• Category Archives: বিনোদন

    পূর্ণিমার স্কুটির শিক্ষক ফেরদৌস!

    0601795ed8076005c34cb9636903ab3d 5beed51155836 - পূর্ণিমার স্কুটির শিক্ষক ফেরদৌস!

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার স্কুটি প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। ঢাকার ফ্লাইং ক্লাবের পাশের একটি রাস্তায় আজ বিকেলে পূর্ণিমাকে স্কুটি চালানোর কাজ শুরু করেন ফেরদৌস। কাল থেকে একটানা ১০ দিন কাজটি করতে হবে বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এই নায়ককে।

    ‘গাঙচিল’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য পূর্ণিমাকে স্কুটি চালানো জানতে হবে। ছবির শুটিং শুরুর আগে সহশিল্পী পূর্ণিমাকে চরিত্রের উপযোগী করে তোলার কাজে সহযোগিতা করতে পেরে ফেরদৌস আনন্দিত। এই আয়োজনে সঙ্গে আছেন ছবির পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামূল। আজ শুক্রবার বিকেলে তেমনটাই দেখা গেল।

    পূর্ণিমা একটি স্কুটিতে বসে আছেন। পাশে থেকে চালানোর কৌশল শিখিয়ে দিচ্ছিলেন ফেরদৌস। একটু পরপর দৌড়ে আসছেন পরিচালকও। আগামী ডিসেম্বর থেকে ছবিটির শুটিং শুরু হচ্ছে বলে আজ প্রথম আলোকে জানালেন পরিচালক ও নায়ক-নায়িকারা। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ‘গাঙচিল’ ছবির শুটিং শুরুর কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে পূর্ণিমা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় শুটিং পিছিয়ে দেন পরিচালক।স্কুটি চালানোর চেষ্টা করছেন পূর্ণিমা। ছবি: প্রথম আলোস্কুটি চালানোর চেষ্টা করছেন পূর্ণিমা। ছবি: প্রথম আলো

    ‘গাঙচিল’ ছবিতে পূর্ণিমা এনজিওকর্মী আর ফেরদৌস সাংবাদিক চরিত্রে অভিনয় করবেন। ফেরদৌসের চরিত্রের নাম সাগর আর পূর্ণিমার মোহনা। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের বাসিন্দাদের জীবনের নানা ঘটনা এই ছবির প্রধান উপজীব্য। এই অঞ্চলে এনজিওকর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন পূর্ণিমা। নিজের চরিত্র দর্শকের কাছে গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবসম্মত করে তুলতে সময় বের করে স্কুটি চালানো শিখছেন। প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা বেশ মজার। বললেন, ‘আমি জীবনে কোনো দিন সাইকেল আর স্কুটি চালাইনি। আজই প্রথম উঠলাম। শুরুতে কিছুটা ভয় ছিল, কাত হয়ে পড়ে যাবে না তো। আস্তে আস্তে ফেরদৌস ভয় দূর করতে পেরেছেন। পুরোপুরি শিখতে কত দিন যে লাগবে, বুঝতে পারছি না।’

    চরিত্রের প্রয়োজনে এভাবে নিজেকে তৈরির ব্যাপারটিতে খুবই সন্তুষ্ট পূর্ণিমা। তিনি বলেন, ‘বেশ কিছুদিন বিরতির পর একসঙ্গে দুটি ছবিতে সাইন করেছি। দুটি ছবিরই পরিচালক একজন। এখন কিন্তু ছবি বানানোর পুরো পদ্ধতিই বদলে গেছে, যা আমাদের এখানে আগে পাইনি। এখন সিনেমা বানানোর আগেই অনেক কিছু করা হচ্ছে। স্ক্রিপ্ট নিয়ে অনেকবার বসা হচ্ছে। সুন্দরভাবে ছবির কাজ শেষ করার প্রস্তুতি শিল্পীদের সঙ্গে আলোচনা করে শুটিং শুরুর আগে নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টিকে দারুণ ইতিবাচক মনে হয়েছে।’

    ২০ বছরের অভিনয়জীবন ফেরদৌসের। এই দীর্ঘ সময় কখনোই তাঁর কোনো সহশিল্পীকে চরিত্রের উপযোগী করে তোলার কাজে সহযোগিতা করতে হয়নি। তিনি বলেন, ‘চরিত্রের জন্য পূর্ণিমার স্কুটি চালানো শেখাটা খুব প্রয়োজন। তবে এই কাজটি ডামি দিয়ে করানো যেত। কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য হবে না। আমরা জানি, এনজিওকর্মীরা স্বাবলম্বী হন, তাঁরা স্কুটি চালিয়ে গ্রামগঞ্জে চলেন। সে জন্য এই পরিশ্রম করছি। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে কখনো এভাবে সহশিল্পীকে চরিত্রের জন্য তৈরি করে দেওয়ার ঘটনা আমার জীবনে প্রথম।’ঢাকার ফ্লাইং ক্লাবের পাশের রাস্তায় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাকে স্কুটি চালানো শেখাচ্ছেন ফেরদৌস। ছবি: প্রথম আলোঢাকার ফ্লাইং ক্লাবের পাশের রাস্তায় চিত্রনায়িকা পূর্ণিমাকে স্কুটি চালানো শেখাচ্ছেন ফেরদৌস। ছবি: প্রথম আলোফেরদৌস আরও বলেন, ‘আমাদের এখানে এমনিতে যেটা হয়, নতুন শিল্পীরা চলচ্চিত্রে এলে ক্যামেরার সামনে দৃশ্যটা কীভাবে করবে, তা নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করি। কিন্তু ছবির শুটিং শুরুর আগে এভাবে চরিত্র নিয়ে ভাবা অথবা শিল্পীকে সহযোগিতা করার কাজ করা হয় না। পরিচালক ভীষণ নাছোড়বান্দা। তিনি যখন চরিত্রটি নিয়ে কথা বলেছিলেন, আমাদের বলেছিলেন, শুটিংয়ের আগে এই কাজগুলো নিজেদের করতে হবে। পরিচালকের ঐকান্তিক আগ্রহে আমরাও অনুপ্রাণিত হয়ে কাজটা করছি।’

    সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ‘গাঙচিল’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘গাঙচিল’ সিনেমায় পূর্ণিমা একজন এনজিওকর্মীর চরিত্রে অভিনয় করবেন। নির্মাতা নেয়ামূল জানান, নোয়াখালীর চরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ-কষ্ট, হাসি-আনন্দের গল্প এই সিনেমায় দেখা যাবে। এনজিওকর্মী হিসেবে পূর্ণিমাকে অনেক প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে কাজ করতে হবে। সাধারণত মাঠপর্যায়ের এনজিওকর্মীরা স্কুটি চালিয়ে এসব অঞ্চলে তাঁদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। পূর্ণিমার চরিত্রটিকে বাস্তবসম্মত করে ফুটিয়ে তুলতে স্কুটি চালানো শেখা দরকার। তাই আমরা বাস্তবসম্মত করার জন্য তাঁকে স্কুটি চালাতে শিখতে অনুরোধ করেছি। তিনিও সানন্দে রাজি হয়েছে। ফেরদৌস ভাইও দারুণ সহযোগিতা করছেন।’


    জন্মদিনে স্বামীকে নিয়ে সেকেন্ড হোমে রুনা

    8aca97938a2e0639f3ee08f01bc2d5f8 5beee1247d9a3 - জন্মদিনে স্বামীকে নিয়ে সেকেন্ড হোমে রুনা

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    ‘গোয়িং টু মাই সেকেন্ড হোম, কলকাতা টু সেলিব্রেট মাই বার্থডে’, নিজের ফেসবুকে এমনটাই লিখলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত গায়িকা রুনা লায়লা। কলকাতার উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার আগে আজ শুক্রবার বেলা তিনটার পর ফেসবুকে লিখেছেন তিনি। আগামীকাল ১৭ নভেম্বর বরেণ্য এই শিল্পীর ৬৬তম জন্মবার্ষিকী। রুনা লায়লাকে এবারের জন্মদিনে তাঁর স্বামী বাংলাদেশের বরেণ্য চিত্রনায়ক আলমগীর ট্রিট দিচ্ছেন।

    ৫৩ বছরের সংগীতজীবনে হাতেগোনা কয়েকবার দেশের বাইরে জন্মদিন পালন করেছেন রুনা লায়লা। এর মধ্যে ২০১৫ সালে লন্ডনে আর দুবার ভারতে। রুনা লায়লা বলেন, ‘আমি বরাবরই জন্মদিনটা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কাটাতে পছন্দ করি। এবারও তেমনটাই হচ্ছে। দেশের বাইরে হওয়ার কারণে স্বামী ছাড়া অন্যদের মিস করব।’

    পাঁচ দশকের দীর্ঘ সংগীতজীবনে ১৭ ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন রুনা লায়লা। অর্জন করেছেন উপমহাদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা। বাংলা ছাড়া রুনা লায়লা উর্দু, হিন্দি আর ইংরেজি ভাষা জানেন। তবে বাংলা, হিন্দি, উর্দু, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, গুজরাটি, পশতু, বেলুচি, আরবি, পারসিয়ান, মালয়, নেপালি, জাপানি, ইতালিয়ান, স্পেনিশ, ফ্রেঞ্চ ও ইংরেজি ভাষায় গান করেছেন তিনি।

    কলকাতায় নিজেদের মতো করে জন্মদিন উদযাপন শেষে ১৯ নভেম্বর ঢাকায় ফিরবেন তাঁরা। চলচ্চিত্র ও গানের জগতে আলমগীর ও রুনা লায়লার ব্যস্ততা এখনো আগের মতোই। জন্মদিনে একেবারে নিজেদের মতো করে কাটাতে চান বলে পাশের দেশ ভারতের কলকাতাকে পছন্দ করেছেন রুনা। উপমহাদেশের প্রখ্যাত এই শিল্পী বলেন, ‘কলকাতা আমার খুব প্রাণের একটা শহর। ওখানে গেলে মনে হয় না নিজের বাড়ির বাইরে কোথাও আছি। এটাকে আমার সেকেন্ড হোম মনে হয়।’আলমগীর ও রুনা লায়লাআলমগীর ও রুনা লায়লাগানের জনপ্রিয়তায় কলকাতায়ও রয়েছে রুনা লায়লার অনেক বন্ধু, ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী। তবে জন্মদিনে তাঁদের কাউকে পাওয়া যাবে না বলে জানালেন রুনা লায়লা। বললেন, ‘এটা একেবারে আমাদের ব্যক্তিগত ট্যুর। আলমগীর সাহেব জন্মদিনে ট্রিট দিয়েছেন। আমরা একান্তে দুদিন সময় কাটাব, এই।’

    বাংলাদেশের প্রখ্যাত গায়িকা রুনা লায়লা ভারতের গানবিষয়ক রিয়েলিটি শো ‘সারেগামাপা’য় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এই সময়টাতে জন্মদিন পড়ে যাওয়ায় আয়োজক কর্তৃপক্ষ শুরুতে শুটিং সেটে এবং পরে একটি রেস্তোরাঁয় রুনা লায়লার জন্মদিন উদযাপন করেন।

    উর্দু ছবি ‘জুগনু’তে রুনা লায়লা গান গেয়েছেন ১৯৬৫ সালের জুন মাসে। এরপর তিনি গেয়েছেন হাজার দশেক গান। অর্জন করেছে স্বাধীনতা পদক। দেশ-বিদেশে পেয়েছেন অসংখ্য পুরস্কার। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন ছয়বার। রুনা বললেন, ‘যত দিন ভালো গাইতে পারব, তত দিন গান গাইব। নিজে মনে করব যে এখনো গাইতে পারছি, সুর নড়ছে না, বেসুরো হচ্ছে না, কণ্ঠ কাঁপছে না, তত দিন গান করব। যখন মনে হবে এখন আর হচ্ছে না, তখন গান ছেড়ে দেব।’

    ১৯৫২ সালের ১৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। তাঁর বাবার নাম এমদাদ আলী ও মায়ের নাম আমিনা আলী। বাংলাদেশের সংগীতের কিংবদন্তি এই শিল্পী চলচ্চিত্র, পপ ও আধুনিক সংগীতের জন্য বিখ্যাত। দেশের বাইরে গজল গায়িকা হিসেবেও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশে তাঁর সুনাম আছে। এ ছাড়া ভারত ও পাকিস্তানের অনেক চলচ্চিত্রের গানেও তিনি কণ্ঠ দিয়েছেন।


    রাজনীতিতে সক্রিয় তারিন

    51d96436f42e9db11f97b7e81d0771c2 5bec25c023056 - রাজনীতিতে সক্রিয় তারিন

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি আমাকে যোগ্য মনে করেন, তাহলে আমি সরাসরি নির্বাচনে অংশ নেব। যদি মনোনয়ন না পাই, যিনি পাবেন, তাঁর জন্য কাজ করব। আসলে আমি দলের জন্য কাজ করব।’ ছোট পর্দার জনপ্রিয় তারকা তারিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে চান। এরই মধ্যে ঢাকা-১০ আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন তিনি। আজ বুধবার সন্ধ্যায় প্রথম আলো অনলাইনের ‘ক্যাফে লাইভ’ আয়োজনের অতিথি ছিলেন তিনি। এখানেই কথা হয় তাঁর সঙ্গে।

    তারিন জানান, যেদিন থেকে রাজনীতি বোঝেন, সেদিন থেকেই তিনি আওয়ামী লীগের সমর্থক। তবে রাজনীতিতে সক্রিয় হন ২০১৩ সালে। বছর দুয়েক আগে ইয়ুথ বাংলা কালচারাল ফোরামের সঙ্গে তিনি যুক্ত হন। মিডিয়ার সঙ্গে যুক্ত, এমন তরুণদের নিয়ে গঠিত এই সংগঠনের অন্যতম সদস্য তারিন। আরও জানালেন, অভিনয় নিয়ে তাঁর যত ব্যস্ততা। কিন্তু দেশ আর দেশের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে তিনি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত হয়েছেন।

    তারিন বললেন, ‘আমরা চাই, দেশে যে উন্নয়নের ধারা চলছে, তা অব্যাহত থাকুক। দেশের সবার কাছে আমরা সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা পৌঁছে দিতে চাই। জ্বালাও পোড়াও নয়, আমরা চাই দেশের উন্নয়নের রাজনীতিতে সবাই সম্পৃক্ত হউক।’


    তাঁরা এখন স্বামী-স্ত্রী

    faea38d2b562ccc00b9a9fc47ad66af2 5bec3629d716a - তাঁরা এখন স্বামী-স্ত্রী

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    বিয়ে হয়ে গেল ভারতের সব থেকে আলোচিত জুটি দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর সিংয়ের। পাঁচ বছরের প্রেম পেল পরিণয়ের দেখা। ‘বাজিরাও মাস্তানি’ ছবিতে এ দুজনের মিলন হয়নি দেখে যাঁরা ব্যথিত হয়েছেন, তাঁদের জন্য এ এক আনন্দ সংবাদ। বাস্তবজীবনে তাঁরা এখন স্বামী-স্ত্রী।

    দীপিকা ও রণবীরের বিয়েতে ছবি তোলা যাবে না, আগে থেকেই বলা ছিল সবাইকে। তাই এখানে-ওখানে খুঁজলে এখনই দেখা যাবে না, বিয়েতে কেমন সেজেছিলেন দীপিকা বা রণবীর। এমনকি টুইটারে সক্রিয় দীপিকা কনের সাজে নিজের একটি ছবিও এখনো পোস্ট করেননি। বিয়ের ৩০ জন অতিথির সবাইকে বিনয়ের সঙ্গে বারণ করা হয়েছিল, মুঠোফোন সঙ্গে রাখা যাবে না। ক্যামেরা থাকবে কেবল পেশাদার আলোকচিত্রীর কাছে। আলোছায়ার ব্যাকরণ ঠিক করে কেবল তিনিই তুলে রাখবেন দীপবীরের বাঁধনলগ্ন। পরে হয়তো সেসব দেখবে ওঁদের ভক্তরা।

    আজ বুধবার সকাল সাতটায় পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হয় দীপিকা-রণবীরের বিয়ে। ইতালির লেক কোমোতে বিয়ের অনুষ্ঠানে উভচর বিমানে করে হাজির হয়েছিলেন বর। অনুষ্ঠানস্থলে অতিথিদের নিয়ে গেছে একটি বিলাসবহুল নৌযান। এ বিয়েতে যাঁরা থাকতে পারছেন না, তাঁদের একটি বড় অংশ দীপিকা ও রণবীরের ভক্ত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রিয় দুই তারকার নানা রকম ছবি এডিট করে পোস্ট করছেন তাঁরা। যেন দীপবীরের বিয়ের অংশ হয়ে থাকার এটিও একটি উপায়।

    আজ কঙ্কানি রীতিতে হয়েছে বিয়ের একটি অংশ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার আবার হবে সিন্ধি রীতিতে। দুই রীতিতে বিয়ের পর দীপবীরের দুটি বিবাহোত্তর সংবর্ধনা আয়োজন রয়েছে। প্রথমটি ২১ নভেম্বর বেঙ্গালুরুতে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে এবং পরেরটি ২৫ নভেম্বর মুম্বাইতে বলিউডের স্বজনদের জন্য। টাইমস অব ইন্ডিয়া


    জন্মদিনে মিমের জন্য ‘সারপ্রাইজ’!

    18d9bb145649942a27034dad904afffc 5be80f82f27ec - জন্মদিনে মিমের জন্য ‘সারপ্রাইজ’!

    পজিটিভ ডেস্কঃ

     

    ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ আমাকে চিনেছে, তাদের কাছ থেকে এবার জন্মদিনে বড় সারপ্রাইজ পেয়েছি।’ বললেন মডেল ও চিত্রনায়িকা মিম। পুরো নাম বিদ্যা সিনহা সাহা মিম। রাজশাহীতে জন্ম হলেও বেড়ে উঠেছেন ভোলায়। বাবার চাকরিসূত্রে একসময় কুমিল্লায় থিতু হন। কুমিল্লার নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে মানবিক বিভাগে এইচএসসি পাস করেন মিম। পরিবার ও বন্ধুদের উৎসাহে কুমিল্লা থাকা অবস্থায় ২০০৮ সালে নাম লেখান ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায়। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এই প্রতিযোগিতা তাঁকে দেশে ও দেশের বাইরের মানুষের কাছে মিম নামে পরিচিতি এনে দেয়।

    ১০ নভেম্বর ছিল মিমের জন্মদিন। এবার কততম জন্মদিন, বলা যাবে? শুনে মিম হাসলেন। বললেন, ‘মেয়েদের বয়স জানাতে নেই (হাসি)। এবার জন্মদিনের শুরুটা দারুণ কেটেছে। আমি নিকেতন থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় চলে এসেছি। রাতেই পাশের বাসার কয়েকজন আন্টি আর কাছের বন্ধু এসে হাজির। সবাইকে নিয়ে কেক কেটে, আড্ডা দিয়ে সময়টা দারুণ কেটেছে।’

    জন্মদিনে কেক হাতে বিদ্যা সিনহা মিমজন্মদিনে কেক হাতে বিদ্যা সিনহা মিমগতকাল শনিবার সকালে যান চ্যানেল আই কার্যালয়ে। জানালেন, ‘তারকাকথন’ অনুষ্ঠানে ভক্তদের সঙ্গে আড্ডা দিতে পেরে দারুণ লেগেছে। বললেন, ‘চ্যানেল আই আমাদের একটা পরিবার। এই পরিবার আমাকে দেশের মানুষের সামনে পরিচিতি এনে দিয়েছে। তাই বিশেষ দিনে এখানে এসে দর্শকের সঙ্গে কথা বলার আনন্দ অন্য রকম।’

    মিম আরেকটি অসাধারণ উপহার পেয়েছেন তাঁর অভিনীত ‘পাষাণ’ ছবির প্রযোজক আবদুল আজিজের কাছ থেকে। জাজ মাল্টিমিডিয়ার স্বত্বাধিকারী এই প্রযোজক মিমকে নিয়ে একটি ছড়া লিখে পোস্ট করেছেন।

    সন্ধ্যায় বাসায় এসে মিম অবাক। কোনো আলো নেই, অন্ধকার। তখনো টের পাননি, মা তাঁর জন্য কী ‘সারপ্রাইজ’ রেখে দিয়েছেন। সবাই যখন একসঙ্গে ‘হ্যাপি বার্থ ডে’ বলে চিৎকার করলেন, তখন আর বুঝতে বাকি রইল না, সারপ্রাইজ দিতে অনেকে হাজির। আলো জ্বলে উঠতেই মিম দেখলেন, তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে অনেকেই এসেছেন। মিম বলেন, ‘জন্মদিনে মায়ের কাছ থেকে দারুণ সারপ্রাইজ পেয়েছি। রাতে আরও অনেককে নিয়ে আরেকটি আয়োজন অপেক্ষা করছিল, তা ধারণা করতে পারিনি। সবার এমন ভালোবাসা নিয়ে সামনের দিনগুলো পার করে দিতে চাই।’

    জন্মদিনে বিদ্যা সিনহা মিমজন্মদিনে বিদ্যা সিনহা মিমঢালিউডের জনপ্রিয় এই নায়িকা সম্প্রতি ‘সাপলুডু’ ছবির শুটিং শুরু করেছেন। এই ছবিতে তিনি চিত্রনায়ক আরিফিন শুভর বিপরীতে অভিনয় করছেন। গোলাম সোহরাব দোদুল পরিচালিত এই ছবির কাজ এ মাসেই পুরোপুরি শেষ হবে বলে জানালেন মিম। আরও দুটি বড় প্রকল্পের কাজ শুরুর ইঙ্গিত দিলেন এই নায়িকা। ছবি দুটির একটি ভারতের কলকাতার, অন্যটি বাংলাদেশে। তবে এখন দুটি ছবি নিয়ে কিছু বলতে চাননি মিম।


    গোবিন্দের ছবি নিয়ে চক্রান্ত কেন?

    503c104487d3a9fd1930e7c42413808c 5be827225364b - গোবিন্দের ছবি নিয়ে চক্রান্ত কেন?

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    ‘বন্ধু আমির খান আর সালমান খান আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, ছবিটি এত দিন মুক্তি পায়নি কেন। আমি চুপ করে ছিলাম।’ বললেন বলিউডের একসময়ের জনপ্রিয় তারকা গোবিন্দ। কোন ছবি? গোবিন্দ জানালেন, ছবির নাম ‘রঙ্গিলা রাজা’। তিনি ছবিটির কাজ করেছিলেন নয় বছর আগে। তাঁর মতে, ওই সময় ছবিটি মুক্তি দেওয়া সম্ভব হলে হয়তো ব্যবসায়িক দিক থেকে সাফল্য পাওয়া যেত। ছবিটি মুক্তি দেওয়া যায়নি কেন? গতকাল শনিবার মুম্বাইয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গোবিন্দ অভিযোগ করে বললেন, ‘আমার ছবি রিলিজ হোক, তা ইন্ডাস্ট্রির কেউ কেউ চান না।’ এ সময় তাঁর পাশে ছিলেন ‘রঙ্গিলা রাজা’ ছবির পরিচালক ও ভারতের সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশনের (সিবিএফসি) সাবেক চেয়ারম্যান পেহলাজ নিহালানি।

    ‘রঙ্গিলা রাজা’ ছবিটি ১৬ নভেম্বর মুক্তি দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়। এদিকে ছবিটির ছাড়পত্র আটকে দিয়েছে সিবিএফসি। প্রতিষ্ঠানটি ছবিটির ২০টি দৃশ্য বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু এই নির্দেশের বিরোধিতা করেছেন পেহলাজ নিহালানি। আগামীকাল সোমবার তিনি সিবিএফসির এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মুম্বাই হাইকোর্টে যাবেন।

    সংবাদ সম্মেলনে গোবিন্দ আরও জানান, ‘স্যান্ডউইচ’ নামে তাঁর অভিনীত আরেকটি ছবি তৈরি হয় ২০০৩ সালে। কিন্তু ছবিটি মুক্তি দিতে তিন বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল।

    সংবাদ সম্মেলনে গোবিন্দ, মিশিকা চৌরাশিয়া ও পেহলাজ নিহালানিসংবাদ সম্মেলনে গোবিন্দ, মিশিকা চৌরাশিয়া ও পেহলাজ নিহালানিবলিউডের চিত্রনায়ক গোবিন্দ ২০০৪ সালে কংগ্রেস পার্টি থেকে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হন। জানালেন, এখন তিনি রাজনীতি থেকে অনেক দূরে। রাজনীতিতে অংশ নেওয়া ছিল তাঁর জন্য বড় ভুল। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে তাঁর অভিনয়জীবনে। এখনো সেই রেশ রয়ে গেছে। তাঁর ছবির সংখ্যা কমে গেছে। ছবির শুটিং নিয়ে তেমন ব্যস্ততা নেই। গোবিন্দ বললেন, ‘আমি যাতে কাজ করতে না পারি, তা নিয়ে চক্রান্ত অনেক পুরোনো। কিন্তু আমিও ছেড়ে দেব না। লড়াই করে যাব।’

    গত ১২ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে গোবিন্দ অভিনীত কমেডি ছবি ‘ফ্রাইডে’। ছবিটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল গত ১১ মে। মুক্তির পর এই ছবির রেটিং হয় ৩.৫, কিন্তু তার পরও যথেষ্ট পরিমাণ প্রেক্ষাগৃহ পায়নি ছবিটি। প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের যুক্তি, ‘গোবিন্দের ছবি দেখতে যথেষ্ট দর্শক এখন আর আসে না।’

    ছবি নিয়ে নিজের খারাপ অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে গোবিন্দ বললেন, ‘ছবি নিয়ে আমাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়েছে। বিভিন্ন সময় আমাকে বলা হয়েছে, প্রডিউসারের সঙ্গে ঝামেলা হচ্ছে। আমার ছবি নিয়ে আইনি ঝামেলা হয়েছে। আমার অনেক ছবি আজ পর্যন্ত দিনের আলো দেখেনি।’

    ‘রঙ্গিলা রাজা’ ছবির দৃশ্যে গোবিন্দ‘রঙ্গিলা রাজা’ ছবির দৃশ্যে গোবিন্দসংবাদ সম্মেলনে গোবিন্দ আরও বললেন, ‘ছোটবেলায় শিখেছিলাম, এসব ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে। তাই সামনের দিকে তাকিয়ে আমাকে কাজ করে যেতে হবে। তা-ই করছি।’

    ‘রঙ্গিলা রাজা’ ছবিতে অভিনয় করেছেন গোবিন্দ, শক্তি কাপুর, মিশিকা চৌরাশিয়া, দিগঙ্গনা সূর্যবংশী প্রমুখ।


    ক্যানসারকে কৃতজ্ঞতা মনীষার!

    f668f7d1cc7e730f864bc38812792066 5be6f548c438a - ক্যানসারকে কৃতজ্ঞতা মনীষার!

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    শিরোনাম দেখে অবাক হচ্ছেন? ভাবছেন ভুল করে কিংবা অভিমানের সুরেই বলেছেন বলিউড তারকা মনীষা কৈরালা? একদমই তা নয়। আজ শনিবার দুপুরে বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনের মঞ্চে বেশ স্বতঃস্ফূর্ত ছিলেন ‘নাইন্টিন ফোরটি টু আ লাভ স্টোরি’ ছবির মনীষা কৈরালা। স্নিগ্ধ হলুদ শাড়িতে সমুজ্জ্বল মনীষা বলেন, ‘আমি মনে করি যেকোনো পরিস্থিতি আমাদের শিক্ষা দেয়। আমি ক্যানসারের প্রতি কৃতজ্ঞ, ক্যানসার আমাকে জীবনের মূল্য শিখিয়েছে। যুদ্ধ করতে শিখিয়েছে। ভেঙে পড়ে মরণের জন্য আমি কখনোই প্রস্তুত ছিলাম না।’

    স্মিত হেসে কিছু কঠিন বাস্তবতার কথা বললেন নেপালি মেয়ে মনীষা। হাসি মুখে বললেন, ‘অনেক মানুষের কাছে আমার অনেক আশা ছিল। ভেবেছিলাম তারা এগিয়ে আসবে। কিন্তু বাস্তবে এমন কিছু হয়নি। আবার কিছু মানুষ আমার জীবনে এসেছে ত্রাণকর্তা হয়ে। বিশ্বাস করুন, পৃথিবীতে এখনো ভালো মানুষ আছে। না পাওয়ার সমীকরণ না খুঁজলে বুঝবেন, জীবনটা আসলেই খুব সুন্দর, সৃষ্টিকর্তার অপূর্ব উপহার এই জীবন। আমরা এই উপহারকে যেন কখনো অবহেলা না করি।’

    ঢাকা লিট ফেস্টের শেষ দিনে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ‘হিলড’ শীর্ষক সেশনে নিজের লেখা (অনুলিখন নীলম কুমার) বই ‘হিলড’ থেকে কয়েকটি লাইন দর্শকদের পড়ে শোনান মনীষা কৈরালা। নিজের জীবনে বয়ে যাওয়া ঝড়ের দিনগুলোর কথা বলেছেন এখানে। রোগ-শোকের ভয়াবহ সেসব দিন। তবে একটিবারের জন্য ভেঙে পড়েননি। বলতে বলতে থেমে যাননি, বরং তাঁর জীবনের গল্প শুনে মিলনায়তনে উপস্থিত অনেকের চোখ সিক্ত হয়েছে। পিনপতন নীরবতায় মধ্যেও একজন দর্শক ফিসফিস করে বলে ওঠেন, ‘মনীষা সত্যিকারের যোদ্ধা!’

    অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ঢাকা লিট ফেস্টের পরিচালক সাদাফ সায। তাঁর আমন্ত্রণে শুরুতে ‘নেপালি কন্যা’ বইয়ে লেখা কয়েকটি অংশ পড়েন, ‘১০ ডিসেম্বর ২০১২। মরণ আমাকে ডাক দেয়। কিন্তু আমি মরতে চাইনি, বাঁচতে চাই এই সুন্দর পৃথিবীতে। আমার আকাশ মেঘে ঢেকে যাচ্ছে। না, হেরে গেলে চলবে না। নিজেকে বোঝালাম, আমাকে এর মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। একসময় জানতে পারি, আমার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা ৪৪ শতাংশ। কিন্তু এটাও সত্যি, ৫৬ শতাংশ মৃত্যুর ঝুঁকি!’

    ‘হিলড’ শিরোনামে আত্মজীবনীতে এসব কথা লিখেছেন মনীষা কৈরালা। ২০১৯ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত হবে বইটি। এ গ্রন্থে উঠে আসবে নিজের জীবনের বোঝাপড়ার বিষয়। তাঁর জীবনের একটি বড় অধ্যায় ছিল ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়া এবং তা থেকে মুক্ত হওয়া। সেটিও আলোচিত হয়েছে এ বইয়ের বিষয়বস্তু হিসেবে। কীভাবে ব্যথা-বেদনাকে পরাজিত করে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করেছেন, আছে তা নিয়ে আলোচনা। তাঁর ভাষায়, ‘নিজের জীবনের নানা কথা, অভিজ্ঞতা, সফলতা আর ব্যর্থতার কথা আমি এই বইয়ে তুলে ধরেছি। আমার দাম্পত্য জীবনের ব্যর্থতার কথাও আছে। স্ত্রী হিসেবে আমি কতটা ব্যর্থ, সে কথা জানবে পাঠক।’সঞ্চালক মনীষা কৈরালার ‘হিলড’ বইয়ের পরিচিতি তুলে ধরেন দর্শকের কাছেসঞ্চালক মনীষা কৈরালার ‘হিলড’ বইয়ের পরিচিতি তুলে ধরেন দর্শকের কাছেমনীষা বলেন, ‘আমি জানি না, আমার ক্যানসার হওয়ার পর কত সময় পার হয়ে গেছে। সে সময় আমি জীবনের কঠিন একটি বাস্তবতার মধ্যে ছিলাম। আমি বিষণ্ন ছিলাম, খুব অস্বস্তি লাগত, শারীরিকভাবেও বিপর্যস্ত ছিলাম। আমার পাকস্থলী অস্বাভাবিকভাবে বড় হয়ে যায়। সে কী অসহনীয় ব্যথা! তখন নেপালেই ছিলাম। পরীক্ষা করার পর জানতে পারি, আমার চূড়ান্ত ক্যানসার এবং তা ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেহে। চিকিৎসকেরাও তখনো বলতে চাননি যে আমার ক্যানসার হয়েছে। আমি অবাক হয়ে চিকিৎসকের দিকে তাকিয়ে ছিলাম। অনেক পরে আমাকে জানানো হয়, আমার জরায়ুতে ক্যানসার। সেটা কেটে ফেলে দিতে হবে। এটা শোনার পর মনে হলো আমার জীবনের নিঃসঙ্গ রাত শুরু। এমন রাত আগে কখনো আসেনি। বড্ড দীর্ঘ সে রাত!’

    মনীষা আরও বলেন, ‘আমার বন্ধু, পরিবার সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নেয়, কোথায় আমার অপারেশন করবে। কেউ বলল যুক্তরাষ্ট্র, কেউ ব্যাংকক, কেউবা মুম্বাই। তবে এর সঙ্গে অত্যন্ত দুঃখের বিষয় যেটা ছিল, আমি কখনো মা হতে পারব না।’

    ক্যানসার চিকিৎসা অনেকটা অনিশ্চয়তার বিষয় উল্লেখ করে মনীষা আরও বলেন, ‘মুম্বাইয়ের চিকিৎসকেরা যখন বলল, এই সার্জারি খুব জটিল, আমার বন্ধু, আত্মীয়, শুভাকাঙ্ক্ষীদের পরামর্শে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসার জন্য যাই। ক্যানসার চিকিৎসা অনেক অনিশ্চয়তার বিষয়। শুধু অপেক্ষা আর অপেক্ষা। এই নিয়ে আমার বইয়ের একটা চ্যাপটার আছে, নাম ইন্তেজার (অপেক্ষা)।’

    মনীষা যখন কথাগুলো বলছিলেন, তখন পুরো মিলনায়তনে পিনপতন নীরবতা। আলোকচিত্রীদের ক্যামেরায় ক্লিক ক্লিক ছাড়া আর কোনো শব্দের অস্তিত্ব সেখানে ছিল না। মনীষা বলেন, ‘আমি দেখি ক্যানসার চিকিৎসায় দুটি বড় শর্ত। প্রথমত, অপারেশন সফল হতে হবে। দ্বিতীয়ত, অপারেশনের পর পরবর্তী জটিল চিকিৎসা সফল হতে হবে। এর সঙ্গে আছে কেমোথেরাপি। এমনটা চিকিৎসকেরাই আমাকে বলেছিল। এসব জয় করে অপারেশন এবং চিকিৎসা সফল হলো। আমি ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করলাম, আমি বাঁচব? তিনি বললেন, তিন বছর পর্যন্ত পুনরায় ক্যানসার বেড়ে ওঠার ৯০ শতাংশ সম্ভাবনা আছে। এ ক্ষেত্রে তারা নিশ্চয়তা দিতে পারেনি। আমি অপেক্ষায় ছিলাম, এখনো আছি। অপেক্ষা, অপেক্ষা আর অপেক্ষা।’ এক প্রশ্নের জবাবে একটু আক্ষেপের সুরেই বললেন মনীষা, ‘যখন জেনেছি মা হতে পারব না, তখন খুব খারাপ লেগেছিল। একসময় সামলে উঠেছি।’

    দৃঢ়তার সঙ্গে মনীষা আরও বলেন, ‘আমি মরে যাব, এমনটা এক মুহূর্তের জন্য ভাবিনি। আমার বিশ্বাস ছিল আমি একদিন পুরোপুরি সুস্থ হব।’

    দর্শকের প্রশ্ন নেওয়ার আগে ‘হিলড’ আলোচনার শেষে আবারও নিজের বইতে থাকা কয়েকটি লাইন পড়ে শোনান। বললেন, ‘ক্যানসার আমাকে বদলে দিয়েছে। আমি ভেতর থেকে বদলে গিয়েছি। আমার পৃথিবীও বদলে গেছে।’ এ কয়েকটি লাইন পড়ে দর্শকের উদ্দেশে বললেন, ‘বাকিটা বইতে আছে। বই সংগ্রহ করে পড়ে নেবেন।’

    দর্শকের সঙ্গে প্রশ্ন-উত্তর পর্বে মনীষা আরও জানান রাজপরিবার থেকে দাদির (বাবার মা) অনুপ্রেরণায় চলচ্চিত্রের আসার কথা। তাঁর দাদি বলেছিলেন, ‘যে কাজটা তোমাকে আনন্দ দেয়, তুমি সেটাই করবে, যদি সেটা ঘাস কাটার (মালি) কাজও হয়।’

    মনীষা কৈরালার জন্ম ১৯৭০ সালে, কাঠমান্ডুর কৈরালা পরিবারে। কমিউনিস্ট নেতা ও নেপালের প্রথম প্রধানমন্ত্রী বিপি কৈরালা মনীষার ঠাকুরদা, চাচা গিরিজা প্রসাদ কৈরালাও পরে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। কমিউনিস্ট পরিবারে জন্ম হলেও শিশুকালেই মনীষাকে টেনেছিল রূপালি জগৎ। স্কুলবেলাতেই তিনি নাম লেখান মডেলিংয়ে। পড়তে আসেন ভারতে, আর সেখানে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পেয়ে যান খ্যাতি।

    মনীষা প্রথম অভিনয় করেছেন ১৯৮৯ সালে ‘ফেরি ভেতওলা’ নামের একটি সিনেমায়। সুভাষ ঘাইয়ের ‘সওদাগর’ এর মাধ্যমে মনীষার বলিউডি অভিষেক। ‘নাইনটিন ফোরটি টু আ লাভ স্টোরি’, ‘আকেলে হাম আকেলে তুম’, ‘মন’, ‘ছুপা রুস্তম’, ‘তুম’, ‘অগ্নিসাক্ষী’, ‘গুপ্ত’, ‘দিল সে’, ‘লজ্জা’, ‘কোম্পানি’র মতো সফল বাণিজ্যিক ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি।


    কলাকুশলী ছাড়া ছবি হয় না: অমিতাভ

    d26b9afebdc6875499be77bb69223f4d 5be6f91a598c9 - কলাকুশলী ছাড়া ছবি হয় না: অমিতাভ

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    প্রখ্যাত বলিউড তারকা অমিতাভ বচ্চন বলেছেন, ‘একটি ছবির সাফল্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকেন ওই ছবির কলাকুশলীরা। তাঁদের অবদানকে আমাদের স্বীকৃতি দিতে হবে। বুঝতে হবে তাঁদের ছাড়া ছবি নির্মাণ করা যায় না। একটি ছবির নেপথ্যে জড়িয়ে থাকেন ৪০০-৫০০ কলাকুশলী। এসব কলাকুশলীর নাম ছবির শেষ দিকে থাকলেও দর্শক ছবির সেই অংশ না দেখেই বেরিয়ে যান। এই অভ্যাস বদলানো দরকার।’ আজ শনিবার বিকেলে কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে ২৪তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধন করে এ কথা বলেছেন তিনি। অমিতাভ বচ্চন স্মরণ করেন ক্যামেরাম্যানসহ টেকনিশিয়ানদেরও।

    অমিতাভ বচ্চন বলেন, ‘ছবির বহু কলাকুশলী অভিনয়ের আগে পর্দার অন্তরালে থেকে নিজেদের তৈরি করে নিয়েছেন। অভিনেতা হৃতিক রোশন, সিদ্ধার্থ মালহোত্রা, রণবীর কাপুর, পরীণীতি চোপড়া, বরুণ ধাওয়ান, অর্জুন কাপুরের মতো কলাকুশলীরা কাজ করে আজ তারকা হয়েছেন।’ সত্যজিৎ রায়ের ক্যামেরাম্যান ছিলেন সুব্রত মিত্র। তাঁর অবদানের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘বহু অভিনেতা কাজ শিখেছেন পর্দায় আসার আগে। প্রখ্যাত অভিনেতা প্রমথেশ বড়ুয়া ছিলেন চিত্রগ্রাহক। হৃষিকেশ মুখার্জিও ছিলেন চিত্রগ্রাহক। বিমল রায় ছিলেন সহকারী চিত্রগ্রাহক। তাঁরাই একসময় চলচ্চিত্রের শীর্ষে উঠেছিলেন। পরিচালক হয়েছিলেন।’

    অমিতাভ বচ্চন বাংলায় ভাষণ শুরু করে বলেন, ‘কলকাতা আমার প্রিয় শহর। আমার প্রথম জীবনের চাকরি এই কলকাতা শহরে। তাই কীভাবে ভুলি কলকাতাকে। আমি মমতাজিকে গত বছরও বলেছিলাম, আর ডাকবেন না আমাকে। কিন্তু শোনেননি তিনি। সোজা বলে দিয়েছেন, এবারও আসতে হবে। তাই আসতে বাধ্য হলাম।’ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধা জানিয়ে অমিতাভ বচ্চন ভাষণের একপর্যায়ে ‘সোনার বাংলা’ কবিতাটি আবৃত্তি করেন।উৎসবের মঞ্চে কুশল বিনিময় করেন বলিউডের দুই বরেণ্য অভিনেত্রী ওয়াহিদা রেহমান ও জয়া বচ্চন। ছবি: ভাস্কর মুখার্জিউৎসবের মঞ্চে কুশল বিনিময় করেন বলিউডের দুই বরেণ্য অভিনেত্রী ওয়াহিদা রেহমান ও জয়া বচ্চন। ছবি: ভাস্কর মুখার্জিবাংলা চলচ্চিত্রের শতবর্ষকে সামনে রেখে আজ সন্ধ্যায় কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে প্রদীপ জ্বালিয়ে ২৪তম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধন করবেন বলিউডের বরেণ্য অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বলিউডের শাহরুখ খান, জয়া বচ্চন, বিশ্বজিৎ চট্টোপাধ্যায়, ওয়াহিদা রেহমান, মহেশ ভাট, নন্দিতা দাস। অমিতাভ বচ্চন পরপর পাঁচ বছর কলকাতার এই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধন করলেন।

    এই উৎসবে আজ আরও যোগ দিয়েছেন ইরানি পরিচালক মাজিদ মাজিদি, সাইমন বেকারের মতো প্রথিতযশা নির্দেশক। এ ছাড়া টালিউডের তারকা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, মাধবী মুখোপাধ্যায়, গৌতম ঘোষ, রঞ্জিত মল্লিক, প্রসেনজিৎসহ একঝাঁক টালিউড তারকা যোগ দেন উৎসবে।

    শাহরুখ খান বলেছেন, ‘কলকাতা আমার ভালো লাগার শহর। ভালোবাসার শহর। ২৭ বছর ধরে চলচ্চিত্রে আছি। ৭০টি ছবি করেছি। আমি খুব ইন্টেলিজেন্ট নই। স্মার্ট নই। আগামী ১০ বছরে এই উৎসবে আমার একটি ছবি যেন আসতে পারে, সেই চেষ্টা করব।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘আমার ছবি তো ভালোবাসেন না। তাই আমার ছবি আসেনি। আমি আমার “জিরো” ছবির ট্রেলার দেখাতে চাই।’ এরপর ‘জিরো’ ছবির ট্রেলার দেখানো হয়।

    প্রখ্যাত অভিনেতা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ‘এই উৎসবের দিকে আমরা প্রতিবছর তাকিয়ে থাকি। এটা আমাদের এক গৌরবের উৎসব।’ তিনি পূর্বসূরিদের স্মরণ করে বলেন, ‘এই উৎসবের মধ্য দিয়ে খুলে যাবে এক নতুন জানালা, যেখানে দেখা যাবে বিভিন্ন চলচ্চিত্র।’

    ওয়াহিদা রেহমান বলেন, ‘কলকাতায় আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে। পুরোনো দিনের বন্ধু সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা হলো। ভালো লেগেছে। ওর সঙ্গে ছবি করেছি।’উৎসবের মঞ্চে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও অমিতাভ বচ্চন। ছবি: ভাস্কর মুখার্জিউৎসবের মঞ্চে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও অমিতাভ বচ্চন। ছবি: ভাস্কর মুখার্জিপশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমরা এবার উৎসবের উদ্বোধনী ছবি করেছি মহানায়ক উত্তম কুমার ও তনুজা অভিনীত “অ্যান্টনি ফিরিঙ্গি”।’ তিনি বাংলা চলচ্চিত্রের শতবর্ষ উপলক্ষে কলাকুশলীদের কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করে বলেন, ‘বাংলা ছবি নির্মাণে কলকাতা এখন অনেক এগিয়েছে। ২০১৯ সালে এই উৎসব ২৫ বছরে পা দেবে। ওই উৎসবে অমিতাভ বচ্চন, জয়া বচ্চন, শাহরুখ খানকে থাকতে হবে। তাঁদের ছাড়া কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবের ২৫ বছর পূর্তি উৎসব হতে পারে না।’

    ‘জয় বাংলা, জয় সিনেমা’ বলে ভাষণ শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    এ বছর বাংলা চলচ্চিত্রের শতবর্ষকে ঘিরে এই উৎসবে পেয়েছে নতুন মাত্রা। এই উৎসবে দেখানো হবে ১৪টি কালজয়ী বাংলা ছবিও।

    এবার উৎসবের ট্যাগ লাইন ‘কার্নিভ্যাল অব ওয়ার্ল্ড’। উৎসবে ৭০টি দেশের ১৭১টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ছবি আর ১৫০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবির প্রদর্শনী হবে। এসব ছবি দেখানো হবে কলকাতার ১৬টি প্রেক্ষাগৃহে। উৎসব চলবে ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত। এবার উৎসবের ফোকাস কান্ট্রি অস্ট্রেলিয়া। বিশেষ ফোকাস কান্ট্রি তিউনিসিয়া। এ বছর অস্ট্রেলিয়া সিনেমারও শতবর্ষ। থাকছে অস্ট্রেলিয়ার একগুচ্ছ ছবি। আর বিশেষ ফোকাস বিভাগে থাকছে তিউনিসিয়ার ছয়টি ছবি।



    আগামীকাল কবি শামসুর রহমানের ৯০তম জন্মদিন

    1540209700 - আগামীকাল কবি শামসুর রহমানের ৯০তম জন্মদিন

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    আগামীকাল ২৩ অক্টোবর আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি শামসুর রাহমানের ৯০তম জন্মদিন। দিবসটি উপলক্ষে বাংলা একাডেমি, শিল্পকলা একাডেমিসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান নানা কর্মসূচির আয়োজন করেছে।

    ১৯২৯ সালের ২৩ অক্টোবর পুরনো ঢাকার মাহুতটুলিতে কবি জন্মগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে কবি, সাংবাদিক, গীতিকার, কলামিস্ট। দীর্ঘ ছয় দশক কবি এ সব ক্ষেত্রে অত্যন্ত সাবলিলধারায় লেখালেখি করে বাংলা সাহিত্যে অসাধারণ অবদান রাখেন। ২০০৬ সালের ১৭ আগস্ট চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ঢাকায় ইন্তেকাল করেন।

    তার কবিতায় বাঙালি জাতির স্বাধীনতা প্রাপ্তির চেতনার দীপ্ত উচ্চারিত হলেও কবিতা ও সাংবাদিকতায় মৌলবাদ বিরোধীতায় ছিলেন সোচ্চার। ধর্মান্ধতাকে কবিতার মধ্যদিয়ে আজীবন প্রচন্ডভাবে ঘৃণা করেছেন। লিখেছেন প্রেম, দ্রোহ ও বিশ্বজনীনতা বিষয়ে অসংখ্য চিরায়ত কবিতা। যা আজও সকল বয়সের মানুষকে উজ্জীবিত করে। সর্বোপরি কবিতা রচনায় স্বাধীনতার কণ্ঠকে ধারণ করেন। এ কারণেই তার সৃষ্টিশীলতার বিশালতাকে বাংলা কবিতায় তাকে স্বাধীনতার কবি বলা হয়। শামসুর রাহমান বাঙালীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ কবিদের অন্যতম এবং আমাদের চলার পথের পাথেয়।

    শামসুর রাহমানের প্রথম কবিতার বই ‘প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ’ প্রকাশ পায় ১৯৬০ সালে। এর পর ‘ ষাট দশকে প্রকাশিত বইগুলো হচ্ছে রুদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, নিরালোকে বসতি, নিজ বাসভূমে, ‘বন্দি শিবির থেকে’, মাতাল ঋতিকসহ মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কবির ৬০টি কবিতার বই প্রকাশ পায়। এ ছাড়া ৮টি শিশুতোষ ১১টি, গল্পগ্রন্থ ১টি, দুটি উপন্যাস-অক্টোপাস ও অদ্ভুত আঁধার, নাটক ও কবিতা সমগ্র, অনুবাদগ্রন্থ ৯টি, নির্বাচিত কলাম, নির্বাচিত কবিতার চারখন্ডসহ কবির বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা শতাধিক।

    পেশাগতভাবে কবি শামসুর রাহমান লেখালেখি এবং সাংবাদিকতায় নিয়োজিত ছিলেন। ষাট দশকের মধ্যভাগে তিনি দৈনিক পাকিস্তান পত্রিকায় (দেশ স্বাধীানের পর দৈনিক বাংলা ) যোগ দেন। দেশ স্বাধীনের পর এই পত্রিকা দৈনিক বাংলা নামে প্রকাশ পায়। তিনি এই পত্রিকায় প্রায় চার দশক কর্মরত ছিলেন। দৈনিক বাংলা, বাংলাদেশ টাইমস, সাপ্তাহিক বিচিত্রার এর সম্পাদক ছিলেন। এ ছাড়াও কবি কয়েককটি সাহিত্য পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

    সাহিত্যে অবদানের জন্য একুশের পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আদমজী পুরস্কার, কলকাতা থেকে আনন্দ পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরকার লাভ করেন।

    কবি ও স্থপতি রবিউল হুসাইন সংবাদ মাধ্যম বাসসকে বলেন, কবি শামসুর রাহমান বাংলা সাহিত্য ও সমসাময়িক বিশ্বসাহিত্যের অন্যতম সৃষ্টিশীল আধুনিক কবি। প্রগতিধারা, অসাম্প্রদায়িক চেতনা, মুক্তিযুদ্ধ ও নাগরিক জীবনবোধের কবি। প্রাশ্চাত্যধারায় বাংলাসাহিত্যে যে পঞ্চকবির একটা যুগ শুরু হয়েছিল, সেই চেতনাকে শামুসর রাহমান বেগবান করেছেন তার কবিতায়। কবিতার ভুবনে মানবিক ভূমিকে স্পর্শ করেন। রাজত্ব করেছেন। তিনি আমাদের কবিতা লেখা শিখিয়েছেন।

    বাংলা একাডেমি আগামীকাল ( মঙ্গলবার ) কবি শামসুর রাহমানের ৯০তম জন্মদিন পালন করবে। এ উপলক্ষে আগামীকাল বিকেল তিনটায় কবির জীবন ও কর্মের ওপর একক বক্তৃতানুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এতে বক্তব্য রাখবেন শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক রফিকউল্লাহ খান। একাডেমির কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কবি আসাদ চৌধুরী।


    ধার হিসেবে দীপিকার শরীর চান আলিয়া

    1540211436 - ধার হিসেবে দীপিকার শরীর চান আলিয়া

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    ইতিমধ্যে রনবীর ও দীপিকা পাড়ুকোনের বিয়ের তারিখ ঘোষণা হয়েছে। অন্যদিকে রনবীরের সাবেক গার্লফ্রেন্ড আলিয়া ভাট রনবীরের হবু স্ত্রীর কাছে করেছেন এক অদ্ভুত দাবি।

    সম্প্রতি ‘কফি উইথ করণ’ শোতে মুখোমুখি হন রনবীরের হবু বউ দীপিকা ও সাবেক গার্লফ্রেন্ড আলিয়া ভাট।
    শো-টির এক পর্যায়ে সঞ্চালক করণ জোহর ভাটকে এক প্রশ্ন করে। করণের প্রশ্ন ছিল, দীপিকার কাছে ধার হিসেবে কি চাও?

    আলিয়ার সোজা সাপটা উত্তর। উত্তরে আলিয়া বলেন, ধার  চাইলে আমি দীপিকার শরীর ধার চাইবো।

    তিনি আরও বলেন, দীপিকার ফিগার তার ভীষণ পছন্দ।

    এছাড়া ওই শো-তে দীপিকাকে নিয়ে অনেক মজাও করেন রনবীরের এ সাবেক প্রেমিকা।


    ক্যানসারের পর যমজ কন্যার মা

    d4c199883d4dcadd6e660b72203f1ec1 5ba354036ae7a - ক্যানসারের পর যমজ কন্যার মা

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    বলিউড তারকা লিসা রে ক্যানসারে আক্রান্ত হন ২০০৯ সালে। তাঁকে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। আরও নানা চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। ওই সময় ‘মা’ ডাক শোনার জন্য ইচ্ছে হয় তাঁর। কিন্তু তা কীভাবে সম্ভব! চিকিৎসকেরা তাঁকে ভরসা দেন, ‘আগে ক্যানসারের চিকিৎসা শেষ হোক, তারপর আপনি অবশ্যই মা হবেন। তবে এই মুহূর্তে তা কোনোভাবেই সম্ভব না।’ সেদিন লিসা রে নাকি খুব কেঁদেছিলেন। কারণ, নিজেকে পরিণত নারী হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু মা হওয়ার ক্ষমতা তাঁর শরীরে তখন ছিল না।

    ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছেন লিসা রে। ‘মা’ ডাক শোনার সেই সাধ রয়ে গেছে এখনো। এবার জানা গেছে, ‘মা’ হয়েছেন লিসা রে। সারোগেসি পদ্ধতিতে তিনি এখন যমজ কন্যার মা।

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুশির খবর জানালেন লিসা রে। গত জুন মাসে জর্জিয়াতে তাঁর যমজ কন্যার জন্ম হয়েছে। ইনস্টাগ্রামে তিনি লিখেছেন, ‘আমার স্ট্রাগলের কথা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করতে চাই। আমার ক্যানসারের লড়াইয়ের কথা আপনারা জানেন। যন্ত্রণার দিনে আপনাদের পূর্ণ সমর্থন পেয়েছি। তাই খুশির মুহূর্তও আপনাদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চাই। আমাদের গল্প, আমাদের লড়াই, অন্য যাঁরা এই পরিস্থিতিতে সন্তান চান, তাঁদের সাহস দেবে।’

    লিসা রে আরও লিখেছেন, ‘আমি আর আমার স্বামী জেসন ডেহনি মধ্য চল্লিশে বাবা-মা হয়েছি। হয়তো সামাজিকভাবে বয়সটা বাবা-মা হওয়ার জন্য বেশি। কিন্তু আমাদের জন্য এটাই সঠিক সময়। মাতৃত্ব আমার জীবন বদলে গেছে। এখন সন্তানদের খাওয়ানো, ন্যাপি বদলানো—সবকিছুর জন্য আমি তৈরি।’

    লিসা রে জানিয়েছেন, যমজ কন্যার নাম রেখেছেন তাঁরা। তাঁদের এক কন্যার নাম সুফি আর অন্যটির সোলেইল।

    ২০০৯ সালে ২৩ জুন জানা যায়, ইন্দো-কানাডিয়ান অভিনেত্রী লিসা রে বোনম্যারো ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর দীর্ঘদিন তাঁর চিকিৎসা হয়েছে। এখন তিনি পুরোপুরি সুস্থ।