• Category Archives: আশুগন্জ

    রিয়াদে আশুগঞ্জ উপজেলা প্রবাসী কমিউনিটির পুনর্মিলনী

    082257 bangladesh pratidin bdp ashuganj - রিয়াদে আশুগঞ্জ উপজেলা প্রবাসী কমিউনিটির পুনর্মিলনী

    পজটিভ ডেস্ক ;

    সৌদি আরবের রিয়াদে প্রবাসী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলা কমিউনিটির পুনর্মিলনী ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা শুক্রবার স্থানীয় একটি কমিউনিটি সেন্টারে ফারুক আহমেদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    প্রবাসী আশুগঞ্জ কমিউনিটির

    মহাজোট নেতাদের বিরোধীতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি বিএনপি’র কব্জায় চলে যেতে পারে!

    Election Logo 1 1 - মহাজোট নেতাদের বিরোধীতায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনটি বিএনপি’র কব্জায় চলে যেতে পারে!

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে ৮৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে বাছাইয়ে ৪০ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তার মধ্যে বৈধ হওয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন ১৬ জন প্রার্থী। এদের মধ্যে স্বতন্ত্র রয়েছেন জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্যসহ আওয়ামী লীগ নেতা। তারা হলেন এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা এম.পি, বিএনপি’র মনোনীত প্রার্থী সাবেক প্রতিমন্ত্রী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া, ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানা, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র মোঃ মঈন উদ্দিন মঈন, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) মনোনীত প্রার্থী জামিলুল হক বকুল, কমিউনিষ্ট পার্টির ঈশা খাঁ, নাগরিক ঐক্য মনোনীত মোবারক হোসেন, জেএসডি’র এডভোকেট তৈমুর রেজা শাহজাদা, ইসলামী ঐক্যজোটের মাওঃ জুনায়েদ আল হাবীব, বিএনপির (স্বতন্ত্র) প্রার্থী শেখ মো: শামীম, এস এন তরুণ দে, আনোয়ার হোসেন মাষ্টার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মোঃ জাকির হোসেন, আহসান উদ্দিন খানসহ আরও একজন প্রার্থী।

    এদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে এডভোকেট জিয়াউল হক মৃধা বিগত দু’টি সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়নে নির্বাচিত বর্তমান সংসদ সদস্য। এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে কাওকে মনোনয়ন না দিয়ে মহাজোট থেকে জাতীয় পার্টির নেতা ও এরশাদের যুব বিষয়ক উপদেষ্টা এডভোকেট রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়াকে মনোনয়ন দেয়া হলে শ্বশুর জিয়াউল হক মৃধার নেতৃত্বে মেয়ে জামাই রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে সরাইলে জাতীয় পার্টি নেতা কর্মীরা তীব্র প্রতিবাদ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে জামাই রেজাউলকে উক্ত নির্বাচনী এলাকায় মেনে নেয়া হবেনা ঘোষণা দিয়ে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে। এতে জাতীয় পার্টিতে শুরু হয়েছে বৈরী অবস্থা। জামাই শ্বশুরকে ‘শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি পিতৃসমতুল্য ও বিগত নির্বাচনে তার প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট এর দায়িত্ব পালন করেছেন’ বলে মন্তব্য করার পরও শ্বশুর বর্তমান সংসদ সদস্য জিয়াউল হক মৃধা জামাই রেজাউলকে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এমনকি মৃত্যুর পর জামাই যেন তার জানাজা ও দাফনে অংশ না নেয় সেই ওসিয়তও করেছেন। অপর দিকে, আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী মোঃ মঈন উদ্দিন মঈন মাঠে রয়েছেন। এহেন বৈরী অবস্থা বিরাজমান থাকলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) নির্বাচনী আসনে হেভিওয়েট প্রার্থী বিএনপি’র উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়ার সুনিশ্চিত বিজয় অর্জিত হবে বলে এলাকার সচেতন ভোটার এবং রাজনীতি সচেতন ব্যক্তিদের অভিমত।


    আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন শুরু

    power station - আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন শুরু

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    গ্যাস সংকটের কারণে দীর্ঘ সাড়ে ৪মাস বন্ধের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন শুরু হয়েছে। আজ ৩০ নভেম্বর শুক্রবার দুপুর ২টায় কারখানার উৎপাদন শুরু হয়। এর আগে চলতি মাসের ১৭ নভেম্বর কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করে বাখরাবাদ গ্যাস কতৃপর্ক্ষ।

    উৎপাদন বন্ধ থাকায় প্রতিদিন কারখানার অন্তত ১২শত মেট্রিকটন ইউরিয়া সার উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে।

    দীর্ঘদিন পর কারখানার উৎপাদনে ফেরায় খুশি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। দীর্ঘদিন উৎপাদন বন্ধ থাকায় কারখানার নিজস্ব মজুদ শূন্যের কৌটায় রয়েছে। তবে বিদেশ থেকে আমদানী করা সারের মজুদ রয়েছে পর্যাপ্ত।

    আমদানী করা সার দিয়েই কমান্ড এরিয়াভুক্ত ৭ জেলার চাহিদা অনুযায়ী সার সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে জানিয়েছেন কারখানা কতৃপর্ক্ষ।

    কারখানার মহা-ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) এটিএম বাক্কী জানিয়েছেন, গ্যাস সংকটের জন্য ১৩ জুলাই থেকে বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেয়ায় কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল। র্দীঘদিন পর চলতি মাসে গ্যাস সরবরাহ দিলে কারখানার নিজস্ব ও বিদেশী প্রকৌশলীদের সহায়তায় ক্রটি মেরামত শেষে শুক্রবার দুপুর থেকে উৎপাদন শুরু হয়েছে। বর্তমানে কারখানায় ৩৫ হাজার ৩শ৪১ মেট্রিকটন ইউরিয়া সার মজুদ রয়েছে।

    উল্লেখ্য, চাহিদা অনুযায়ী দেশের বিদ্যুৎ কেন্দ্র গুলোতে গ্যাস সরবরাহ করার জন্য সার কারখানা গুলো বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এরফলে প্রতি বছরে অন্তত ৯/১০ মাস গ্যাস সরবরাহ বন্ধের কারণে আশুগঞ্জ সার কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকে। দীর্ঘদিন কারখানা বন্ধ থাকায় যন্ত্রাংশে নানা ক্রটি দেখা দিয়ে কারখানার মূল্যবান যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে যায়। এতে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি হয় কারখানার।


    ইইউ প্রতিনিধিদল এর সাথে বিএনপির বৈঠক

    01 258 - ইইউ প্রতিনিধিদল এর সাথে বিএনপির বৈঠক

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির সাথে বৈঠকে বসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ইলেকশন এক্সপার্ট মিশনের একটি প্রতিনিধিদল।

    আজ ২৯ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার পর বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ে তারা বৈঠকে বসেন।

    বিএনপি চেয়ারপার্সনের মিডিয়া উইং কর্মকর্তা শায়রুল কবির বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    বৈঠকে ইইউ প্রতিনিধিদলে রয়েছেন-ডেবিট নোয়েল ওয়ার্ড, এটনি মারিয়া গুনারি এবং ঢাকায় নিযুক্ত ইইউ রাষ্ট্রদূত রেনজি টেরিংক।

    এছাড়া বিএনপি প্রতিনিধি দলে রয়েছেন : দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা রিয়াজ রহমান, উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রুমিন ফারহানা ও নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ আউয়াল।

    এদিন দুপুরে ধানমণ্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলটির নেতাদের সাথে বৈঠক করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

    এর আগে বুধবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সাথে বৈঠক করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেনজি টেরিংক বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষক না পাঠালেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের ছোট একটি টিম কাজ করবে। তারা ৪৮ দিন বাংলাদেশে নির্বাচন ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ করবে। পরে তারা কিছু সুপারিশ করবে।

    রেনজি টেরিংক বলেন, পর্যবেক্ষকের মতো বড় মিশন পাঠানোর জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির জন্য কমপক্ষে ছয় মাসের মতো সময় প্রয়োজন হয়। তাই ইইউর সদস্য দেশগুলো এই নির্বাচনে (একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন) পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা ছোট আকারে একটি এক্সপার্ট টিম পাঠাব।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের নির্বাচনের দিকে বিশেষ নজর আছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের। এবারের নির্বাচন আয়োজন চ্যালেঞ্জিং বলেও তিনি মন্তব্য করেন।


    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে বিএনপির ২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    BNP 2 - ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে বিএনপির ২৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৬টি আসনে বিএনপির ২৩জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এ নিয়ে শুরু হয়েছে মুখরোচক আলোচনা। একেকজনের মনোনয়ন পত্রে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের একেক রকম স্বাক্ষর থাকায় এ নিয়ে শুরু হয়েছে বিভ্রান্তি। শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত মনোনয়ন কে পান সেটা দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন দলটির নেতা-কর্মীরা।

    জেলার ৬টি আসনে বিএনপির ২৩জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনে রয়েছে দলেন একক প্রার্থী।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১-(নাসিরনগর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন পত্র দাখিল করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব একে একরামুজ্জামান।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২-(সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৯জন প্রার্থী। এরা হলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী উকিল আব্দুস সাত্তার ভূঁইয়া, বিএনপির আন্তজার্তিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক ব্যারিষ্টার রুমিন ফারহানা, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ আনোয়ার হোসেন, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মোহাম্মদ শামীম, সাবেক ছাত্রদল নেতা তরুন দে, বিএনপি নেতা আক্তার হোসেন, মোবারক হোসেন এবং আহসান উদ্দিন খান।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩-(সদর-বিজয়নগর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ২জন প্রার্থী। এরা হলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল এবং সাবেক ছাত্রদল নেতা ডঃ তৌফিকুল ইসলাম।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪- (কসবা- আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৪জন প্রার্থী। এরা হলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি নাছির উদ্দিন হাজারী, আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ মুসলিম উদ্দিন ও বিএনপি নেতা আলহাজ্ব সেলিম মাস্টার।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫-(নবীনগর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৩জন প্রার্থী। এরা হলেন কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তকদীর হোসেন মোহাম্মদ জসিম, বিএনপি নেতা কাজী নাজমুল হোসেন তাপস ও সালাহউদ্দিন ভূইয়া শিশির।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬-(বাঞ্চারামপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ৪জন প্রার্থী। এরা হলেন বিএনপির নির্বাহীূ কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেক, বিএনপি নেতা মেহেদী হাসান, অ্যাডভোকেট জিয়াউদ্দিন ও রফিকুল ইসলাম সিকদার।

    এ ব্যাপারে জেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি বলেন, ‘কৌশলগত কারণেই বিভিন্ন আসনে বিএনপি’র একাধিক নেতাকে মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ি সময়মতো একজন চূড়ান্ত মনোনয়ন পাবেন। চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়া প্রার্থীর পক্ষেই কাজ করবেন দলের নেতা-কর্মীরা।


    ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০২ সরাইল-আশুগঞ্জ ২৪৪ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।ভিডিও সহ….

    FB IMG 1543426566766 - ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০২ সরাইল-আশুগঞ্জ ২৪৪ আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।ভিডিও সহ....

    নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

    গতকাল আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ০২ সরাইল-আশুগঞ্জ ২৪৪ আসনে কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বুধবার ২৮শে নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া


    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে আনিছুর রহমান॥

    Ashuganj Anisor rahman - ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে আনিছুর রহমান॥

    পজিটিভ ডেস্কঃ

     ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ আনিছুর রহমান।

    বুধবার বিকেলে আশুগঞ্জ


    ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বাবা অলি আহাদের আসনটি পুনরুদ্ধার করতে চান।

    26733464 1556562234426094 882356702272334397 n - ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে বাবা অলি আহাদের আসনটি পুনরুদ্ধার করতে চান।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন চেয়েছেন বিএনপি কেন্দ্রীয় সহ আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি দলীয় মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২


    ব্রাহ্মনবাড়িয়া ০২ সরাইল-আশুগঞ্জে ‘ধানের শীষ’প্রতীকে লড়তে চান তরুণ প্রজন্মের আইডল ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

    25994881 1534291613319823 9158110308327603194 n - ব্রাহ্মনবাড়িয়া ০২ সরাইল-আশুগঞ্জে ‘ধানের শীষ’প্রতীকে লড়তে চান তরুণ প্রজন্মের আইডল ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম হয়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নির্বাচনী মাঠ। দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল ও আশুগঞ্জ)


    ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে চান ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সহ অর্ধশতাধিক নারী।

    145916 31 - ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে চান ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা সহ অর্ধশতাধিক নারী।

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ছে দিনদিন। নির্বাচনেও বাড়ছে নারী প্রার্থীর সংখ্যা। দেশের শীর্ষ দুই রাজনৈতিক ও সংসদের স্পিকার হচ্ছেন নারী। সরাসরি নির্বাচনে জয়ী হয়ে এবং সংরক্ষিত আসনের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেছেন বহু নারী। তারই ধারাবাহিকতায় আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের টিকিট চাইছেন অর্ধশতাধিক নারীনেত্রী। রাজনীতিতে এদের কারো হাতেখড়ি ছাত্রজীবনে, কারো বা বাবার শূন্য আসন কিংবা প্রয়াত স্বামীর কারণে। উত্তরাধিকারের পরিচয় ছাপিয়ে রাজনীতির মাঠে এখন তাদের সরব বিচরণ। অন্যদিকে ২০০৮ সালে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন পদ্ধতি চালুর পর ২০২০ সালের মধ্যে সব স্তরে ৩৩ শতাংশ নারী নেতৃত্ব পূরণের প্রতিশ্রুতি ছিল রাজনৈতিক দলগুলোর।

    কিন্তু সে কোটা পূরণ হয়নি কোনো দলেই। তবে সাংগঠনিক দক্ষতা, নির্বাচনী এলাকায় জনপ্রিয়তা ও ভোটারদের কাছে গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতে এবার সরাসরি নির্বাচনী লড়াইয়ে নামতে চান এসব নারীনেত্রী। দলীয় টিকিট নিশ্চিত করতে তারা নানা পর্যায়ে চালিয়ে যাচ্ছেন জোরালো লবিং-তদ্বির।
    বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রতিবারই একাধিক আসনে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নির্বাচনী ইতিহাসে কোনো পরাজয়ের রেকর্ড নেই। তবে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাজা হওয়ায় তিনি এখন কারাবন্দি। কারাগারে থাকলেও তার পক্ষে বগুড়া-৬ ও ৭ এবং ফেনী-১ আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করা হয়েছে। দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস ও নজরুল ইসলাম খান এসব মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। তিনি যাতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারেন সেজন্য উচ্চ আদালতে আইনি উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছেন দলের সিনিয়র আইনজীবী নেতারা।

    বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনে বরিশাল-৩ আসনে দলের টিকিটে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছিলেন। এবারও তিনি ওই আসনে মনোনয়ন চান। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. শাহিদা রফিক ঢাকা-১৬ আসনে মনোনয়ন চেয়ে ফরম জমা দিয়েছেন। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বিএনপির নিখোঁজ নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সিলেট-২ আসনে। তবে তার বড় ছেলে ব্যারিস্টার আবরার ইলিয়াসও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি সভাপতি আফরোজা খান রিতা মানিকগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচন করেছেন নবম জাতীয় নির্বাচনে। এবার তিনি মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মানিকগঞ্জ ১ ও ৩ আসনে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে ফাঁসির দণ্ড কার্যকর হওয়া বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সহধর্মিণী ফরহাত কাদের চৌধুরীকে চট্টগ্রাম-৭ আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন। নেত্রকোনা-৪ আসনে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী তাহমিনা জামান।

    কক্সবাজার-১ আসনে ২০০৮ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের স্ত্রী হাসিনা আহমেদ। সম্প্রতি তিনি ভারতের আদালতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে মামলায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন। তবে এখনই তার দেশে ফেরা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। এমন পরিস্থিতিতে আবারও নির্বাচনী লড়াইয়ে নামছেন হাসিনা আহমেদ। বান্দরবান আসনের সাবেক মা ম্যা চিং এবারও দলীয় মনোনয়ন চান। ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো দুবার এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। ওয়ান ইলেভেনের পর দলের সংস্কারপ্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকার কারণে পদপদবি হারিয়ে রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি বিএনপিতে ফিরেছেন সাবেক এই এমপি। আসন্ন নির্বাচনেও তিনি প্রার্থী হবেন এই আসনে।

    ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির স্বনির্ভর সম্পাদক ও নব্বইয়ের ছাত্র-আন্দোলনের অন্যতম শীর্ষ নেত্রী শিরিন সুলতানা। তবে এই আসনে মনোনয়ন চাইবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মির্জা আব্বাস। এই আসন থেকে মির্জা আব্বাসের স্ত্রী মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসও মনোনয়ন চান। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনে ফরিদপুর-২ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়েছেন দলের প্রয়াত মহাসচিব ওবায়দুর রহমানের মেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক শ্যামা ওবায়েদ। সেবার মাদারীপুর-২ আসন থেকে নির্বাচন করেছেন মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ও ইডেন কলেজের সাবেক ভিপি সাবেক সংরক্ষিত মহিলা এমপি হেলেন জেরিন খান। জামালপুর-১ আসনে শাহিদা আক্তার রিতা ২০০৮ সালের নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। এবারও তারা নিজ নিজ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী। বরিশাল-৫ আসনে সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা প্রয়াত নাসিরউদ্দিন পিন্টুর স্ত্রী নাসিমা আক্তার কল্পনা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ঢাকা-১৪ আসন থেকে প্রয়াত নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টুর বোন ও শহীদ কমিশনার সাইদুর রহমান নিউটনের স্ত্রী সাবেক কমিশনার ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সহসভাপতি ফেরদৌস আহমেদ মিষ্টি মনোনয়ন চেয়েছেন। নাটোর-১ আসনে সাবেক মন্ত্রী প্রয়াত ফজলুর রহমান পটলের স্ত্রী কামরুন্নাহার শিরিন মনোনয়ন ফরম জমা দেন। নওগাঁ-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়ন চেয়েছেন প্রয়াত ডেপুটি স্পিকার আখতার হামিদ সিদ্দিকীর স্ত্রী নাসরিন আরা সিদ্দিকী। ২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ-২ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে জিতেছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর সহধর্মিণী ও জেলা বিএনপির সভাপতি রুমানা মাহমুদ। এবারও তিনি জমা দিয়েছেন দলীয় মনোনয়ন ফরম।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে দলের সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, নীলফামারী-৪ আসনে দলের সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন, নাটোর-৪ আসনে বিএনপির মানবাধিকার বিষয়ক সহসম্পাদক ও সাবেক এমপি সৈয়দা আসিফা আশরাফী পাপিয়া ও সিরাজগঞ্জ-১ আসন থেকে কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে চান। পঞ্চগড়-২ আসনে প্রয়াত এমপি মোজাহার হোসেনের স্ত্রী নাদিরা আখতার, নাটোর-৪ আসনে সাবেক যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মরহুম ফজলুর রহমান পটলের স্ত্রী অধ্যক্ষ কামরুন্নাহার শিরীন ও চাঁদপুর-১ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাবেক শিক্ষাপ্রতিমন্ত্রী এহছানুল হক মিলনের স্ত্রী ও সাবেক ছাত্রনেত্রী নাজমুন নাহার বেবি। এছাড়া সিলেট-১ আসনে ডা. নুরুন্নাহার বেগম, সিলেট-৬ আসনে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় সদস্য এডভোকেট হাদিয়া চৌধুরী মুন্নী, মৌলভীবাজার-৩ আসনে মনোনয়ন চান সাবেক এমপি খালেদা রব্বানী, বরিশাল-৪ ও ৫ আসনে বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, বরিশাল সদর আসনে আফরোজা খানম নাসরিন। ঝালকাঠি-১ আসনে মমতাজ বেগম, ময়মনসিংহ-১১ আসনে সাবেক এমপি নূরজাহান ইয়াছমিন, চট্টগ্রাম-১০ আসনে নগর মহিলা দলের সভাপতি মনোয়ারা বেগম মনি, চট্টগ্রাম-২ আসনে নুরে আরা সাফা ও চসিক-এর কাউন্সিলর জেসমিনা খানম, চট্টগ্রাম-৬ আসনে এডভোকেট ফরিদা আকতার, চট্টগ্রাম-৯ আসনে বেগম ফাতেমা বাদশা ও চট্টগ্রাম-১৫ আসনে জান্নাতুল নাঈম চৌধুরী রিকু, ঢাকা-১৩ আসনে মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, নেত্রকোনা-২ আসনে ড. আরিফা জেসমিন নাহিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মিনারা বেগম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে প্রফেসর নায়লা আক্তার ও মুসেনা আক্তার, নোয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলুর সহধর্মিণী শামীমা বরকত লাকী, সিরাজগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি’র ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর স্ত্রী রুমানা মাহমুদ, নাটোর-২ আসনে বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুর সহধর্মিণী সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, নাটোর-১ ও চাঁপাই নবাবগঞ্জ-২ থেকে সাবেক এমপি আসিফা আশরাফি পাপিয়া, যশোর-৪ আসনে ইঞ্জিনিয়ার টিএস আইয়ুবের স্ত্রী তানিয়া রহমান সুমী, নীলফামারী-৪ আসনে বিলকিস ইসলাম ও যশোর-৫ আসনে সাবেক এমপি প্রয়াত আফসার আহমেদ সিদ্দিকীর স্ত্রী জাহানারা বেগম মনোনয়ন চাইছেন।
    এছাড়া নেত্রকোনা-৫ আসনে বেগম রাবেয়া আলী, টাঙ্গাইল-৪ আসনে রাবেয়া সিরাজ, চট্টগ্রাম-৫ আসনে ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, শরীয়তপুর-৩ আসনে তাহমিনা আওরঙ্গ, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে অ্যাডভোকেট সিমকী ইমাম খান, ফেনী-২ আসনে সাবেক এমপি রেহানা আক্তার রানু, ফেনী-৩ আসনে শাহানা আক্তার শানু, বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও রোকেয়া হলের ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আয়েশা সিদ্দিকা মানী, চাঁদপুর-৪ আসনে সাবেক এমপি রাশেদা বেগম হীরা, ময়মনসিংহ-৩ আসনে ছাত্রদলের সাবেক নেত্রী তানজীন চৌধুরী লিলি, কিশোরগঞ্জ-১ আসনে সাবেক এমপি হোসনে আরা গিয়াস, জামালপুর-৫ আসনে সাবেক এমপি নিলোফার চৌধুরী মনি, হবিগঞ্জ-৪ আসনে সাবেক এমপি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রোকেয়া হল শাখার ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শাম্মী আক্তার, কুষ্টিয়া-২ আসনে ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব ও ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৪ আসনে ফরিদা মনি, রাজশাহী-৫ আসনে মাহবুবা হাবিবা, ঝালকাঠি-২ আসনে জেবা আহমেদ খান, ফরিদপুর-৪ আসনে জাসাস সহ-সভাপতি শাহরিয়া ইসলাম শায়লা, গাজীপুর-৩ আসনে ফরিদা ইয়াসমিন স্বপ্না, বাগেরহাট-১ আসনে রুনা গাজী, কুড়িগ্রাম-৪ আসনে সাবেক এমপি গোলাম হোসেনের মেয়ে মমতাজ হোসেন লিপি, ময়মনসিংহ-৪ আসনে মহিলা দলের নেত্রী মির্জা ফারজানা রহমান হোসনা, শরীয়তপুর-৩ আসনে জেলা মহিলা দল সভানেত্রী আল আসমাউল হোসনা, পাবনা-৩ আসনে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক আরিফা সুলতানা রুমা, পাবনা-১ আসন থেকে ১৯৮০ সালে বদরুন্নেসা কলেজে ছাত্রদলের প্যানেলে প্রথম নির্বাচিত ভিপি খায়রুন নাহার খানম নির্বাচন অংশ নিতে দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এছাড়া বিএনপি আসন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন বিএনপি, মহিলা দলের বেশ কয়েকজন নেত্রী। জোটের শরিক দলগুলোর মধ্যে পঞ্চগড়-২ আসনে মনোনয়ন চান জাগপার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান। বিএনপি নেতারা জানান, জাতীয়তাবাদী দল সব সময়ই নারী নেতৃত্বকে উৎসাহিত করে। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ঘোষিত ভিশন ২০৩০-এ অনেক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে নারীদের বিষয়ে। এছাড়া তরুণদের পাশাপাশি শিক্ষিত ও মার্জিত নারীনেত্রীদেরও দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিযুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল বিএনপি। তারই ধারাবাহিকতায় দলের নির্বাহী কমিটিতে দুই নেত্রীকে দায়িত্ব দেয়া হয় সাংগঠনিক সম্পাদকের। অন্যদিকে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পুরুষদের পাশাপাশি আন্দোলন সংগ্রামে জোরালো ভূমিকা রেখেছেন নারী নেত্রীরা। নারীনেত্রীদের প্রত্যাশা, নির্বাচনে দলীয় মনোনয়নের ক্ষেত্রেও তাদের মূল্যায়ন করা হবে। ২০০৮ সালের নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে ১১ জন নারী ১৩টি আসনে নির্বাচন করেন। এর মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া নির্বাচন করেন ফেনী-১, বগুড়া-৬ ও বগুড়া-৭ আসনে। এছাড়া সাবিনা ইয়াসমিন (নাটোর-২), রুমানা মাহমুদ (সিরাজগঞ্জ-২), সেলিমা রহমান (বরিশাল-৩), ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো (ঝালকাঠী-২), শাহিদা আক্তার রিতা (জামালপুর-১), আফরোজা খান রিতা (মানিকগঞ্জ-২), শিরীন সুুলতানা (ঢাকা-৯), শামা ওবায়েদ ইসলাম (ফরিদপুর-২), হেলেন জেরিন খান (মাদারীপুর-২) ও হাসিনা আহমেদ (কক্সবাজার-১)।

    মতামত দিন

     

     


    ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিএনপির মনোনয়নের দৌড়ে ৫২ জন।

    Brahmanbaria 1 1 - ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় বিএনপির মনোনয়নের দৌড়ে ৫২ জন।

     

    পজিটিভ ডেস্কঃ

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দল থেকে মনোনয়ন পেতে দৌড় ঝাঁপ শুরু করেছে জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তাই দল থেকে মনোনয়ন ফরম ছাড়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৬টি সংসদীয় নির্বাচনী আসনের ৫২ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীরা ফরম সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর) আসনে সর্বাধিক ১৬জন এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে একজন প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর)

    একক প্রার্থী হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রবাসী কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও নাসিরনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ একে একরামুজ্জামান।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ)

    এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বিএনপির ১০ জন প্রার্থী। তারা হলেন–-বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী আলহাজ উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য শেখ মোহাম্মদ শামীম, সরাইল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, আশুগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আসিফ আহমেদ, সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ড. আজিজ আহমেদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এস.এন তরুন দে, সাবেক ছাত্রদল নেতা আহসান উদ্দিন শিপন ও বিএনপি নেতা জাবেদ আল হাসান স্বাধীন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর)

    এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ৩ জন। তারা হলেন– বিএনপির নির্বাহী কমিটির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রকৌশলী খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, সাবেক ছাত্রদল নেতা ড. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল ও অ্যাডভোকেট মিনা  বেগম মিনি,বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া)

    এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ৮ জন। তারা হলেন- সাবেক সাংসদ ও বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান, আখাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মুসলিম উদ্দিন,

    কেন্দ্রীয় কৃষকদল নেতা নাসির উদ্দিন হাজারী, কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা শাকিল ওয়াহেদ সুমন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম,কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও যুক্তরাজ্য বিএনপি উপদেষ্টা নাসরুল্লাহ খাঁন জুনায়েদ, কানাডা প্রবাসী বিএনপি নেতা ক্যাপ্টেন (অবঃ) মারুফুর রহমান রাজু ও আমেরিকা প্রবাসী বিএনপি নেতা মামুনুর রশিদ মোহন।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ (নবীনগর)

    এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ১৬ জন। তারা হলেন–-কেন্দ্রীয় কৃষকদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক তকদির হোসেন মোঃ জসিম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ও নবীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিছুর রহমান মঞ্জু, নবীনগর পৌরসভার মেয়র মাইন উদ্দিন, প্রয়াত সাবেক সাংসদ কাজি আনোয়ার হোসেনে ছেলে কাজি নাজমুল হোসেন তাপস, , কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন ভূঁইয়া শিশির, কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ সভাপতি সাঈদুল হক সাঈদ, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, উপজেলা মহিলা দলে সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর নাইলা, বিএনপি নেতা ফারুক আহমেদ, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল বাকী, উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, আলী আজ্জম জালাল, বিএনপি নেত্রী মোছেনা বেগম, মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মদলের জেলার সহ সভাপতি জহিরুল ইসলাম খান, শহীদ জিয়া আইনজীবী পরিষদ নেতা অ্যাডভোকেট আবু ইউসুফ সরকার ।

    ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬(বাঞ্ছারামপুর)

    এ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ১৪ জন। তারা হলেন–-সাবেক সাংসদ ও বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রফিক সিকদার, উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ভিপি আব্দুল মান্নান, উপজেলা বিএনপির সদস্য কৃষিবিদ মেহেদি হাসান পলাশ, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপি’র সাবেক আহ্বায়ক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম খোকন, মেজর (অবঃ) সাঈদুর রহমান সাঈদ, মোস্তাফিজুর রহমান,বোরহান উদ্দিন, হারেস মিয়া, যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি সহ দফতর সম্পাদক মোঃ সারওয়ার হোসেন, উপজেলা বিএনপি সিনিয়ার সহ-সভাপতি লিয়াকত আলী ফরিদ, গত উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির মনোনিত প্রার্থী মাহাবুব হাসান বাবু, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শহিদুল হক শহিদ ও দেওয়ান স্বপন।

    এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল হক খোকন বলেন, ‘নির্বাচনে একটি বড় দলে অনেকেই প্রার্থী হতে পারেন। শেষ পর্যন্ত দল যাকে মনোনয়ন পত্র দিবে, তার পক্ষেই দলীয় নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন।