকান পাঠের হিসাব আনুষ্ঠানিকভাবে হালনাগাদ করার প্রক্রিয়া। গ্রাম, শহর বা বাণিজ্যিক এলাকা, সকল স্থানেই পুরনো বছরের হিসাব বই বন্ধ করে নতুন হিসাব বই খোলা হয়। হালখাতার দিনে দোকনদাররা তাদের ক্রেতাদের মিষ্টান্ন আপ্যায়ন করে থাকে। এই প্রথাটি এখনও অনেকাংশে প্রচলিত আছে, বিশেষত স্বর্ণের দোকানে।
    আধুনিক নববর্ষ উদযাপনের খবর প্রথম পাওয়া যায় ১৯১৭ সালে। প্রথম মহাযুদ্ধে ব্রিটিশদের বিজয় কামনা করে সে বছর পহেলা বৈশাখে হোম কীর্ত্তণ ও পূজার ব্যবস্থা করা হয়। এরপর ১৯৩৮ সালেও অনুরূপ কর্মকান্ডের উল্লেখ পাওযা যায়। পরবর্তী সময়ে ১৯৬৭ সনের আগে ঘটা করে পহেলা বৈশাখ পালনের রীতি তেমন একটা জনপ্রিয় হয় নি। প্রবাস থেকে এবারের বাংলা নববর্ষে সবার প্রতি একটি ভালোবাসার অনুরোধ থাকবে আসুন আমরা একে অপরের প্রতি ভালোবাসা ও সম্মান বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশটাকে এগিয়ে নিয়ে যাই।

    received 1047659792035512 1 300x168 - নব বর্ষের উৎসবে মন ছুটে চলে দেশে। রাকেশ রহমান।


    প্রবাসী বি,এন,পি নেতা সাদেক তার সন্তানের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

    FB IMG 1492047306586 - প্রবাসী বি,এন,পি নেতা সাদেক তার সন্তানের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

    প্রবাসী বি,এন,পি নেতা আলহাজ্ব সাদেক হোসেন তার সন্তান জুনাঈদ জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেনঃ

    সৌদিআরব এর ব্যাবসায়ী, প্রবাসী ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলা বি,এন,পির সংগ্রামী সভাপতি জনাব আলহাজ্ব সাদেক হোসাইন এর ছেলে মোঃ জুনাঈদ আহমেদ গত ফেব্রুয়ারি মাসে সৌদিআরব রিয়াদে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারাত্মকভাবে আহত হয়ে বর্তমানে সে রিয়াদ কিং সুলতান হাসপাতালের আই,সি,ইউতে আছেন। প্রবাসী নেতা ফোন করে জানান তার সন্তান জুনাঈদ এর সুস্থতার জন্যে সকল দেশবাসী ভাইদের কাছে দোয়া কামনা করার জন্য।PhotoGrid 1492043311490 picsay 300x186 - প্রবাসী বি,এন,পি নেতা সাদেক তার সন্তানের জন্য দোয়া চেয়েছেন।

    পজিটিভ পরিবারের সদস্যের সন্তানের জন্য আমরা বিশেষভাবে দোয়া চাচ্ছি আল্লাহ্‌তায়ালা যেন তার সন্তানকে দ্রুত সুস্থ করে পুনরায় তার প্রাণপ্রিয় বাবার সাথে কাজ করে তাকে সহায়তা করতে পারে।IMG 20170413 062317 picsay 253x300 - প্রবাসী বি,এন,পি নেতা সাদেক তার সন্তানের জন্য দোয়া চেয়েছেন।
    তারই পাশাপাশি পজিটিভ পরিবার এর প্রকাশক, সম্পাদক এবং কলাকুশলী বিশেষ সহানুভূতি জ্ঞাপন করি।